০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতা ও ঈমান রক্ষায় উলামায়ে দেওবন্দের অবদান অনস্বীকার্য

  • Update Time : ০২:১৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • / ১০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: ভারত উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং ইসলামবিদ্বেষী ও বাতিল মতবাদের বিরুদ্ধে উলামায়ে দেওবন্দের ঐতিহাসিক অবদান শীর্ষক একটি জাতীয় সেমিনার শুক্রবার (২৬ জুন) বাদ মাগরিব থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সিলেট নগরীর জেলরোডস্থ একটি অভিজাত হোটেলের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। জামেয়া কাসিমুল উলূম দরগাহ মাদরাসার শায়খুল হাদিস মাওলানা মাহমুদ হোসাইন-এর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সেভ দ্য উম্মাহ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেভ দ্য উম্মাহ বাংলাদেশ-এর সেক্রেটারি জেনারেল হাফেজ মাওলানা মাসরুর আহমদ। মাওলানা আখতারুজ্জামান তালুকদার ও মাওলানা আতিকুর রহমান নগরীর যৌথ পরিচালনায় সেমিনারে বক্তব্য রাখেন মাওলানা ফয়যুল হাসান খাদিমানী, প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা গাজী রহমত উল্লাহ, মাওলানা এহতেশামুল হক কাসেমি, মাওলানা আহমদ সগির, মাওলানা আবু বকর সরকার, মাওলানা সদরুল আমীন, মুফতি আহমাদুল হক উমামা, হাফেজ খুবাইব আহমদ। সেমিনারে দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামা-মাশায়েখ ও গবেষকগণ উলামায়ে দেওবন্দের ভূমিকার ওপর বিস্তারিত আলোকপাত করেন:

১. ব্রিটিশবিরোধী ও স্বাধীনতা আন্দোলন

সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লড়াই: ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর মুসলিম সমাজকে রক্ষা এবং ব্রিটিশদের তাড়াতে ১৮৬৬ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

রেশমি রুমাল আন্দোলন: শায়খুল হিন্দ মাওলানা মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত ঐতিহাসিক রেশমি রুমাল আন্দোলনের রণকৌশল আলোচনা করা হয়।

দেশপ্রেমের ইতিহাস: ১৯১৯ সালে গঠিত জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের মাধ্যমে স্বাধীনতা আন্দোলনকে বেগবান করার কথা স্মরণ করা হয়।

২. বাতিল ও ভ্রান্ত মতবাদ প্রতিরোধ

আকীদা রক্ষা: কাদিয়ানি ফিতনা, খ্রিস্টান মিশনারিদের ধর্মান্তরকরণ এবং দ্বীন বিকৃতির বিরুদ্ধে দেওবন্দের আকাবিরদের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের ইতিহাস স্মরণ করা হয়।

সঠিক ইসলামি ধারার বিকাশ: শিরক, বিদআত এবং অপসংস্কৃতির কবল থেকে মুসলিম সমাজকে মুক্ত রাখতে দেওবন্দি ধারার আলেমদের ইলমি ও সংস্কারমূলক অবদানের প্রশংসা করা হয়।

সেমিনারে বক্তারা বর্তমান প্রেক্ষাপটেও তরুণ প্রজন্মকে উলামায়ে দেওবন্দের ত্যাগ ও দেশপ্রেমের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ ও ইসলামের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

স্বাধীনতা ও ঈমান রক্ষায় উলামায়ে দেওবন্দের অবদান অনস্বীকার্য

Update Time : ০২:১৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: ভারত উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং ইসলামবিদ্বেষী ও বাতিল মতবাদের বিরুদ্ধে উলামায়ে দেওবন্দের ঐতিহাসিক অবদান শীর্ষক একটি জাতীয় সেমিনার শুক্রবার (২৬ জুন) বাদ মাগরিব থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সিলেট নগরীর জেলরোডস্থ একটি অভিজাত হোটেলের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয়। জামেয়া কাসিমুল উলূম দরগাহ মাদরাসার শায়খুল হাদিস মাওলানা মাহমুদ হোসাইন-এর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সেভ দ্য উম্মাহ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান মাওলানা বাহাউদ্দিন যাকারিয়া। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেভ দ্য উম্মাহ বাংলাদেশ-এর সেক্রেটারি জেনারেল হাফেজ মাওলানা মাসরুর আহমদ। মাওলানা আখতারুজ্জামান তালুকদার ও মাওলানা আতিকুর রহমান নগরীর যৌথ পরিচালনায় সেমিনারে বক্তব্য রাখেন মাওলানা ফয়যুল হাসান খাদিমানী, প্রিন্সিপাল মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা গাজী রহমত উল্লাহ, মাওলানা এহতেশামুল হক কাসেমি, মাওলানা আহমদ সগির, মাওলানা আবু বকর সরকার, মাওলানা সদরুল আমীন, মুফতি আহমাদুল হক উমামা, হাফেজ খুবাইব আহমদ। সেমিনারে দেশের শীর্ষস্থানীয় উলামা-মাশায়েখ ও গবেষকগণ উলামায়ে দেওবন্দের ভূমিকার ওপর বিস্তারিত আলোকপাত করেন:

১. ব্রিটিশবিরোধী ও স্বাধীনতা আন্দোলন

সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লড়াই: ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর মুসলিম সমাজকে রক্ষা এবং ব্রিটিশদের তাড়াতে ১৮৬৬ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

রেশমি রুমাল আন্দোলন: শায়খুল হিন্দ মাওলানা মাহমুদুল হাসানের নেতৃত্বে পরিচালিত ঐতিহাসিক রেশমি রুমাল আন্দোলনের রণকৌশল আলোচনা করা হয়।

দেশপ্রেমের ইতিহাস: ১৯১৯ সালে গঠিত জমিয়ত উলামায়ে হিন্দের মাধ্যমে স্বাধীনতা আন্দোলনকে বেগবান করার কথা স্মরণ করা হয়।

২. বাতিল ও ভ্রান্ত মতবাদ প্রতিরোধ

আকীদা রক্ষা: কাদিয়ানি ফিতনা, খ্রিস্টান মিশনারিদের ধর্মান্তরকরণ এবং দ্বীন বিকৃতির বিরুদ্ধে দেওবন্দের আকাবিরদের বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ের ইতিহাস স্মরণ করা হয়।

সঠিক ইসলামি ধারার বিকাশ: শিরক, বিদআত এবং অপসংস্কৃতির কবল থেকে মুসলিম সমাজকে মুক্ত রাখতে দেওবন্দি ধারার আলেমদের ইলমি ও সংস্কারমূলক অবদানের প্রশংসা করা হয়।

সেমিনারে বক্তারা বর্তমান প্রেক্ষাপটেও তরুণ প্রজন্মকে উলামায়ে দেওবন্দের ত্যাগ ও দেশপ্রেমের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ ও ইসলামের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ