চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ৫০
- Update Time : ০৮:৩৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
- / ৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকে কেন্দ্র করে বর্তমান চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সমর্থক বিএনপি ও আওয়ামলীগ কর্মীদের মধ্যে ৩ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে থানার ওসিসহ উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক নারী পুরুষ আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। সোমবার (৮ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বড়ইউড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ফরিদ আহমদ গ্রেফতার হন। এরপর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান যুবদল নেতা মিজানুর রহমান কপিল ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। দীর্ঘদিন কারাভোগ শেষে জাতীয় নির্বাচনের পর ফরিদ আহমদ জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তিনি পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের উদ্যোগ নিলে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান কপিল এতে আপত্তি জানান। এনিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা হয়। সোমবার সকালে সরকারের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে চেয়ারম্যান ফরিদ আহমদ উপস্থিত হলে তাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় চেয়ারম্যান ফরিদ আহমদ ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান কপিলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে ফরিদ আহমদের সমর্থনে নোয়াগাঁও, কদুপুরসহ কয়েকটি গ্রামের লোকজন এবং মিজানুর রহমান কপিলের সমর্থনে হলদারপুর গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে পুরো ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। খবর পেয়ে বানিয়াচং থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৩ রাউন্ড টিয়ারশেল ও ৫টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে বানিয়াচং থানার ওসিসহ উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।




























