০৯:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ধর্মীয় উৎসবগুলো শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে- সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী

  • Update Time : ০৮:১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • / ৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো উদাহরণ পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। নানা অর্থনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দেশের মানুষ সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। শুক্রবার (২৬ জুন) সিলেটে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘এই দেশ আবহমানকাল ধরেই সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির দেশ। এটি কোনো মুখের কথা নয়, বরং শাশ্বত সত্য। অর্থনৈতিক সামর্থ্য কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার দিক থেকে আমরা হয়তো অনেক দেশের চেয়ে পিছিয়ে আছি, কিন্তু ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো দেশ পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।’ তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঔদার্য ও একসঙ্গে বসবাসের যে সংস্কৃতি রয়েছে, তা বিশ্ববাসীর জন্য অনুকরণীয়। নানা সংকট ও দুর্যোগের মধ্যেও এদেশের মানুষ সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন অটুট রেখেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ বারবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েও নতুন করে ঘুরে দাঁড়ায়। এ দেশের মানুষের এই অদম্য মানসিক শক্তি ও বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তিনি বলেন, পূজা উদযাপন পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে যারা অবদান রেখেছেন, তাদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান। মুক্তাদির বলেন, মন্দির, মসজিদ, গির্জা কিংবা প্যাগোডা, যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানই হোক না কেন, উন্নয়নের জন্য যা প্রয়োজন সরকার তা বাস্তবায়নে কাজ করবে। সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনগুলো সুনির্দিষ্টভাবে জানাতে হবে, বাকি কাজ সরকার সম্পন্ন করবে। তিনি আগামী দিনের নেতৃত্বের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বলেন, আসন্ন ধর্মীয় উৎসবগুলো শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে বলে তিনি আশাবাদী। এ সময় তিনি দেশের উন্নয়ন ও মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

সিলেট মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মলয় পুরকায়স্থ ও সাধারণ সম্পাদক চন্দন দাসের পরিচালনায় উদ্বোধকের বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বাসুদেব ধর এবং প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি করপোরেশন প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি অধ্যাপক ড. চন্দ্র নাথ পোদ্দার, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল লালিত, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাণতোষ আচার্য শিবু, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক নেতা এবং বিপুলসংখ্যক আমন্ত্রিত অতিথি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ধর্মীয় উৎসবগুলো শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে- সিলেটে বাণিজ্যমন্ত্রী

Update Time : ০৮:১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো উদাহরণ পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই। নানা অর্থনৈতিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও দেশের মানুষ সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। শুক্রবার (২৬ জুন) সিলেটে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘এই দেশ আবহমানকাল ধরেই সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির দেশ। এটি কোনো মুখের কথা নয়, বরং শাশ্বত সত্য। অর্থনৈতিক সামর্থ্য কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার দিক থেকে আমরা হয়তো অনেক দেশের চেয়ে পিছিয়ে আছি, কিন্তু ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো দেশ পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি নেই।’ তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ঔদার্য ও একসঙ্গে বসবাসের যে সংস্কৃতি রয়েছে, তা বিশ্ববাসীর জন্য অনুকরণীয়। নানা সংকট ও দুর্যোগের মধ্যেও এদেশের মানুষ সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন অটুট রেখেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ বারবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েও নতুন করে ঘুরে দাঁড়ায়। এ দেশের মানুষের এই অদম্য মানসিক শক্তি ও বেঁচে থাকার আকাঙ্ক্ষাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। তিনি বলেন, পূজা উদযাপন পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে যারা অবদান রেখেছেন, তাদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানান। মুক্তাদির বলেন, মন্দির, মসজিদ, গির্জা কিংবা প্যাগোডা, যে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানই হোক না কেন, উন্নয়নের জন্য যা প্রয়োজন সরকার তা বাস্তবায়নে কাজ করবে। সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনগুলো সুনির্দিষ্টভাবে জানাতে হবে, বাকি কাজ সরকার সম্পন্ন করবে। তিনি আগামী দিনের নেতৃত্বের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে বলেন, আসন্ন ধর্মীয় উৎসবগুলো শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হবে বলে তিনি আশাবাদী। এ সময় তিনি দেশের উন্নয়ন ও মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

সিলেট মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মলয় পুরকায়স্থ ও সাধারণ সম্পাদক চন্দন দাসের পরিচালনায় উদ্বোধকের বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বাসুদেব ধর এবং প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি করপোরেশন প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি অধ্যাপক ড. চন্দ্র নাথ পোদ্দার, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল লালিত, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রাণতোষ আচার্য শিবু, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতা, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক নেতা এবং বিপুলসংখ্যক আমন্ত্রিত অতিথি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ