১২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দোয়ারায় বিধবার ভিটার মাটিকেটে গর্ত ও জবর দখলের অভিযোগ

  • Update Time : ০৮:৩৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯
  • / ১১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

হারুন-অর-রশিদ, দোয়ারাবাজার :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নার গাঁও ইউনিয়নের করিমপুর গ্রামের বিধবা স্বামী পরিত্যক্ত মহিলার বসত ভিটার মাটিকেটে গর্ত সহ ঘরবাড়ি দখলের চেষ্টা করছে ঐ মহিলার সাবেক স্বামী। সে উপজেলার মান্নার গাঁও ইউনিয়নের করিমপুর গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের পুত্র আনছার আলী (৬৫)। বিধবা হাজেরা বেগম(৫২) করিমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের মেয়ে।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে করিমপুর গ্রামের হাজেরা বেগমের বসত বাড়িতে দেখা গেছে, তার বসত বাড়ির মুল ভিটার মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে আনছার আলী ও তার সহযোগিরা। একই দাগের পাশের একটি গর্তের মাঝে মাঠি ফেলছে। যাতে করে বিধবা মহিলার এই বাড়িটি অকেজু করে রাখা যায়। স্থানীয়রা জানায় আনছার একজন নারী লোভী একটার পর একটা বিয়ে করা তার কাজ। এপর্যন্ত ৪টা বিয়া করেছে।  ঐসব মহিলাদের টাকা পয়সা ও জমি জমা ভোগ করে অলস ভাবে বসে খাওয়া তার কাজ। গত ২৪ অক্টোবর হাজেরা বেগম দোয়ারাবাজার থানার উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ করায় অভিযোগকৃত মামলাটি বর্তমানে সুনামগঞ্জ আদালতে প্রকৃয়াধীন রয়েছে। তবু মামলা চলাকালিন আনছার আলী জোর পুর্বক বসত বাড়ির ভিটাকেটে পাশের গর্ত ভরাট করছে।

এব্যপারে ভুক্তভোগি হাজেরা বেগম বলেন
জুলাই ১৯৮৬ সালে ইসলামপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের পুত্র আনছার আলীর সাথে আমার বিয়া হলে তার ঔরাসজাত একজন মেয়ে আমার রয়েছে। বিয়ের কয়েক মাস পর সে আমার পিত্রালয়ে চলে আসে আমাদের সংসার জীবন ও ভালই কাটে এক পর্যায় সে ইরান চলে জায় সেখানে ও সে ইরানী মহিলাকে বিয়া করে টাকার জন্য দেশে আসতে না পারায় আমি বিমান ভাড়ার জন্য ৪০ হাজার টাকা দিয়ে দেশে আনি। দেশে এসে আমাকে মাইর পিট করে আরেক বিয়ে করে। প্রতিদিন আমাকে মারপিট ও খারাপ আচরণ করায় আমি তাকে তালাক দেই। আমার বাবার দেওয়া সোয়া দুই কিয়ার জমি সে জোর পুর্বক ভাবে আমার বসত ভিটার মাটি কেটে গর্ত করছে। বাদা নিশেধ মানছে না আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।

আনছার আলী বলেন, আমি ঘর বানানোর জন্য মাটি কাটছি। এছাড়া মাটি আনার সুযোগ নাই।

মামলা পরিচালনা কারী দোয়ারাবাজার থানার এস আই সজিব দত্ত বলেন, আমি অনেক চেষ্টা করেও না পেরে মামলাটি আদালতে স্থানান্তর করেছি। এখন আদালতের নির্দেশের অপেক্ষায়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দোয়ারায় বিধবার ভিটার মাটিকেটে গর্ত ও জবর দখলের অভিযোগ

Update Time : ০৮:৩৬:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯

হারুন-অর-রশিদ, দোয়ারাবাজার :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নার গাঁও ইউনিয়নের করিমপুর গ্রামের বিধবা স্বামী পরিত্যক্ত মহিলার বসত ভিটার মাটিকেটে গর্ত সহ ঘরবাড়ি দখলের চেষ্টা করছে ঐ মহিলার সাবেক স্বামী। সে উপজেলার মান্নার গাঁও ইউনিয়নের করিমপুর গ্রামের মৃত খলিলুর রহমানের পুত্র আনছার আলী (৬৫)। বিধবা হাজেরা বেগম(৫২) করিমপুর গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের মেয়ে।

মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে করিমপুর গ্রামের হাজেরা বেগমের বসত বাড়িতে দেখা গেছে, তার বসত বাড়ির মুল ভিটার মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছে আনছার আলী ও তার সহযোগিরা। একই দাগের পাশের একটি গর্তের মাঝে মাঠি ফেলছে। যাতে করে বিধবা মহিলার এই বাড়িটি অকেজু করে রাখা যায়। স্থানীয়রা জানায় আনছার একজন নারী লোভী একটার পর একটা বিয়ে করা তার কাজ। এপর্যন্ত ৪টা বিয়া করেছে।  ঐসব মহিলাদের টাকা পয়সা ও জমি জমা ভোগ করে অলস ভাবে বসে খাওয়া তার কাজ। গত ২৪ অক্টোবর হাজেরা বেগম দোয়ারাবাজার থানার উপস্থিত হয়ে লিখিত অভিযোগ করায় অভিযোগকৃত মামলাটি বর্তমানে সুনামগঞ্জ আদালতে প্রকৃয়াধীন রয়েছে। তবু মামলা চলাকালিন আনছার আলী জোর পুর্বক বসত বাড়ির ভিটাকেটে পাশের গর্ত ভরাট করছে।

এব্যপারে ভুক্তভোগি হাজেরা বেগম বলেন
জুলাই ১৯৮৬ সালে ইসলামপুর গ্রামের খলিলুর রহমানের পুত্র আনছার আলীর সাথে আমার বিয়া হলে তার ঔরাসজাত একজন মেয়ে আমার রয়েছে। বিয়ের কয়েক মাস পর সে আমার পিত্রালয়ে চলে আসে আমাদের সংসার জীবন ও ভালই কাটে এক পর্যায় সে ইরান চলে জায় সেখানে ও সে ইরানী মহিলাকে বিয়া করে টাকার জন্য দেশে আসতে না পারায় আমি বিমান ভাড়ার জন্য ৪০ হাজার টাকা দিয়ে দেশে আনি। দেশে এসে আমাকে মাইর পিট করে আরেক বিয়ে করে। প্রতিদিন আমাকে মারপিট ও খারাপ আচরণ করায় আমি তাকে তালাক দেই। আমার বাবার দেওয়া সোয়া দুই কিয়ার জমি সে জোর পুর্বক ভাবে আমার বসত ভিটার মাটি কেটে গর্ত করছে। বাদা নিশেধ মানছে না আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।

আনছার আলী বলেন, আমি ঘর বানানোর জন্য মাটি কাটছি। এছাড়া মাটি আনার সুযোগ নাই।

মামলা পরিচালনা কারী দোয়ারাবাজার থানার এস আই সজিব দত্ত বলেন, আমি অনেক চেষ্টা করেও না পেরে মামলাটি আদালতে স্থানান্তর করেছি। এখন আদালতের নির্দেশের অপেক্ষায়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ