১২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথের শিক্ষার্থীকে টার্মিনালে নির্যাতন : সর্বস্ব লুঠ

  • Update Time : ১১:৩২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ অক্টোবর ২০১৮
  • / ১৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সর্বস্ব লুঠ করেও ক্লান্ত হয়নি। পরে দু’তলায় নিয়ে শারিরীক নির্যাতন করে। পেঠে, পিঠে লাতি, কাঠের টুকরা দিয়ে নির্যাতনের এক পর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে যায় শিক্ষার্থী। প্রায় ২০ মিনিট সময় চলা এমন নির্যাতন চালায় অপরিচিত ৫জনের সন্ত্রাস বাহিনী। (৬ সেপ্টেম্বর শনিবার) সন্ধ্যায় সিলেট শহরের টার্মিনাল (পুলেরমুখে) বিশ্বনাথ সরকারি ডিগ্রী কলেজের ২য় বর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী রেজোয়ান আহমদ মামুনের ওপর এমন ঘটনা ঘটে।
এমন ঘটনার বর্ণনা করতে গিয়ে কান্না জড়িত কন্ঠে রেজোয়ান আহমদ মামুন বলেন, বাবা এবং তার নিজের মোবাইল ফোনের কাভার লাগাতে গিয়েছিলেন সিলেট নগরের আল-করিম প্লাজায়। একটি দোকানে কাভার লাগিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পুলের মুখে এসে বাসে উঠার আগে এক অপরিচিত লোক তাকে দাঁড়াতে বলে। বেশ কিছু সময় ওই লোক মামুনকে আটকে রাখে এবং নাকে হাত লাগায়। নাকে হাত লাগানোর পরে শরীর দুর্বল হতে থাকে। এক পর্যায়ে তাকে একটি দু’তলায় নিয়ে নির্যাতন চালায়। শারিরীক নির্যাতনের পরে তাকে ওই দু’তলায় পালিয়ে যায়। এসময় তার কাছ থেকে প্রায় লাখ টাকা দামের দুটি মোবাইল ফোন ও নগদ ১৫০০টাকা নিয়ে যায়।
মামুন জানায়, দু’তলায় নির্যাতনের পর সে আর কিছু বলতে পারেনা। হঠাৎ তার জ্ঞান ফিরলে একটি সিঁড়ি দিয়ে বের হয়ে বিশ্বনাথে চলে আসে। বাসায় এসে পরিবারের সবাইকে বিষয়টি জানায়। খুঁয়ে যাওয়া দুটি মোবাইল ফোনের জন্য বিশ্বনাথ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছে বলেও সে জানায়।
রেজোয়ান আহমদ মামুন বিশ্বনাথ উপজেলা শহরের নতুনবাজারের বাসিন্দা ও নতুনবাজারস্থ শাহপরাণ স্টীল কর্পোরেশনের পরিচালক মো. বসির আহমদের কনিষ্ট পুত্র।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথের শিক্ষার্থীকে টার্মিনালে নির্যাতন : সর্বস্ব লুঠ

Update Time : ১১:৩২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ অক্টোবর ২০১৮

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সর্বস্ব লুঠ করেও ক্লান্ত হয়নি। পরে দু’তলায় নিয়ে শারিরীক নির্যাতন করে। পেঠে, পিঠে লাতি, কাঠের টুকরা দিয়ে নির্যাতনের এক পর্যায়ে অজ্ঞান হয়ে যায় শিক্ষার্থী। প্রায় ২০ মিনিট সময় চলা এমন নির্যাতন চালায় অপরিচিত ৫জনের সন্ত্রাস বাহিনী। (৬ সেপ্টেম্বর শনিবার) সন্ধ্যায় সিলেট শহরের টার্মিনাল (পুলেরমুখে) বিশ্বনাথ সরকারি ডিগ্রী কলেজের ২য় বর্ষের মেধাবী শিক্ষার্থী রেজোয়ান আহমদ মামুনের ওপর এমন ঘটনা ঘটে।
এমন ঘটনার বর্ণনা করতে গিয়ে কান্না জড়িত কন্ঠে রেজোয়ান আহমদ মামুন বলেন, বাবা এবং তার নিজের মোবাইল ফোনের কাভার লাগাতে গিয়েছিলেন সিলেট নগরের আল-করিম প্লাজায়। একটি দোকানে কাভার লাগিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পুলের মুখে এসে বাসে উঠার আগে এক অপরিচিত লোক তাকে দাঁড়াতে বলে। বেশ কিছু সময় ওই লোক মামুনকে আটকে রাখে এবং নাকে হাত লাগায়। নাকে হাত লাগানোর পরে শরীর দুর্বল হতে থাকে। এক পর্যায়ে তাকে একটি দু’তলায় নিয়ে নির্যাতন চালায়। শারিরীক নির্যাতনের পরে তাকে ওই দু’তলায় পালিয়ে যায়। এসময় তার কাছ থেকে প্রায় লাখ টাকা দামের দুটি মোবাইল ফোন ও নগদ ১৫০০টাকা নিয়ে যায়।
মামুন জানায়, দু’তলায় নির্যাতনের পর সে আর কিছু বলতে পারেনা। হঠাৎ তার জ্ঞান ফিরলে একটি সিঁড়ি দিয়ে বের হয়ে বিশ্বনাথে চলে আসে। বাসায় এসে পরিবারের সবাইকে বিষয়টি জানায়। খুঁয়ে যাওয়া দুটি মোবাইল ফোনের জন্য বিশ্বনাথ থানায় সাধারণ ডায়েরী করেছে বলেও সে জানায়।
রেজোয়ান আহমদ মামুন বিশ্বনাথ উপজেলা শহরের নতুনবাজারের বাসিন্দা ও নতুনবাজারস্থ শাহপরাণ স্টীল কর্পোরেশনের পরিচালক মো. বসির আহমদের কনিষ্ট পুত্র।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ