১১:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে চারদিন ধরে অনশনে তরুণী

  • Update Time : ০৪:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ২০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৩ নং বাহাড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে চার দিন ধরে অনশন করছেন এক স্কুলছাত্রী। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সরেজমিনে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, রফিকুল ইসলাম রকিবের বাড়ির বারান্দায় বসে আছেন ওই তরুণী। সাংবাদিকদের কাছে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ওই তরুণী অভিযোগ করে বলেন, ‘রকিবের সঙ্গে আমার প্রায় তিন বছর ধরে সম্পর্ক। এ সময়ে আমাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক হয়েছে। পরে আমাকে বিয়ের কথা বলে বাড়িতে নিয়ে আসে। কিন্তু পরবর্তীতে আমাকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এরপর রকিবের বড় ভাই শহিদুলসহ পরিবারের লোকজন আমাকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা দিয়ে চলে যান। আমি চার দিন ধরে এখানে অবস্থান করছি। আমাকে বিয়ে না করলে আমি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হব।’ এ বিষয়ে রকিবের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। রকিবের বড় ভাই শহিদুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র। আমাদের ফাঁসানোর জন্যই এমনটা করা হচ্ছে। আমার ভাই যদি অপরাধী হয়, তাহলে সে থানায় মামলা করুক। অনশন করবে কেন?’ স্থানীয় মুরব্বি ও বিএনপি নেতা শিশু মিয়া বলেন, ‘মেয়েটি চার দিন ধরে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে এখানে বসে আছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা স্থানীয়ভাবে অনেক চেষ্টা করেছি। সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলেও ছেলেপক্ষ তা মানছে না।’ এ ব্যাপারে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল বলেন, ‘আমি বিষয়টি অবগত ছিলাম না। এখনই পুলিশ পাঠাচ্ছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে চারদিন ধরে অনশনে তরুণী

Update Time : ০৪:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার ৩ নং বাহাড়া ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে চার দিন ধরে অনশন করছেন এক স্কুলছাত্রী। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সরেজমিনে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, রফিকুল ইসলাম রকিবের বাড়ির বারান্দায় বসে আছেন ওই তরুণী। সাংবাদিকদের কাছে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ওই তরুণী অভিযোগ করে বলেন, ‘রকিবের সঙ্গে আমার প্রায় তিন বছর ধরে সম্পর্ক। এ সময়ে আমাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক হয়েছে। পরে আমাকে বিয়ের কথা বলে বাড়িতে নিয়ে আসে। কিন্তু পরবর্তীতে আমাকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এরপর রকিবের বড় ভাই শহিদুলসহ পরিবারের লোকজন আমাকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে ঘরে তালা দিয়ে চলে যান। আমি চার দিন ধরে এখানে অবস্থান করছি। আমাকে বিয়ে না করলে আমি আত্মহত্যা করতে বাধ্য হব।’ এ বিষয়ে রকিবের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। রকিবের বড় ভাই শহিদুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র। আমাদের ফাঁসানোর জন্যই এমনটা করা হচ্ছে। আমার ভাই যদি অপরাধী হয়, তাহলে সে থানায় মামলা করুক। অনশন করবে কেন?’ স্থানীয় মুরব্বি ও বিএনপি নেতা শিশু মিয়া বলেন, ‘মেয়েটি চার দিন ধরে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে এখানে বসে আছে। বিষয়টি সমাধানের জন্য আমরা স্থানীয়ভাবে অনেক চেষ্টা করেছি। সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হলেও ছেলেপক্ষ তা মানছে না।’ এ ব্যাপারে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল বলেন, ‘আমি বিষয়টি অবগত ছিলাম না। এখনই পুলিশ পাঠাচ্ছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ