১০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্টুডেন্ট ভিসা: সিলেটে শিক্ষার্থীরা দুশ্চিন্তায়, ঝুঁকছেন হুন্ডিতে

  • Update Time : ০১:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেট থেকে গেল এক বছরে অন্তত ১০ হাজার শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য গিয়েছেন আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। আগামী জানুয়ারি ও মে সেশনে ভর্তির জন্য বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে আবেদন করেছেন আরও কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। কিন্তু ব্যাংকে ডলার সংকটের কারণে ‘টিউশন ফি’ পরিশোধ করতে গিয়ে মারাত্মক বিপাকে পড়েছেন তারা। যারা ইতোমধ্যে ৬ মাসের টিউশন ফি দিয়ে বিদেশ চলে গেছেন তারা নতুন সেশনের ফি দিতে পারছেন না। আর নতুন আবেদনকারীদের অফার লেটার আসলেও টিউশন ফি পরিশোধ করতে না পারায় ‘কনফারমেশন অব এক্সেপটেন্স ফর স্টাডি লেটার’ (কাস লেটার) আসছে না তাদের। এতে সেমিস্টার ড্রপের শিকার হচ্ছেন তারা। ব্যাংকের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করতে না পেরে অনেক শিক্ষার্থী ছুটছেন হুন্ডি ব্যবসায়ীদের কাছে। হুন্ডির মাধ্যমে তারা ইউনিভার্সিটির টিউশন ফি জমা দিচ্ছেন। সিলেটের কয়েকটি ব্যাংক, স্টুডেন্ট ভিসা কনসালটেন্সি ফার্ম ও বিদেশগমেনচ্ছু শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের আমান উদ্দিন নামের এক শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথ ইউনিভার্সিটিতে গ্র্যাজুয়েশন কোর্সের জন্য ভর্তির আবেদন করেছিলেন। গত সপ্তাহে তার অফার লেটার এসেছে। এবার টিউশন ফি জমা দিলে ইউনিভার্সিটি ‘কাস লেটার’ পাঠালে ভিসার জন্য আবেদন করবেন। কিন্তু টিউশন ফি পাঠানোর জন্য ব্যাংকে গিয়ে তার মাথায় হাত পড়ে। কয়েকটি ব্যাংক ঘুরে একই উত্তর মিলে ‘ডলার সংকটের কারণে স্টুডেন্ট ফাইল খোলা বন্ধ’। অর্থাৎ ব্যাংকের মাধ্যমে টিউশন ফি পরিশোধ সম্ভব নয়। সূত্র জানিয়েছে, ব্যাংকে ডলার সংকটের কারণে সুযোগ নিচ্ছেন হুন্ডি ব্যবসায়ীরাও। টিউশন ফি পরিশোধের জন্য তারা ডলারের মূল্য বাজার দরের চেয়ে অনেক বেশি রাখছেন। সূত্র আরও জানায়, হুন্ডি ব্যবসায়ীরা সিলেটে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি’র সমপরিমাণ টাকা নিয়ে বার্তা পাঠান যুক্তরাজ্যস্থ তাদের এজেন্টদের কাছে। পরে সেই এজেন্টের কাছ থেকে ডলার সংগ্রহ করেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী। অনেক সময় হুন্ডি ব্যবসায়ীর এজেন্ট নিজে ইউনিভার্সিটির ফি পরিশোধ করে দেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

স্টুডেন্ট ভিসা: সিলেটে শিক্ষার্থীরা দুশ্চিন্তায়, ঝুঁকছেন হুন্ডিতে

Update Time : ০১:৫৬:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ নভেম্বর ২০২২

ডেস্ক রিপোর্ট :: সিলেট থেকে গেল এক বছরে অন্তত ১০ হাজার শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য গিয়েছেন আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে। আগামী জানুয়ারি ও মে সেশনে ভর্তির জন্য বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে আবেদন করেছেন আরও কয়েক হাজার শিক্ষার্থী। কিন্তু ব্যাংকে ডলার সংকটের কারণে ‘টিউশন ফি’ পরিশোধ করতে গিয়ে মারাত্মক বিপাকে পড়েছেন তারা। যারা ইতোমধ্যে ৬ মাসের টিউশন ফি দিয়ে বিদেশ চলে গেছেন তারা নতুন সেশনের ফি দিতে পারছেন না। আর নতুন আবেদনকারীদের অফার লেটার আসলেও টিউশন ফি পরিশোধ করতে না পারায় ‘কনফারমেশন অব এক্সেপটেন্স ফর স্টাডি লেটার’ (কাস লেটার) আসছে না তাদের। এতে সেমিস্টার ড্রপের শিকার হচ্ছেন তারা। ব্যাংকের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করতে না পেরে অনেক শিক্ষার্থী ছুটছেন হুন্ডি ব্যবসায়ীদের কাছে। হুন্ডির মাধ্যমে তারা ইউনিভার্সিটির টিউশন ফি জমা দিচ্ছেন। সিলেটের কয়েকটি ব্যাংক, স্টুডেন্ট ভিসা কনসালটেন্সি ফার্ম ও বিদেশগমেনচ্ছু শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের আমান উদ্দিন নামের এক শিক্ষার্থী যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথ ইউনিভার্সিটিতে গ্র্যাজুয়েশন কোর্সের জন্য ভর্তির আবেদন করেছিলেন। গত সপ্তাহে তার অফার লেটার এসেছে। এবার টিউশন ফি জমা দিলে ইউনিভার্সিটি ‘কাস লেটার’ পাঠালে ভিসার জন্য আবেদন করবেন। কিন্তু টিউশন ফি পাঠানোর জন্য ব্যাংকে গিয়ে তার মাথায় হাত পড়ে। কয়েকটি ব্যাংক ঘুরে একই উত্তর মিলে ‘ডলার সংকটের কারণে স্টুডেন্ট ফাইল খোলা বন্ধ’। অর্থাৎ ব্যাংকের মাধ্যমে টিউশন ফি পরিশোধ সম্ভব নয়। সূত্র জানিয়েছে, ব্যাংকে ডলার সংকটের কারণে সুযোগ নিচ্ছেন হুন্ডি ব্যবসায়ীরাও। টিউশন ফি পরিশোধের জন্য তারা ডলারের মূল্য বাজার দরের চেয়ে অনেক বেশি রাখছেন। সূত্র আরও জানায়, হুন্ডি ব্যবসায়ীরা সিলেটে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টিউশন ফি’র সমপরিমাণ টাকা নিয়ে বার্তা পাঠান যুক্তরাজ্যস্থ তাদের এজেন্টদের কাছে। পরে সেই এজেন্টের কাছ থেকে ডলার সংগ্রহ করেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী। অনেক সময় হুন্ডি ব্যবসায়ীর এজেন্ট নিজে ইউনিভার্সিটির ফি পরিশোধ করে দেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ