০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বসেরা দলের নাম আবারও জানিয়ে দিল জার্মানি

  • Update Time : ০৩:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ জুলাই ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: ছোট্ট একটু ভুল। ক্ষণিকের একটু অসতর্কতা। ব্যস, এটাই পার্থক্য গড়ে দিল আজ। মার্সেলো ডিয়াজের দুঃস্বপ্নের এক মূহূর্তের সর্বোচ্চ সুযোগ নিয়ে প্রথমবারের মতো কনফেডারেশন কাপ জিতে নিল জার্মানি। সেন্ট পিটার্সবার্গে টানটান উত্তেজনার এক ম্যাচে দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়ন চিলিকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে জার্মানি।

 

 

জার্মানি বলা ঠিক হচ্ছে কিনা সেটা অবশ্য ভেবে দেখা দরকার। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সেরে নিতে দলের তরুণদের একটু বাজিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন কোচ জোয়াকিম লো। তাই তরুণতম এক দল নিয়ে হাজির হয়েছিলেন রাশিয়ায়। যে দলকে জার্মানির ‘বি’ বলতেও নারাজ অনেকেই। কদিন আগেই শেষ হওয়া অনূর্ধ্ব-২১ দলে নাম থাকা অনেকেরই তাই জায়গা হয়েছে এবারের কনফেডারেশনস কাপে।

 

 

তবে ফাইনালের জয় এনে দেওয়া গোলটি তাদের কারও নয়। ম্যাচের ২০ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেওয়া ও শেষ পর্যন্ত শিরোপা নির্ধারনী গোলটি লার্স স্টিন্ডলের। ২৮ বছর বয়সে অভিষেক হওয়ার এক মাসের মাথায় দেশকে একটি শিরোপা এনে দিলেন মনশেনগ্লেদবাখ স্ট্রাইকার। জীবনের সেরা দুটি সপ্তাহই কাটালেন স্টিন্ডল।

 

 

এ গোলের জন্য পুরো কৃতিত্ব অবশ্য টিমো বার্নারের। ১৯ মিনিটে প্রায় নিশ্চিত একটি গোলের সুযগ হাতছাড়া করলেন অ্যালেক্সিজ সানচেজ। পাল্টা আক্রমণে উঠল জার্মানি। তবে আক্রমণ পরিপূর্ণতা পাওয়ার আগেই বল চিলির পায়ে। ডিয়াজের পায়ে বল দেখে একটু এগোনোর চেষ্টা করলেন স্টিন্ডল, সেখান থেকে নিরাপদে সরে যেতে বলে টোকা দিলেন ডিয়াজ। একটু বেশি জোরেই দিয়েছিলেন সে টোকা। চিতার ক্ষিপ্রতায় সে বল কেড়ে নিলেন বার্নার। ক্লদিও ব্রাভোকে নিজের দিকে টেনে নিয়ে শেষ মুহূর্তে বল দিলেন স্টিন্ডলকে। ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা সতীর্থকে বল দিয়েই গোল উদ্‌যাপন করতে চলে গেলেন বার্নার। স্টিন্ডলের ধারে কাছে যে কেউ নেই! স্টিন্ডলকে দেখেও মনে হলো পৃথিবীর সব ঘড়ি কিছুক্ষণের জন্য যেন থেমে গেছে। অলস আয়েশে বল পাঠালেন জালে। ১-০!

 

 

অথচ খেলার শুরু থেকেই ম্যাচে ছিল একটি দল, চিলি। একের পর এক আক্রমণে জার্মানদের কাঁপিয়ে দিয়েছে তারা। তবু জার্মান দূর্গ ভেঙে পড়েনি। ধারাভাষ্যকারই সবচেয়ে চমৎকার ভাষায় বললেন, ‘কারণ, ওরা জার্মান!’ গোল খাওয়ার পরো একের পর এক আক্রমণ করে গেছে চিলি। প্রতি আক্রমণে উঠে ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়ার ভয়ও দেখিয়েছে জার্মানি।

 

 

দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দলই চেষ্টা করেছে গোল করার। অ্যালেক্সিজ সানচেজ, আর্তুরো ভিদালরাও শেষ বিন্দু দিয়ে লড়েছেন চিলির সোনালি প্রজন্মের হয়ে আরেকটি শিরোপা জেতার। ফাইনালের ম্যাচ সেরা জার্মান গোলরক্ষক মার্ক টের স্টেগেন, এতেই তো বোঝা যায় এ ম্যাচে এগিয়ে ছিল কারা। কিন্তু কিছুতেই কিছু হয়নি। শেষ পর্যন্ত এক মুহূর্তের একটি ছোট্ট টোকায় নির্ধারণ করে দিল একটি শিরোপার গল্প।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বসেরা দলের নাম আবারও জানিয়ে দিল জার্মানি

Update Time : ০৩:২৪:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ জুলাই ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: ছোট্ট একটু ভুল। ক্ষণিকের একটু অসতর্কতা। ব্যস, এটাই পার্থক্য গড়ে দিল আজ। মার্সেলো ডিয়াজের দুঃস্বপ্নের এক মূহূর্তের সর্বোচ্চ সুযোগ নিয়ে প্রথমবারের মতো কনফেডারেশন কাপ জিতে নিল জার্মানি। সেন্ট পিটার্সবার্গে টানটান উত্তেজনার এক ম্যাচে দক্ষিণ আমেরিকান চ্যাম্পিয়ন চিলিকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে জার্মানি।

 

 

জার্মানি বলা ঠিক হচ্ছে কিনা সেটা অবশ্য ভেবে দেখা দরকার। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সেরে নিতে দলের তরুণদের একটু বাজিয়ে দেখতে চেয়েছিলেন কোচ জোয়াকিম লো। তাই তরুণতম এক দল নিয়ে হাজির হয়েছিলেন রাশিয়ায়। যে দলকে জার্মানির ‘বি’ বলতেও নারাজ অনেকেই। কদিন আগেই শেষ হওয়া অনূর্ধ্ব-২১ দলে নাম থাকা অনেকেরই তাই জায়গা হয়েছে এবারের কনফেডারেশনস কাপে।

 

 

তবে ফাইনালের জয় এনে দেওয়া গোলটি তাদের কারও নয়। ম্যাচের ২০ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেওয়া ও শেষ পর্যন্ত শিরোপা নির্ধারনী গোলটি লার্স স্টিন্ডলের। ২৮ বছর বয়সে অভিষেক হওয়ার এক মাসের মাথায় দেশকে একটি শিরোপা এনে দিলেন মনশেনগ্লেদবাখ স্ট্রাইকার। জীবনের সেরা দুটি সপ্তাহই কাটালেন স্টিন্ডল।

 

 

এ গোলের জন্য পুরো কৃতিত্ব অবশ্য টিমো বার্নারের। ১৯ মিনিটে প্রায় নিশ্চিত একটি গোলের সুযগ হাতছাড়া করলেন অ্যালেক্সিজ সানচেজ। পাল্টা আক্রমণে উঠল জার্মানি। তবে আক্রমণ পরিপূর্ণতা পাওয়ার আগেই বল চিলির পায়ে। ডিয়াজের পায়ে বল দেখে একটু এগোনোর চেষ্টা করলেন স্টিন্ডল, সেখান থেকে নিরাপদে সরে যেতে বলে টোকা দিলেন ডিয়াজ। একটু বেশি জোরেই দিয়েছিলেন সে টোকা। চিতার ক্ষিপ্রতায় সে বল কেড়ে নিলেন বার্নার। ক্লদিও ব্রাভোকে নিজের দিকে টেনে নিয়ে শেষ মুহূর্তে বল দিলেন স্টিন্ডলকে। ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা সতীর্থকে বল দিয়েই গোল উদ্‌যাপন করতে চলে গেলেন বার্নার। স্টিন্ডলের ধারে কাছে যে কেউ নেই! স্টিন্ডলকে দেখেও মনে হলো পৃথিবীর সব ঘড়ি কিছুক্ষণের জন্য যেন থেমে গেছে। অলস আয়েশে বল পাঠালেন জালে। ১-০!

 

 

অথচ খেলার শুরু থেকেই ম্যাচে ছিল একটি দল, চিলি। একের পর এক আক্রমণে জার্মানদের কাঁপিয়ে দিয়েছে তারা। তবু জার্মান দূর্গ ভেঙে পড়েনি। ধারাভাষ্যকারই সবচেয়ে চমৎকার ভাষায় বললেন, ‘কারণ, ওরা জার্মান!’ গোল খাওয়ার পরো একের পর এক আক্রমণ করে গেছে চিলি। প্রতি আক্রমণে উঠে ব্যবধান বাড়িয়ে নেওয়ার ভয়ও দেখিয়েছে জার্মানি।

 

 

দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দলই চেষ্টা করেছে গোল করার। অ্যালেক্সিজ সানচেজ, আর্তুরো ভিদালরাও শেষ বিন্দু দিয়ে লড়েছেন চিলির সোনালি প্রজন্মের হয়ে আরেকটি শিরোপা জেতার। ফাইনালের ম্যাচ সেরা জার্মান গোলরক্ষক মার্ক টের স্টেগেন, এতেই তো বোঝা যায় এ ম্যাচে এগিয়ে ছিল কারা। কিন্তু কিছুতেই কিছু হয়নি। শেষ পর্যন্ত এক মুহূর্তের একটি ছোট্ট টোকায় নির্ধারণ করে দিল একটি শিরোপার গল্প।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ