০১:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভিলিয়ার্সের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে মুম্বাইকে হারাল আরসিবি

  • Update Time : ০৩:৪৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

স্পোর্টস ডেস্ক :: চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচের শুরুটা ভালোই করেছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। অধিনায়ক রোহিত শর্মার দুঃখজনক রানআউটের পরও দুর্দান্ত খেলে যাচ্ছিলেন ক্রিস লিন ও সূর্যকুমার যাদব। এক সময় ধারণা করা হচ্ছিল রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর সামনে ২০০ বা এর কাছাকাছি লক্ষ্য রাখতে পারবে মুম্বাই। কিন্তু তা আর হলো কই। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে দল কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছুতে পারেনি। শেষ ওভারে মাত্র ১ রান তুলতে হারায় ৪ উইকেট রোহিতের দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। আর শেষ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬০ রানের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় কোহলির আরসিবি।

এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর কারিগড় বুড়ো এবি ডি ভিলিয়ার্স। উদ্বোধনী ম্যাচেই ভিলিয়ার্স ঝড় উপভোগ করল আইপিএলপ্রেমীরা। রানআউট হওয়ার আগে মাত্র ২৭ বলে ৪৮ রান করেন এই প্রোটিয়া তারকা ব্যাটসম্যান। যেখানে ৪টি বাউন্ডারি ও দুটি ছক্কার মার ছিল। ভিলিয়ার্স ছাড়াও দুর্দান্ত খেলেছেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও গত আসরের সুপার ফ্লপ গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৪ বাউন্ডারির মারে ২৯ বলে ৩৩ রান করেন কোহলি। পেসার জাসপ্রিত বুমরাহর বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ম্যাক্সওয়েল করেছেন ২৮ বলে ৩৩ রান। দুটি দর্শণীয় ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি।।আরসিবির আর কোনো ব্যাটসম্যান চোখে পড়ার মতো ইনিংস খেলতে পারেননি। ১৪তম ওভার শেষে আরসিবির রান ছিল মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রান। অর্থাৎ জয় পেতে প্রয়োজন ৫৭ রান, হাতে ৭ উইকেট। এমন পরিস্থিতিতে জ্বলে ওঠে মুম্বাইয়ের বোলাররা। দ্রুত তুলে নেয় ৩টি উইকেট। জোড়া শিকার করেন ম্যাক্রো জানসেন। ম্যাক্সওয়েলের পর শাহবাজকের ফেরান এক রানে।

 

১২২ রানের মধ্যে ৬ উইকেট পড়ে যায় আরসিবির। শেষ তিন ওভারে দরকার ৩৪ রান। ডি ভিলিয়ার্সকে সঙ্গ দেয়ার মতো তখন স্বীকৃত ব্যাটসম্যান কেউই নেই।

জয়ের পাল্লা যেন মুম্বাইয়ের পক্ষে। কিন্তু দ্রুত গতিতে রান তুলে রোহিতের হাসি কেড়ে নেন ভিলিয়ার্স। পরিসংখ্যান পাল্টে দেন।

১৯তম ওভারে কাইল জেমিসনকে রানআউট করেন বুমরাহ। দলের স্কোর তখন ৭ উইকেটে ১৫৩ রান।

অর্থাৎ শেষ ওভারে প্রয়োজন পড়ে ৬ রানের।

জানসেনের হাতে বল তুলে দেন রোহিত। ওভারের ৪র্থ বলে হার্দিক পাণ্ডিয়ার নৈপুণ্যে ভিলিয়ার্স অর্ধশতক থেকে মাত্র ২ রান দূরে থাকতে রানআউট হলে উত্তেজনা বাড়ে।

শেষ দুই বলে দরকার ২ রান। বাইরান দেন জানসেন। জানসেনের শেষ বলটি ছিল ইয়র্কর। ডেলিভারিটি শর্ট ফাইন লেগে ঠেলে হার্শাল দ্রুত এক রান নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন হার্সেল প্যাটেল।

ফলে ২ উইকেটে জয় পেল কোহলির রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ১৫ বলে ১৯ রানে ফেরেন তিনি। তার বিদায়ের পর সূর্য কুমার যাদবকে সঙ্গে নিয়ে ৭০ রানের জুটি গড়েন অন্য ওপেনার ক্রিস লিন।

এরপর ৫১ রানের ব্যবধানে মুম্বাই হারায় ৪ উইকেট। ১১তম ওভারে দলীয় ৯৪ রানে ফেরেন লিন। তার আগে ৩৫ বলে করেন দলীয় সর্বোচ্চ ৪৯ রান।  ৩১, ২৮ ও ১৩ রান করে ফেরেন সূর্য কুমার যাদব, ইশান কিশান ও হার্দিক পান্ডিয়া। ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করতে সক্ষম হয় মুম্বাই। বেঙ্গালুরুর হয়ে ৪ ওভারে ২৭ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন হার্সেল প্যাটেল।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ভিলিয়ার্সের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে মুম্বাইকে হারাল আরসিবি

Update Time : ০৩:৪৭:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১

স্পোর্টস ডেস্ক :: চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরাম স্টেডিয়ামে আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচের শুরুটা ভালোই করেছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। অধিনায়ক রোহিত শর্মার দুঃখজনক রানআউটের পরও দুর্দান্ত খেলে যাচ্ছিলেন ক্রিস লিন ও সূর্যকুমার যাদব। এক সময় ধারণা করা হচ্ছিল রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর সামনে ২০০ বা এর কাছাকাছি লক্ষ্য রাখতে পারবে মুম্বাই। কিন্তু তা আর হলো কই। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে দল কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছুতে পারেনি। শেষ ওভারে মাত্র ১ রান তুলতে হারায় ৪ উইকেট রোহিতের দল। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। আর শেষ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৬০ রানের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় কোহলির আরসিবি।

এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর কারিগড় বুড়ো এবি ডি ভিলিয়ার্স। উদ্বোধনী ম্যাচেই ভিলিয়ার্স ঝড় উপভোগ করল আইপিএলপ্রেমীরা। রানআউট হওয়ার আগে মাত্র ২৭ বলে ৪৮ রান করেন এই প্রোটিয়া তারকা ব্যাটসম্যান। যেখানে ৪টি বাউন্ডারি ও দুটি ছক্কার মার ছিল। ভিলিয়ার্স ছাড়াও দুর্দান্ত খেলেছেন অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও গত আসরের সুপার ফ্লপ গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৪ বাউন্ডারির মারে ২৯ বলে ৩৩ রান করেন কোহলি। পেসার জাসপ্রিত বুমরাহর বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ম্যাক্সওয়েল করেছেন ২৮ বলে ৩৩ রান। দুটি দর্শণীয় ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি।।আরসিবির আর কোনো ব্যাটসম্যান চোখে পড়ার মতো ইনিংস খেলতে পারেননি। ১৪তম ওভার শেষে আরসিবির রান ছিল মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে ১০৩ রান। অর্থাৎ জয় পেতে প্রয়োজন ৫৭ রান, হাতে ৭ উইকেট। এমন পরিস্থিতিতে জ্বলে ওঠে মুম্বাইয়ের বোলাররা। দ্রুত তুলে নেয় ৩টি উইকেট। জোড়া শিকার করেন ম্যাক্রো জানসেন। ম্যাক্সওয়েলের পর শাহবাজকের ফেরান এক রানে।

 

১২২ রানের মধ্যে ৬ উইকেট পড়ে যায় আরসিবির। শেষ তিন ওভারে দরকার ৩৪ রান। ডি ভিলিয়ার্সকে সঙ্গ দেয়ার মতো তখন স্বীকৃত ব্যাটসম্যান কেউই নেই।

জয়ের পাল্লা যেন মুম্বাইয়ের পক্ষে। কিন্তু দ্রুত গতিতে রান তুলে রোহিতের হাসি কেড়ে নেন ভিলিয়ার্স। পরিসংখ্যান পাল্টে দেন।

১৯তম ওভারে কাইল জেমিসনকে রানআউট করেন বুমরাহ। দলের স্কোর তখন ৭ উইকেটে ১৫৩ রান।

অর্থাৎ শেষ ওভারে প্রয়োজন পড়ে ৬ রানের।

জানসেনের হাতে বল তুলে দেন রোহিত। ওভারের ৪র্থ বলে হার্দিক পাণ্ডিয়ার নৈপুণ্যে ভিলিয়ার্স অর্ধশতক থেকে মাত্র ২ রান দূরে থাকতে রানআউট হলে উত্তেজনা বাড়ে।

শেষ দুই বলে দরকার ২ রান। বাইরান দেন জানসেন। জানসেনের শেষ বলটি ছিল ইয়র্কর। ডেলিভারিটি শর্ট ফাইন লেগে ঠেলে হার্শাল দ্রুত এক রান নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন হার্সেল প্যাটেল।

ফলে ২ উইকেটে জয় পেল কোহলির রয়াল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ১৫ বলে ১৯ রানে ফেরেন তিনি। তার বিদায়ের পর সূর্য কুমার যাদবকে সঙ্গে নিয়ে ৭০ রানের জুটি গড়েন অন্য ওপেনার ক্রিস লিন।

এরপর ৫১ রানের ব্যবধানে মুম্বাই হারায় ৪ উইকেট। ১১তম ওভারে দলীয় ৯৪ রানে ফেরেন লিন। তার আগে ৩৫ বলে করেন দলীয় সর্বোচ্চ ৪৯ রান।  ৩১, ২৮ ও ১৩ রান করে ফেরেন সূর্য কুমার যাদব, ইশান কিশান ও হার্দিক পান্ডিয়া। ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান করতে সক্ষম হয় মুম্বাই। বেঙ্গালুরুর হয়ে ৪ ওভারে ২৭ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন হার্সেল প্যাটেল।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ