০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাগলা মসজিদের দানের বাক্স থেকে ১ কোটি ১৩ লাখ ৩৩ হাজার টাকা পাওয়া গেছে

  • Update Time : ০৪:৩৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জানুয়ারি ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: পাগলা মসজিদের দানের বাক্স থেকে এবার ১ কোটি ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭৩ টাকা পাওয়া গেছে। শনিবার বিকেলে গণনা শেষে এই পরিমাণ টাকার হিসাব পাওয়া যায়। দান হিসেবে এই নগদ টাকা ছাড়াও বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা ও বেশ কিছু স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে। এর আগে গত বছরের ১৩ অক্টোবর দান সিন্দুক খোলার পর ১ কোটি ১৩ লাখ ৯৬ হাজার ৬৮৫ টাকা পাওয়া যায়। এরপর আজ শনিবার সিন্দুক খোলা হলো। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, শনিবার সকালে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানের সিন্দুক জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে খোলা হয়। দান সিন্দুক থেকে টাকা খুলে প্রথমে বস্তায় ভরা হয়। এরপর শুরু হয় দিনব্যাপী টাকা গণনা। টাকা গণনায় মসজিদ-মাদ্রাসার ৬০ জন ছাত্র-শিক্ষক ছাড়াও রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

 

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের তত্ত্বাবধানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজির হোসেন, মো. শরীফুল আলম ও সাগুফতা হক টাকা গণনার কাজ তদারকি করেন। এ সময় সিন্দুক খোলা কমিটির সদস্যরা ছাড়াও প্রশাসনের কর্মকর্তা, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যরা ও সার্বক্ষণিক দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ পাগলা মসজিদে নগদ টাকা-পয়সা ছাড়াও স্বর্ণালংকার, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা অসংখ্য মানুষ এখানে দান করে থাকেন।

 

জেলা শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে এ মসজিদটির অবস্থান। দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত মসজিদটিকে পাগলা মসজিদ ইসলামি কমপ্লেক্স নামকরণ করা হয়েছে। এ মসজিদের আয় দিয়ে কমপ্লেক্সের বিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া মসজিদের আয় থেকে বিভিন্ন সেবামূলক খাতসহ জটিল রোগীদের চিকিৎসায় অর্থসাহায্য দেওয়া হয়।

 

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মো. আক্তার জামীল বলেন, পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক খুলে পাওয়া টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে জমা করা হয়েছে। সুত্র: প্রথম অালো

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

পাগলা মসজিদের দানের বাক্স থেকে ১ কোটি ১৩ লাখ ৩৩ হাজার টাকা পাওয়া গেছে

Update Time : ০৪:৩৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ জানুয়ারি ২০১৯

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: পাগলা মসজিদের দানের বাক্স থেকে এবার ১ কোটি ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭৩ টাকা পাওয়া গেছে। শনিবার বিকেলে গণনা শেষে এই পরিমাণ টাকার হিসাব পাওয়া যায়। দান হিসেবে এই নগদ টাকা ছাড়াও বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রা ও বেশ কিছু স্বর্ণালংকার পাওয়া গেছে। এর আগে গত বছরের ১৩ অক্টোবর দান সিন্দুক খোলার পর ১ কোটি ১৩ লাখ ৯৬ হাজার ৬৮৫ টাকা পাওয়া যায়। এরপর আজ শনিবার সিন্দুক খোলা হলো। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, শনিবার সকালে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানের সিন্দুক জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে খোলা হয়। দান সিন্দুক থেকে টাকা খুলে প্রথমে বস্তায় ভরা হয়। এরপর শুরু হয় দিনব্যাপী টাকা গণনা। টাকা গণনায় মসজিদ-মাদ্রাসার ৬০ জন ছাত্র-শিক্ষক ছাড়াও রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

 

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের তত্ত্বাবধানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. নাজির হোসেন, মো. শরীফুল আলম ও সাগুফতা হক টাকা গণনার কাজ তদারকি করেন। এ সময় সিন্দুক খোলা কমিটির সদস্যরা ছাড়াও প্রশাসনের কর্মকর্তা, মসজিদ পরিচালনা কমিটির সদস্যরা ও সার্বক্ষণিক দায়িত্বরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রতিদিনই অসংখ্য মানুষ পাগলা মসজিদে নগদ টাকা-পয়সা ছাড়াও স্বর্ণালংকার, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা অসংখ্য মানুষ এখানে দান করে থাকেন।

 

জেলা শহরের নরসুন্দা নদীর তীরে এ মসজিদটির অবস্থান। দেশের অন্যতম আয়কারী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃত মসজিদটিকে পাগলা মসজিদ ইসলামি কমপ্লেক্স নামকরণ করা হয়েছে। এ মসজিদের আয় দিয়ে কমপ্লেক্সের বিশাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ছাড়া মসজিদের আয় থেকে বিভিন্ন সেবামূলক খাতসহ জটিল রোগীদের চিকিৎসায় অর্থসাহায্য দেওয়া হয়।

 

কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তরফদার মো. আক্তার জামীল বলেন, পাগলা মসজিদের দান সিন্দুক খুলে পাওয়া টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে জমা করা হয়েছে। সুত্র: প্রথম অালো

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ