০৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাত‌কে ২৬টি বিদ্যালয়ে ৫৬জন চদা প্রধান শিক্ষকের ঘটনায় লেখা পড়া মারাত্নক বি‌ঘ্নিত হ‌চ্ছে

  • Update Time : ০২:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্র‌তি‌নি‌ধি :: সুনামগঞ্জের ছাত‌কে ২৬ টি প্রাথমিক স্কু‌লে দুইজন ক‌রে ৫২জন প্রধান শিক্ষকের পদ নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে। বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক) থাকা সত্তেও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রধান শিক্ষকের পদ শুন্য দেখিয়ে প্রস্তার দেয়ায় ‌জেলা শিক্ষা অ‌ফিসার এ প্রস্তা‌বের উপর আ‌দেশ ক‌রেন ২৬ জন পদায়ন চদা প্রধান শিক্ষককে যোগদান করানোর ফলে বিষয়টি নিয়ে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।
একই স্কু‌লে দুজন ক‌রে পদায়ন প্রধান শিক্ষকের ঘটনায় লেখা পড়া মারাত্নক ব্যাঘাত ঘট‌ছে এসব স্ক‌ু‌লে । হাই‌কো‌টে আ‌দেশ অমান্য ক‌রে ‌জেলা ও উপ‌জেলা দুই কমকতার ঘুষ দুনী‌তি স্বজনপ্রীত‌ি অনিয়‌মের ঘটনায় এসব বিদ্যাল‌য়ের লেখা পড়ার ব্যঘাত ঘট‌ছে ব‌লে বিদ্যালয় প‌বিচালনা ক‌মি‌টির সভাপ‌তিরা এসব অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন ।
জানা গে‌ছে,গত ২০১৫ সা‌লে সুনামগঞ্জ জেলার দ‌ক্ষিন সুনামগ‌ঞ্জের না‌জিমপুর সরকা‌রি প্রাথ‌মিক বিদ্যাল‌য়ের প্রধান শিক্ষক রনধীর দাশ বাদী হ‌য়ে হাই‌কো‌টে আদাল‌তে এক‌টি রিট পি‌টিশন মামলা দা‌য়ের ক‌রে। (যার নং ১৮৩৩ ) এ আ‌দে‌শে ছাতকে ৩৭ টি বিদ্যাল‌য়ে প্রাথ‌মিক বিদ্যাল‌য়ে প্রধান শিক্ষক কাযত্রুম স্থ‌গিত করা হয়। স্থ‌গিতা‌দেশ অমান্য
এ স্থ‌গিতা‌দেশ বিদ্যালয় গু‌লো হ‌চ্ছেন ,বুড়াইর গাও ২ ,‌নোয়াগাও আব্দুল জব্বার২ ,‌খিদ্রাকাপন ২,খাসগাও২,পাইগাও২,দ‌ক্ষিন কু‌শি২ পূর্বপাড়া২,,চানপুর২ ,মামদপুর২ সু‌লেমানপুর,২ কচুবা‌ড়ি২ আনন্দ নগর২ ,‌নোয়াপাড়া২ ,‌মোহন পুর ২ ,দ‌ক্ষিন কু‌শি২ ,হাদাচানপুর২,নানচি‌রি‌মিত্র গ্রাম২ ,দ‌ক্ষিন বড় কাপন,২ শেওতর চর২, হাতধালানী,২ চর‌চৌরা২,খাড়াই২,একতা২, মৈশাপুর২ ,
মা‌য়ের কুল ২ সহ ২৬ টি বিদ্যাল‌য়ে পদায়ন শিক্ষক নি‌য়োগের আ‌দেশ ক‌রে জেলা ও উপ‌জেলা কর্মকতারা প‌ড়ে‌ছেন বিপা‌কে । এসব বিদ্যালয় থে‌কে পদায়ন প্রধান শিক্ষকদের প্রত্যাহার ক‌রে নি‌তে গত ১৭ জুলাই এক‌টি আ‌দেশ সুনামগঞ্জ শিক্ষা অ‌ফিসার কে যুন্ম স‌চিব শেখ জ‌সিম উ‌দ্দিন আহ‌ম্মেদ এর স্ব‌াক্ষ‌তি প্রাথ‌মিক শিক্ষা মন্ত্রালয় থে‌কে এ আ‌দেশ দেয়া হয় ।এ আ‌দেশ নি‌য়ে জেলা ও উপ‌জেলার দু’ কর্মকতা দুটানা প‌ড়ে‌ছে। দেড় মা‌সে ও শিক্ষা মন্ত্রাল‌য়ের আ‌দেশ মান‌ছে না দুই কর্মকতায়। এসব বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত ফান্ডে ভ্যাটের নামে প্রকাশ্যে শিক্ষা অফিসার মা‌নিক চন্দ্র দাশ প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে সোনালী ব্যাংকের চালান ছাড়াই অগ্রীম তিন হাজার দুই শত টাকা করে হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় উপজেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ টাকার হিসাব দি‌তে পার‌ছে না ব‌লে অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন শিক্ষক শি‌ক্ষিকরা।
এ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মা‌নিক চন্দ্র দাশ যোগদান করার পর প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্য নিয়ে কয়েক দফায় তিনি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাতে । উপজেলার ১২২টি সরকারি প্রাথমিক ও ৬১টি নব জাতীয়করন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মোট ১৮৩টি স্কুলের নামে সরকারি ৭৩ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য। প্রতি বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০ হাজার টাকা করে। এই ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ভ্যাটের নামে শিক্ষা অফিসার মা‌নিক চন্দ্র দাশ প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে সোনালী ব্যাংকের ভ্যাটের চালান ছাড়াই অগ্রীম ৩ হাজার দুই শত টাকা করে ১৮৩টি বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে ৫ লাখ ৮৫হাজার ছয় শত টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নিয়েছেন। হিসাব রক্ষন অ‌ফিস সু‌ত্রে জানায় মেরামত না‌মে ৪০হাজার টাকার ম‌ধ্যে আট শত ক‌রে কতন করা হয় । এক লাখ ৪৬হাজার ৪শত জমা হ‌লে ৪লাখ ৩৯হাজার ২শত টাকা শিক্ষা অ‌ফিসা‌রে প‌কে‌টে । এ ব্যাপা‌রে মা‌নিক চন্দ্র দাশের স‌ঙ্গে যোগা‌যোগ তার বিরু‌দ্ধে নানা ঘুষ কে‌লেংকা‌রি ঘটনার স‌ঠিক উত্তর দি‌তে পা‌রে‌নি তি‌নি ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাত‌কে ২৬টি বিদ্যালয়ে ৫৬জন চদা প্রধান শিক্ষকের ঘটনায় লেখা পড়া মারাত্নক বি‌ঘ্নিত হ‌চ্ছে

Update Time : ০২:০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ আগস্ট ২০১৮

ছাতক প্র‌তি‌নি‌ধি :: সুনামগঞ্জের ছাত‌কে ২৬ টি প্রাথমিক স্কু‌লে দুইজন ক‌রে ৫২জন প্রধান শিক্ষকের পদ নিয়ে টানাটানি শুরু হয়েছে। বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক) থাকা সত্তেও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রধান শিক্ষকের পদ শুন্য দেখিয়ে প্রস্তার দেয়ায় ‌জেলা শিক্ষা অ‌ফিসার এ প্রস্তা‌বের উপর আ‌দেশ ক‌রেন ২৬ জন পদায়ন চদা প্রধান শিক্ষককে যোগদান করানোর ফলে বিষয়টি নিয়ে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে।
একই স্কু‌লে দুজন ক‌রে পদায়ন প্রধান শিক্ষকের ঘটনায় লেখা পড়া মারাত্নক ব্যাঘাত ঘট‌ছে এসব স্ক‌ু‌লে । হাই‌কো‌টে আ‌দেশ অমান্য ক‌রে ‌জেলা ও উপ‌জেলা দুই কমকতার ঘুষ দুনী‌তি স্বজনপ্রীত‌ি অনিয়‌মের ঘটনায় এসব বিদ্যাল‌য়ের লেখা পড়ার ব্যঘাত ঘট‌ছে ব‌লে বিদ্যালয় প‌বিচালনা ক‌মি‌টির সভাপ‌তিরা এসব অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন ।
জানা গে‌ছে,গত ২০১৫ সা‌লে সুনামগঞ্জ জেলার দ‌ক্ষিন সুনামগ‌ঞ্জের না‌জিমপুর সরকা‌রি প্রাথ‌মিক বিদ্যাল‌য়ের প্রধান শিক্ষক রনধীর দাশ বাদী হ‌য়ে হাই‌কো‌টে আদাল‌তে এক‌টি রিট পি‌টিশন মামলা দা‌য়ের ক‌রে। (যার নং ১৮৩৩ ) এ আ‌দে‌শে ছাতকে ৩৭ টি বিদ্যাল‌য়ে প্রাথ‌মিক বিদ্যাল‌য়ে প্রধান শিক্ষক কাযত্রুম স্থ‌গিত করা হয়। স্থ‌গিতা‌দেশ অমান্য
এ স্থ‌গিতা‌দেশ বিদ্যালয় গু‌লো হ‌চ্ছেন ,বুড়াইর গাও ২ ,‌নোয়াগাও আব্দুল জব্বার২ ,‌খিদ্রাকাপন ২,খাসগাও২,পাইগাও২,দ‌ক্ষিন কু‌শি২ পূর্বপাড়া২,,চানপুর২ ,মামদপুর২ সু‌লেমানপুর,২ কচুবা‌ড়ি২ আনন্দ নগর২ ,‌নোয়াপাড়া২ ,‌মোহন পুর ২ ,দ‌ক্ষিন কু‌শি২ ,হাদাচানপুর২,নানচি‌রি‌মিত্র গ্রাম২ ,দ‌ক্ষিন বড় কাপন,২ শেওতর চর২, হাতধালানী,২ চর‌চৌরা২,খাড়াই২,একতা২, মৈশাপুর২ ,
মা‌য়ের কুল ২ সহ ২৬ টি বিদ্যাল‌য়ে পদায়ন শিক্ষক নি‌য়োগের আ‌দেশ ক‌রে জেলা ও উপ‌জেলা কর্মকতারা প‌ড়ে‌ছেন বিপা‌কে । এসব বিদ্যালয় থে‌কে পদায়ন প্রধান শিক্ষকদের প্রত্যাহার ক‌রে নি‌তে গত ১৭ জুলাই এক‌টি আ‌দেশ সুনামগঞ্জ শিক্ষা অ‌ফিসার কে যুন্ম স‌চিব শেখ জ‌সিম উ‌দ্দিন আহ‌ম্মেদ এর স্ব‌াক্ষ‌তি প্রাথ‌মিক শিক্ষা মন্ত্রালয় থে‌কে এ আ‌দেশ দেয়া হয় ।এ আ‌দেশ নি‌য়ে জেলা ও উপ‌জেলার দু’ কর্মকতা দুটানা প‌ড়ে‌ছে। দেড় মা‌সে ও শিক্ষা মন্ত্রাল‌য়ের আ‌দেশ মান‌ছে না দুই কর্মকতায়। এসব বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত ফান্ডে ভ্যাটের নামে প্রকাশ্যে শিক্ষা অফিসার মা‌নিক চন্দ্র দাশ প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে সোনালী ব্যাংকের চালান ছাড়াই অগ্রীম তিন হাজার দুই শত টাকা করে হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় উপজেলাজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ টাকার হিসাব দি‌তে পার‌ছে না ব‌লে অ‌ভি‌যোগ ক‌রেন শিক্ষক শি‌ক্ষিকরা।
এ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মা‌নিক চন্দ্র দাশ যোগদান করার পর প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্য নিয়ে কয়েক দফায় তিনি শিক্ষক-শিক্ষিকাদের হাতে । উপজেলার ১২২টি সরকারি প্রাথমিক ও ৬১টি নব জাতীয়করন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মোট ১৮৩টি স্কুলের নামে সরকারি ৭৩ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ আসে ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য। প্রতি বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত বরাদ্দ করা হয়েছে ৪০ হাজার টাকা করে। এই ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ভ্যাটের নামে শিক্ষা অফিসার মা‌নিক চন্দ্র দাশ প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে সোনালী ব্যাংকের ভ্যাটের চালান ছাড়াই অগ্রীম ৩ হাজার দুই শত টাকা করে ১৮৩টি বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে ৫ লাখ ৮৫হাজার ছয় শত টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নিয়েছেন। হিসাব রক্ষন অ‌ফিস সু‌ত্রে জানায় মেরামত না‌মে ৪০হাজার টাকার ম‌ধ্যে আট শত ক‌রে কতন করা হয় । এক লাখ ৪৬হাজার ৪শত জমা হ‌লে ৪লাখ ৩৯হাজার ২শত টাকা শিক্ষা অ‌ফিসা‌রে প‌কে‌টে । এ ব্যাপা‌রে মা‌নিক চন্দ্র দাশের স‌ঙ্গে যোগা‌যোগ তার বিরু‌দ্ধে নানা ঘুষ কে‌লেংকা‌রি ঘটনার স‌ঠিক উত্তর দি‌তে পা‌রে‌নি তি‌নি ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ