০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুই বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ, বাড়তে পারে লোডশেডিং’

  • Update Time : ০২:৩৫:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: কারিগরি ত্রুটির কারণে দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট কমে গেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের লোড শেড করতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেছেন, “ঢাকাতেও লোডশেডিং দিতে হবে।” রোববার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী। তবে বন্ধ থাকা বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটির নাম তিনি বলেননি। ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “এটা একটা জাতীয় সংকট। আসুন আমরা সবাই মিলে এই সংকটটা উত্তরণ করার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করি।” আগামী দুই দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “উন্নতি হলে লোডশেডিংয়ের প্রকোপ কমে যাবে।” বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধের কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বয়লারের টিউবে লিক হওয়ায় বাধ্যতামূলকভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় কয়লা আনলোড করা যাচ্ছে না; সে কারণে ওই কেন্দ্রেও উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “এতে করে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমার সঞ্চালন লাইন থেকে বেরিয়ে গেছে।” সংসদে বিবৃতি দেওয়ার আগে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হওয়ার বিষয়টিও তিনি জানান। মন্ত্রী বলেন, “এ ব্যাপারে আমি বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে এখানে স্টেটমেন্ট করার জন্য দাঁড়িয়েছি।” বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে এবং ঢাকাতেও লোডশেডিং দিতে হবে।”

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

দুই বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ, বাড়তে পারে লোডশেডিং’

Update Time : ০২:৩৫:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: কারিগরি ত্রুটির কারণে দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহ প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট কমে গেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের লোড শেড করতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেছেন, “ঢাকাতেও লোডশেডিং দিতে হবে।” রোববার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে এ তথ্য জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী। তবে বন্ধ থাকা বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটির নাম তিনি বলেননি। ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “এটা একটা জাতীয় সংকট। আসুন আমরা সবাই মিলে এই সংকটটা উত্তরণ করার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করি।” আগামী দুই দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “উন্নতি হলে লোডশেডিংয়ের প্রকোপ কমে যাবে।” বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধের কারণ ব্যাখ্যা করে মন্ত্রী বলেন, একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বয়লারের টিউবে লিক হওয়ায় বাধ্যতামূলকভাবে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ক্ষেত্রে বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় কয়লা আনলোড করা যাচ্ছে না; সে কারণে ওই কেন্দ্রেও উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “এতে করে প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমার সঞ্চালন লাইন থেকে বেরিয়ে গেছে।” সংসদে বিবৃতি দেওয়ার আগে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা হওয়ার বিষয়টিও তিনি জানান। মন্ত্রী বলেন, “এ ব্যাপারে আমি বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে এখানে স্টেটমেন্ট করার জন্য দাঁড়িয়েছি।” বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং করতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমাদেরকে বিভিন্ন জায়গায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে এবং ঢাকাতেও লোডশেডিং দিতে হবে।”

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ