০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাপ আসলে তা সরাসরি প্রত্যাখান করবো : সিইসি

  • Update Time : ০২:১৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: নির্বাচনে আগামীতে সরকারের পক্ষ থেকে কোন চাপ আসলে তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবো বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

 

তিনি বলেছেন, আমাদের কাছে সরকার বা কোনো মন্ত্রী, এমপির কোনো চাপ আসেনি। তবে রাজনৈতিক দলগুলো থেকে চাপ এসেছে, যা সবসময় আসে। কখনও রাজনৈতিক দল পুলিশ বা প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিষয়ে ফোন করেছি। তখন ভেরিফাই করে ব্যবস্থা নিয়েছি। কিন্তু কখনও সরকারের দপ্তর পক্ষ থেকে আলাদা করে চাপ আসেনি। আগামীতে চাপ আসলে সরাসরি প্রত্যাখান করবো।

 

বৃহস্পতিবার আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে ধারাবাহিক সংলাপ শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সিইসি।

 

গত ১৫ অক্টোবর বিএনপির সাথে সংলাপে সিইসি বিএনপি ও এ দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ব্যাপক প্রশংসা করেন। জিয়াউর রহমানের ছয় বছরের রাষ্ট্রপরিচালনার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বিএনপিতে দেশের অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যোগদান করেন। তার হাত দিয়েই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।’  সিইসির এ বক্তব্য ব্যাপক ভাবে আলোচিত হয়। এরপর গত ১৮ অক্টোবর সংলাপ শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমরা বিষয়টি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা পেয়েছি। তবে সে সম্পর্কে কিছু বলতে চাই না।

 

সংলাপে সেনা মোতায়েন, সংসদ ভেঙ্গে দেয়াসহ অনেক প্রস্তাব এসেছে। এমন অবস্থায় সংলাপের পর ইসি ভারমুক্ত হলেন নাকি চাপে আছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ না করা পর্যন্ত আমরা ভারমুক্ত হই না। ভারতো আমাদের উপর থাকবে, চ্যালেঞ্জ থাকবে। সেগুলো সমাধান করতে হবে।

 

তফসিলের পর নির্বাচনী পরিচালনার দায়িত্ব সম্পূর্ণ মাঠ প্রশাসনের হাতে চলে যায়, তখন প্রশাসনের এসব লোক কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ মাঠ প্রশাসনের হাতে যাবে না। নিয়ন্ত্রণ যাবে এমন কথার দ্বিমত করি। সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে ইসির হাতে।

 

তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন পর্যন্ত ২-৩ মাস সময় লাগে। ওই সময়ে ১২ থেকে ১৩ লাখ জনবল দরকার হয়। এত জনবল স্থায়ীভাবে ইসির নেই। নির্বাচন কমিশনের এত জনবল সারা বছর পোষা সম্ভব নয়, দরকারও নেই। তাই নির্বাচনের সময়ে রিকুজিশন দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেনা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ দেয়া হয়। তারা নির্বাচনে ইসিকে সহায়তা করে। তাদের উপর ইসির নিয়ন্ত্রণ থাকে ও থাকবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

চাপ আসলে তা সরাসরি প্রত্যাখান করবো : সিইসি

Update Time : ০২:১৮:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৭

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: নির্বাচনে আগামীতে সরকারের পক্ষ থেকে কোন চাপ আসলে তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করবো বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

 

তিনি বলেছেন, আমাদের কাছে সরকার বা কোনো মন্ত্রী, এমপির কোনো চাপ আসেনি। তবে রাজনৈতিক দলগুলো থেকে চাপ এসেছে, যা সবসময় আসে। কখনও রাজনৈতিক দল পুলিশ বা প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বিষয়ে ফোন করেছি। তখন ভেরিফাই করে ব্যবস্থা নিয়েছি। কিন্তু কখনও সরকারের দপ্তর পক্ষ থেকে আলাদা করে চাপ আসেনি। আগামীতে চাপ আসলে সরাসরি প্রত্যাখান করবো।

 

বৃহস্পতিবার আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে ধারাবাহিক সংলাপ শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সিইসি।

 

গত ১৫ অক্টোবর বিএনপির সাথে সংলাপে সিইসি বিএনপি ও এ দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ব্যাপক প্রশংসা করেন। জিয়াউর রহমানের ছয় বছরের রাষ্ট্রপরিচালনার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বিএনপিতে দেশের অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যোগদান করেন। তার হাত দিয়েই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা লাভ করে।’  সিইসির এ বক্তব্য ব্যাপক ভাবে আলোচিত হয়। এরপর গত ১৮ অক্টোবর সংলাপ শেষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমরা বিষয়টি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা পেয়েছি। তবে সে সম্পর্কে কিছু বলতে চাই না।

 

সংলাপে সেনা মোতায়েন, সংসদ ভেঙ্গে দেয়াসহ অনেক প্রস্তাব এসেছে। এমন অবস্থায় সংলাপের পর ইসি ভারমুক্ত হলেন নাকি চাপে আছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নির্বাচন শেষ না করা পর্যন্ত আমরা ভারমুক্ত হই না। ভারতো আমাদের উপর থাকবে, চ্যালেঞ্জ থাকবে। সেগুলো সমাধান করতে হবে।

 

তফসিলের পর নির্বাচনী পরিচালনার দায়িত্ব সম্পূর্ণ মাঠ প্রশাসনের হাতে চলে যায়, তখন প্রশাসনের এসব লোক কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ মাঠ প্রশাসনের হাতে যাবে না। নিয়ন্ত্রণ যাবে এমন কথার দ্বিমত করি। সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে ইসির হাতে।

 

তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন পর্যন্ত ২-৩ মাস সময় লাগে। ওই সময়ে ১২ থেকে ১৩ লাখ জনবল দরকার হয়। এত জনবল স্থায়ীভাবে ইসির নেই। নির্বাচন কমিশনের এত জনবল সারা বছর পোষা সম্ভব নয়, দরকারও নেই। তাই নির্বাচনের সময়ে রিকুজিশন দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী, সেনা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়োগ দেয়া হয়। তারা নির্বাচনে ইসিকে সহায়তা করে। তাদের উপর ইসির নিয়ন্ত্রণ থাকে ও থাকবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ