০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুনামগঞ্জে হাওরে আগাম বন্যার শঙ্কায়, ধান কাটতে কৃষকদের নির্দেশনা

  • Update Time : ০৩:২৮:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৯ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: ভারতের মেঘালয় ও দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভারি বৃষ্টিপাতের কারনে বেড়েছে  হাওরের জেলা সুনামগঞ্জের সুরমা, কুশিয়ারা ও বাউলাইসহ অন্যান্য নদীর পানি। আগামী কয়েকদিন নদ-নদীর পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় হাওরে আগাম বন্যা ও জলাবদ্ধতার আশঙ্কা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তাছাড়া ফসলের ক্ষয়ক্ষতি এরাতে হাওরের যেসকল জমির ধান ৮০ শতাংশ পেকেছে তা দ্রুত কেটে নিতে কৃষকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে অধিদপ্তরের দেয়া এই বিজ্ঞপ্তিতে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার এর স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। পানি উন্নয় বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, ভারতের মেঘালয় ও উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। গেলো ৩০ ঘন্টায় সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর নবীনগর পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৯৯ সেন্টিমিটার। আগামী ৭২ ঘন্টায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করছেন এই প্রকৌশলী। নদীতে পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্মিত ফসল রক্ষা বাঁধে নজর রাখতে সংশ্লিষ্ট পিআইসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জেলার বেশির ভাগ হাওরের জমির ফসল আঁধাপাকা ও কাঁচা অবস্থায় রয়েছে। পুরোপুরি পাঁকতে আরও সপ্তাহ দিন সময় লাগতে পারে। জেলার আবাদকৃত ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমির মধ্যে ইতোমধ্যে ৩০ হাজার হেক্টর জমির ফসল কর্তন হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক। জেলার ১২ উপজেলায় এক হাজারের অধিক কম্বাইন হারভেস্টর ও রিপার মেশিন ধান কাটতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি। অপরদিকে কৃষকরা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাতে হাওরের নিচু এলাকার নিচু জমি জলমগ্ন হওয়ায় হারভেস্টর মেশিন চলাচল করতে না পারায় এসব জমির ফসল কাটতে শ্রমিকের উপর নির্ভর করতে হয়। ফলে হাওরে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

সুনামগঞ্জে হাওরে আগাম বন্যার শঙ্কায়, ধান কাটতে কৃষকদের নির্দেশনা

Update Time : ০৩:২৮:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: ভারতের মেঘালয় ও দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ভারি বৃষ্টিপাতের কারনে বেড়েছে  হাওরের জেলা সুনামগঞ্জের সুরমা, কুশিয়ারা ও বাউলাইসহ অন্যান্য নদীর পানি। আগামী কয়েকদিন নদ-নদীর পানি সমতল দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় হাওরে আগাম বন্যা ও জলাবদ্ধতার আশঙ্কা জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। তাছাড়া ফসলের ক্ষয়ক্ষতি এরাতে হাওরের যেসকল জমির ধান ৮০ শতাংশ পেকেছে তা দ্রুত কেটে নিতে কৃষকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে অধিদপ্তরের দেয়া এই বিজ্ঞপ্তিতে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার এর স্বাক্ষরিত এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। পানি উন্নয় বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, ভারতের মেঘালয় ও উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। গেলো ৩০ ঘন্টায় সুনামগঞ্জের সুরমা নদীর নবীনগর পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৯৯ সেন্টিমিটার। আগামী ৭২ ঘন্টায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা করছেন এই প্রকৌশলী। নদীতে পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্মিত ফসল রক্ষা বাঁধে নজর রাখতে সংশ্লিষ্ট পিআইসিদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, জেলার বেশির ভাগ হাওরের জমির ফসল আঁধাপাকা ও কাঁচা অবস্থায় রয়েছে। পুরোপুরি পাঁকতে আরও সপ্তাহ দিন সময় লাগতে পারে। জেলার আবাদকৃত ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমির মধ্যে ইতোমধ্যে ৩০ হাজার হেক্টর জমির ফসল কর্তন হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক। জেলার ১২ উপজেলায় এক হাজারের অধিক কম্বাইন হারভেস্টর ও রিপার মেশিন ধান কাটতে প্রস্তুত রয়েছে বলে জানান তিনি। অপরদিকে কৃষকরা জানিয়েছেন, বৃষ্টিপাতে হাওরের নিচু এলাকার নিচু জমি জলমগ্ন হওয়ায় হারভেস্টর মেশিন চলাচল করতে না পারায় এসব জমির ফসল কাটতে শ্রমিকের উপর নির্ভর করতে হয়। ফলে হাওরে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ