০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৃষ্টির পানি কি পবিত্র?

  • Update Time : ০২:৫৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক :: বৃষ্টি হলে অনেকেই এই পানিতে ভিজে যান। আবার অনেকে এই পানি সংরক্ষণ করে খাওয়া-দাওয়া ও রান্নার কাজে ব্যবহার করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো— বৃষ্টির পানি কি পবিত্র? বৃষ্টির পানিতে ধোয়া কাপড় পরিধান করে নামাজ পড়লে কি তা আদায় হবে?

বৃষ্টি পৃথিবীর বিশুদ্ধ পানির অন্যতম একটি উৎস। আকাশ থেকে বর্ষিত বৃষ্টির পানি মৃত জমিন উর্বর করে। সুজলা-সুফলা করে তোলে খেতখামার। বিশুদ্ধ পানিশূন্য এলাকায় জনজীবনে সুপেয় পানির চাহিদা পূরণ করে। বৃষ্টির পানি সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন—

وَ هُوَ الَّذِیۡۤ اَرۡسَلَ الرِّیٰحَ بُشۡرًۢا بَیۡنَ یَدَیۡ رَحۡمَتِهٖ ۚ وَ اَنۡزَلۡنَا مِنَ السَّمَآءِ مَآءً طَهُوۡرًا لِّنُحۡیِۦَ بِهٖ بَلۡدَۃً مَّیۡتًا وَّ نُسۡقِیَهٗ مِمَّا خَلَقۡنَاۤ اَنۡعَامًا وَّ اَنَاسِیَّ كَثِیۡرًا

‘তিনিই তার (বৃষ্টিরূপী) অনুগ্রহের পূর্বে সুসংবাদ হিসেবে বায়ু পাঠিয়ে দেন আর আমি আকাশ থেকে পবিত্র পানি বর্ষণ করি। যাতে এ দ্বারা আমি মৃত ভূখন্ডকে সঞ্জীবিত করি এবং আমার সৃষ্ট বহু জীবজন্তু ও মানুষের তৃষ্ণা নিবারণ করি।’ (সুরা ফুরকান: আয়াত ৪৮-৪৯)

বর্ণিত আয়াত থেকে বোঝা যায়, আকাশ থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানি পবিত্র। কেননা, অপবিত্র পানি মানুষের জন্য পান করা বৈধ নয়। অতএব, বর্ষাকালে বাড়ির ছাদে বা যাত্রাপথে বৃষ্টিতে শরীর ভিজে ওই ভেজা কাপড়ে নামাজ পড়লে আদায় হয়ে যাবে। বৃষ্টির পানিতে জামা-কাপড় ধুয়ে দিলেও তা পবিত্র হয়ে যাবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বৃষ্টির পানি কি পবিত্র?

Update Time : ০২:৫৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক :: বৃষ্টি হলে অনেকেই এই পানিতে ভিজে যান। আবার অনেকে এই পানি সংরক্ষণ করে খাওয়া-দাওয়া ও রান্নার কাজে ব্যবহার করেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো— বৃষ্টির পানি কি পবিত্র? বৃষ্টির পানিতে ধোয়া কাপড় পরিধান করে নামাজ পড়লে কি তা আদায় হবে?

বৃষ্টি পৃথিবীর বিশুদ্ধ পানির অন্যতম একটি উৎস। আকাশ থেকে বর্ষিত বৃষ্টির পানি মৃত জমিন উর্বর করে। সুজলা-সুফলা করে তোলে খেতখামার। বিশুদ্ধ পানিশূন্য এলাকায় জনজীবনে সুপেয় পানির চাহিদা পূরণ করে। বৃষ্টির পানি সম্পর্কে পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন—

وَ هُوَ الَّذِیۡۤ اَرۡسَلَ الرِّیٰحَ بُشۡرًۢا بَیۡنَ یَدَیۡ رَحۡمَتِهٖ ۚ وَ اَنۡزَلۡنَا مِنَ السَّمَآءِ مَآءً طَهُوۡرًا لِّنُحۡیِۦَ بِهٖ بَلۡدَۃً مَّیۡتًا وَّ نُسۡقِیَهٗ مِمَّا خَلَقۡنَاۤ اَنۡعَامًا وَّ اَنَاسِیَّ كَثِیۡرًا

‘তিনিই তার (বৃষ্টিরূপী) অনুগ্রহের পূর্বে সুসংবাদ হিসেবে বায়ু পাঠিয়ে দেন আর আমি আকাশ থেকে পবিত্র পানি বর্ষণ করি। যাতে এ দ্বারা আমি মৃত ভূখন্ডকে সঞ্জীবিত করি এবং আমার সৃষ্ট বহু জীবজন্তু ও মানুষের তৃষ্ণা নিবারণ করি।’ (সুরা ফুরকান: আয়াত ৪৮-৪৯)

বর্ণিত আয়াত থেকে বোঝা যায়, আকাশ থেকে নেমে আসা বৃষ্টির পানি পবিত্র। কেননা, অপবিত্র পানি মানুষের জন্য পান করা বৈধ নয়। অতএব, বর্ষাকালে বাড়ির ছাদে বা যাত্রাপথে বৃষ্টিতে শরীর ভিজে ওই ভেজা কাপড়ে নামাজ পড়লে আদায় হয়ে যাবে। বৃষ্টির পানিতে জামা-কাপড় ধুয়ে দিলেও তা পবিত্র হয়ে যাবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ