০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজারে মাদকবিক্রেতা ও চোরাকারবারীদের হামলায় বিএনপি নেতা বুলবুল আহত

  • Update Time : ০২:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের বনগাঁও বাজারে মাদকবিক্রেতা ও চোরাকারবারীদের হামলায় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বুলবুল (৪৮) আহত হয়েছেন। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় বনগাঁও বাজারস্থ মোমেন টেলিকম এন্ড মিডিয়া নামের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ভিতরে ও বাহিরে প্রকাশ্য দিবালোকে এ ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্রাদি সহকারে তাকে মারপিটক্রমে জখম করার পাশাপাশি তার কাছ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়েছে বলে জানান বুলবুল। আহত গোলাম মোস্তফা বুলবুলকে আশংকাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৬ জনের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে চিহ্নিত হামলা ও লুটতরাজকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় ৩০ নং জিডি দায়ের করেন বুলবুল।
অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রায়ই রাতের অন্ধকারে বনগাঁও টিলাগাঁও এবং ছমেদনগর মোল্লাপাড়া গ্রাম সংলগ্ন ভারতীয় বোর্ডারের ১২১৯ ত্রিএস পিলারের নিকট থেকে এলাকার চিহ্নিত চোরাকারবারীরা ভারতীয় মদ,ইয়াবা,ত্রিপিস লেহেঙ্গা শাড়ী,কসমেটিক্স ও গরু চোরাইপথে আমদানী করে থাকে। এতে বিভিন্ন সময় র্যাব,ডিবি,থানা পুলিশ ও বিজিবি বাহিনী চোরাকারবারীদের ধাওয়া দিয়ে অবৈধ মালামাল আটক ও ক্ষেত্রবিশেষে চোরাকারবারে সহযোগীদেরকে গ্রেফতার করলে আটক করার ঘটনা ও মামলা মোকদ্দমা নিয়ে এলাকায় মাঝে মাঝে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়। গত ৬ মাস পূর্বে চোরাইপণ্য বহনকারী মোল্লাপাড়া নিবাসী দিনমজুর আলম ও ছমেদনগর গ্রামের ফুল মিয়াকে ১১ বান্ডিল ত্রিপিস সহকারে আটক করে মামলা দায়ের করলে উক্ত দিনমজুররা ২ মাস হাজত কাটে। এই ব্যবসার ক্যাশিয়ার হচ্ছেন ছমেদনগর গ্রামের আলী আহমদের পুত্র সাইফুল ইসলাম ফাহিম (২৫)। সে কোনকারণে দিনমজুররা আটক হলে তাদেরকে জামিন করানো ও জেলহাজতে অন্তরীন দিন মজুরদের পরিবারবর্গকে পূণর্বাসন করবে মর্মে অঙ্গীকার করলেও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে মঙ্গলবার ও শুক্রবার বনগাঁও বাজারবারে ৫শত টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিলেও জামিনের পর এসব পরিবারের সাথে আর কোন যোগাযোগ করেনি বলে অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী পরিবারের লোকজন। একই গ্রামের মৃত সুন্দর আলীর পুত্র শাকিল (৩২) বিজিবি বনগাঁও ক্যাম্পের সোর্স পরিচয়ে বনঁগাও ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালি ও পাথর উত্তোলনকারী এবং বোর্ডারের চোরাকারবারীদের কাছ থেকে বিভিন্ন রেটে চাঁদা আদায় করে বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিজিবির নাম ভাঙ্গিয়ে বোর্ডার পাসের কাজ করে উক্ত শাকিল। ৩ মাস পূর্বে কান্দি ছমেদনগর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মিজান মিয়া প্রাকৃতিক প্রয়োজনে রাস্তায় বের হলে এলাকার চিহ্নিত চোরাকারবারীরা মব সন্ত্রাস করে মারপিটক্রমে আহত করে তাকে। ঘটনার সময় মিজানকে চোরাকারবারীদের কবল থেকে রক্ষা করতে গেলে তার মেয়েও হামলার শিকার হন বলে জানা যায়। মারপিটের প্রাক্কালে চোরাকারবারীরা মিজানকে পুলিশের সোর্স বলে অপপ্রচার দেয়। ঘটনার পর ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আব্দুল হাই ইউনিয়ন পরিষদে বসে ঘটনার সালিশ করে পুরো চোরাকারবারী গ্রæপকে নগদ ৪ হাজার টাকা জরিমানা করে আহত মিজানের চিকিৎসা সহায়তা আদায় করে দেন। স্থানীয়রা জানান মোট ১৭/১৮ জন চোরাকারবারী গড়ে প্রতিসপ্তাহে দুইতিন দিন রাতে ভারতীয় কাপড় ও মাদকসহ অন্যান্য মালামাল অবৈধভাবে বাংলাদেশে এনে দেদারছে ব্যবসা করে যাচ্ছে। চোরাকারবারীদের সিন্ডিকেট লিডার ছমেদনগর গ্রামের মৃত মোবারক আলীর পুত্র সরকুম আলী (৫১) এলাকায় এই বলে আতংক ছড়ায় যে,রাত ১০টার পরে যদি এলাকার কোন লোকজনকে বনগাঁও বাজারসহ আশপাশ এলাকায় পাওয়া গেলে তাদেরকে র্যাব,ডিবি ও পুলিশের সোর্স হিসেবে সনাক্ত করে হাতপা ভেঙ্গে দেয়া হবে। এই ঘোষণার পর গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় বনগাঁও বাজারস্থ আঞ্জব আলীর চায়ের দোকানে চিহ্নিত চোরাকারবারীরা টিলাগাঁও নিবাসী মৃত কাচাধন এর পুত্র আব্দুর রশিদ (৫০) কে বিজিবির সোর্স বলে মব সৃষ্টি করে প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা করে আহত করে। এসব ঘটনায় এলাকায় চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে একদিকে আতংক ও অন্যদিকে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কেউ কেউ ঘটনার জন্য থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হচ্ছেন ছমেদনগর গ্রামের মৃত মোবারক আলীর পুত্র সরকুম আলী (৫১), আলী আহমদের পুত্র সাইফুল ইসলাম ফাহিম (২৫), মৃত সুন্দর আলীর পুত্র শাকিল (৩২),মৃত জুলহাসনুর চৌধুরীর পুত্র মিনহাজ নুর চৌধুরী (৩২),মৃত শানুর মিয়ার পুত্র হাবিবুর রহমান হাবু (৪৫), বনগাঁও নিবাসী মৃত আব্দুল জব্বারের পুত্র রফিক মিয়া (৬৫) ও তুতি মিয়ার পুত্র বিল্লাল মিয়া (৩৫),আব্দুছ ছোবহানের পুত্র আব্দুল আলী (৩৮),আব্দুর রহমানের পুত্র আবেদ আলী (৪০), মৃত হোসেন মিয়ার পুত্র আব্দুস ছত্তার (৪৫) মৃত মহরম আলীর পুত্র আব্দুল জলিল (৪২), মৃত আব্দুস শাহিদের পুত্র হরমুজ আলী (৩৭) ও বাবুল মিয়ার পুত্র আল আমিন (২৬) প্রমুখ। আহত বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা বুলবুলের দায়েরকৃত অভিযোগটি তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এসআই অভিজিৎ ভৌমিককে দায়িত্ব প্রদান করেছেন সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ আরিফ উল্লাহ। এলাকাবাসী চোরাকারীদের গডফাদারসহ তাদের সকল সহযোগীদেরকে গ্রেফতার করে রঙ্গারচর ইউনিয়নকে কালোবাজার ও মাদকমুক্ত করতে যৌথবাহিনীসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বাজারে মাদকবিক্রেতা ও চোরাকারবারীদের হামলায় বিএনপি নেতা বুলবুল আহত

Update Time : ০২:১৩:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের বনগাঁও বাজারে মাদকবিক্রেতা ও চোরাকারবারীদের হামলায় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বুলবুল (৪৮) আহত হয়েছেন। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় বনগাঁও বাজারস্থ মোমেন টেলিকম এন্ড মিডিয়া নামের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ভিতরে ও বাহিরে প্রকাশ্য দিবালোকে এ ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্রাদি সহকারে তাকে মারপিটক্রমে জখম করার পাশাপাশি তার কাছ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা ছিনতাই করে নিয়েছে বলে জানান বুলবুল। আহত গোলাম মোস্তফা বুলবুলকে আশংকাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৬ জনের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর আগে চিহ্নিত হামলা ও লুটতরাজকারী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় ৩০ নং জিডি দায়ের করেন বুলবুল।
অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রায়ই রাতের অন্ধকারে বনগাঁও টিলাগাঁও এবং ছমেদনগর মোল্লাপাড়া গ্রাম সংলগ্ন ভারতীয় বোর্ডারের ১২১৯ ত্রিএস পিলারের নিকট থেকে এলাকার চিহ্নিত চোরাকারবারীরা ভারতীয় মদ,ইয়াবা,ত্রিপিস লেহেঙ্গা শাড়ী,কসমেটিক্স ও গরু চোরাইপথে আমদানী করে থাকে। এতে বিভিন্ন সময় র্যাব,ডিবি,থানা পুলিশ ও বিজিবি বাহিনী চোরাকারবারীদের ধাওয়া দিয়ে অবৈধ মালামাল আটক ও ক্ষেত্রবিশেষে চোরাকারবারে সহযোগীদেরকে গ্রেফতার করলে আটক করার ঘটনা ও মামলা মোকদ্দমা নিয়ে এলাকায় মাঝে মাঝে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়। গত ৬ মাস পূর্বে চোরাইপণ্য বহনকারী মোল্লাপাড়া নিবাসী দিনমজুর আলম ও ছমেদনগর গ্রামের ফুল মিয়াকে ১১ বান্ডিল ত্রিপিস সহকারে আটক করে মামলা দায়ের করলে উক্ত দিনমজুররা ২ মাস হাজত কাটে। এই ব্যবসার ক্যাশিয়ার হচ্ছেন ছমেদনগর গ্রামের আলী আহমদের পুত্র সাইফুল ইসলাম ফাহিম (২৫)। সে কোনকারণে দিনমজুররা আটক হলে তাদেরকে জামিন করানো ও জেলহাজতে অন্তরীন দিন মজুরদের পরিবারবর্গকে পূণর্বাসন করবে মর্মে অঙ্গীকার করলেও ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোকে মঙ্গলবার ও শুক্রবার বনগাঁও বাজারবারে ৫শত টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিলেও জামিনের পর এসব পরিবারের সাথে আর কোন যোগাযোগ করেনি বলে অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী পরিবারের লোকজন। একই গ্রামের মৃত সুন্দর আলীর পুত্র শাকিল (৩২) বিজিবি বনগাঁও ক্যাম্পের সোর্স পরিচয়ে বনঁগাও ছড়া থেকে অবৈধভাবে বালি ও পাথর উত্তোলনকারী এবং বোর্ডারের চোরাকারবারীদের কাছ থেকে বিভিন্ন রেটে চাঁদা আদায় করে বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিজিবির নাম ভাঙ্গিয়ে বোর্ডার পাসের কাজ করে উক্ত শাকিল। ৩ মাস পূর্বে কান্দি ছমেদনগর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মিজান মিয়া প্রাকৃতিক প্রয়োজনে রাস্তায় বের হলে এলাকার চিহ্নিত চোরাকারবারীরা মব সন্ত্রাস করে মারপিটক্রমে আহত করে তাকে। ঘটনার সময় মিজানকে চোরাকারবারীদের কবল থেকে রক্ষা করতে গেলে তার মেয়েও হামলার শিকার হন বলে জানা যায়। মারপিটের প্রাক্কালে চোরাকারবারীরা মিজানকে পুলিশের সোর্স বলে অপপ্রচার দেয়। ঘটনার পর ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আব্দুল হাই ইউনিয়ন পরিষদে বসে ঘটনার সালিশ করে পুরো চোরাকারবারী গ্রæপকে নগদ ৪ হাজার টাকা জরিমানা করে আহত মিজানের চিকিৎসা সহায়তা আদায় করে দেন। স্থানীয়রা জানান মোট ১৭/১৮ জন চোরাকারবারী গড়ে প্রতিসপ্তাহে দুইতিন দিন রাতে ভারতীয় কাপড় ও মাদকসহ অন্যান্য মালামাল অবৈধভাবে বাংলাদেশে এনে দেদারছে ব্যবসা করে যাচ্ছে। চোরাকারবারীদের সিন্ডিকেট লিডার ছমেদনগর গ্রামের মৃত মোবারক আলীর পুত্র সরকুম আলী (৫১) এলাকায় এই বলে আতংক ছড়ায় যে,রাত ১০টার পরে যদি এলাকার কোন লোকজনকে বনগাঁও বাজারসহ আশপাশ এলাকায় পাওয়া গেলে তাদেরকে র্যাব,ডিবি ও পুলিশের সোর্স হিসেবে সনাক্ত করে হাতপা ভেঙ্গে দেয়া হবে। এই ঘোষণার পর গত শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেল ৩টায় বনগাঁও বাজারস্থ আঞ্জব আলীর চায়ের দোকানে চিহ্নিত চোরাকারবারীরা টিলাগাঁও নিবাসী মৃত কাচাধন এর পুত্র আব্দুর রশিদ (৫০) কে বিজিবির সোর্স বলে মব সৃষ্টি করে প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা করে আহত করে। এসব ঘটনায় এলাকায় চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে একদিকে আতংক ও অন্যদিকে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কেউ কেউ ঘটনার জন্য থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হচ্ছেন ছমেদনগর গ্রামের মৃত মোবারক আলীর পুত্র সরকুম আলী (৫১), আলী আহমদের পুত্র সাইফুল ইসলাম ফাহিম (২৫), মৃত সুন্দর আলীর পুত্র শাকিল (৩২),মৃত জুলহাসনুর চৌধুরীর পুত্র মিনহাজ নুর চৌধুরী (৩২),মৃত শানুর মিয়ার পুত্র হাবিবুর রহমান হাবু (৪৫), বনগাঁও নিবাসী মৃত আব্দুল জব্বারের পুত্র রফিক মিয়া (৬৫) ও তুতি মিয়ার পুত্র বিল্লাল মিয়া (৩৫),আব্দুছ ছোবহানের পুত্র আব্দুল আলী (৩৮),আব্দুর রহমানের পুত্র আবেদ আলী (৪০), মৃত হোসেন মিয়ার পুত্র আব্দুস ছত্তার (৪৫) মৃত মহরম আলীর পুত্র আব্দুল জলিল (৪২), মৃত আব্দুস শাহিদের পুত্র হরমুজ আলী (৩৭) ও বাবুল মিয়ার পুত্র আল আমিন (২৬) প্রমুখ। আহত বিএনপি নেতা গোলাম মোস্তফা বুলবুলের দায়েরকৃত অভিযোগটি তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য এসআই অভিজিৎ ভৌমিককে দায়িত্ব প্রদান করেছেন সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোঃ আরিফ উল্লাহ। এলাকাবাসী চোরাকারীদের গডফাদারসহ তাদের সকল সহযোগীদেরকে গ্রেফতার করে রঙ্গারচর ইউনিয়নকে কালোবাজার ও মাদকমুক্ত করতে যৌথবাহিনীসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ