প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান রোহিঙ্গাদের জন্য এডিবি’র সহায়তা চাইলেন
- Update Time : ০৪:৩২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ আগস্ট ২০১৮
- / ৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তা চাইলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান এমপি। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের সহায়তা দিতে সরকার প্রস্তুত। উদ্যোগও নিয়েছে। কিন্তু আরও অর্থ প্রয়োজন। এ জন্য এডিবিসহ উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাকে এগিয়ে আসতে হবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আঞ্চলিক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
মান্নান বলেন, রোহিঙ্গাদের অবশ্যই ফেরত যেতে হবে। এ জন্য এডিবির জনমত সৃষ্টিসহ লজিস্টিক সহায়তা প্রয়োজন। আমি সেই সহায়তা কামনা করছি। ‘রিজিওনাল ক্যাপাসিটি বিল্ডিং ফর সাকসেসফুল ডিজাইন অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন’ শীর্ষক তিন দিনের এ কর্মশালার আয়োজন করে এডিবি। এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিসহ ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল এবং শ্রীলংকার মোট ৭০ জন প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থনৈতিক স¤পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব কাজী শফিকুল আযম, এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ এবং এডিবির পোর্টফোলিও বিভাগের পরিচালক রিহান কাওসার।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রকল্পের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি মানসম্মত বাস্তবায়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। উন্নয়ন প্রকল্প প্রক্রিয়াকরণ করছে পরিকল্পনা কমিশন। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে গুণগত মান ধরে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সে চেষ্টায় করছি। কাজী শফিকুল আযম বলেন, সরকারের অন্যতম গুরুত্বের জায়গা হচ্ছে প্রকল্পের বাস্তবায়ন বাড়ানো। এ ক্ষেত্রে প্রকল্পের ডিজাইন যদি ঠিক না হয়, তাহলে সঠিক সময়ে বাস্তবায়নও হবে না। পাশাপাশি ব্যয়ও বাড়বে। তাই এ ধরনের কর্মশালা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম হাই¯িপড ট্রেন চালু প্রকল্পে এডিবির সঙ্গে আলাপ আলোচনা চলছে। আশা করছি শিগগিরিই অর্থায়নের বিষয়টি নিশ্চিত হবে। মনমোহন প্রকাশ বলেন, ম্যানিলায় এডিবির প্রধান কার্যালয়ের বাইরে এ ধরনের কর্মশালার আয়োজন এটিই প্রথম। এ কর্মশালার মধ্যদিয়ে প্রযুক্তি, জ্ঞান ও দক্ষতার আদান-প্রদান হবে। ফলে, উন্নয়ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তা বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তিনি জানান, এডিবি সম্প্রতি ২০৩০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি কর্মকৌশল অনুমোদন দিয়েছে। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দারিদ্র্যমুক্ত এশিয়া গড়া। এডিবি চায় অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি হোক।





























