জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: সীমা আক্তার নামে এক গৃহবধুকে হত্যা করে লাশ রেখে পালিয়ে গেছে স্বামী। গবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় এ ঘটনা ঘটেছে।
গতকাল শনিবার বিকেলে আদাঐর ইউনিয়নের মৌজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ বিকেলে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে প্রেরন করেছে। ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সীমার চাচাত বোন সামসুর নাহার জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার গোকর্ন গ্রামের দেওয়ান আলীর মেয়ে সীমার সঙ্গে প্রায় ৮ মাস পূর্বে জালাল মিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর সীমার কাছে জালালের পরকীয়া প্রেমের বিষয়টি ধরা পড়ে। তখন থেকে এর প্রতিবাদ শুরু করেন সীমা। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জালাল প্রায়ই সীমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করতেন। এই প্রতিবাদের কারণেই সীমাকে হত্যা করা হয়েছে।
মাধবপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাজেদুল ইসলাম পলাশ জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকতাদির হোসেন জানান, ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেনি।





























