১২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নেতৃত্বের পরিবর্তন ছাড়া যে কোন দল বন্ধা নদীর মতো নষ্ট হয়ে যায়- সৈয়দ মবনু

  • Update Time : ০৬:৪২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০১৯
  • / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কোন রাজনৈতিক দলের প্রধান দায়িত্বশীল (সভাপতি, সেক্রেটারী, আমীর, মহাসচিব) যদি পনেরো বছরেও একবার পরিবর্তন না হয় তবে কি প্রমাণ করে না এই দলে নেতৃত্ব সংকট ? এমন প্রশ্নের মুখোমুখি কেউ বলতে পারেন, দলের কর্মীরা তাদেরকে চায় কিংবা বলতে পারেন তারা ভাল ও যোগ্য। তাদের এ দাবী যদি সত্য হয় তবু বলবো, এমন করে বসে থাকলে নেতৃত্বের বিকাশ কিংবা ক্রমধারায় উন্নতিতে দল বাধাগ্রস্থ হয় এবং নীচের কর্মিরা উৎসাহ হারায় তা তো অস্বীকার করা যাবে না। যোগ্যরা স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছেড়ে অন্যদেরকে দায়িত্ব দিয়ে পাশে বসে চালালে নেতৃত্ব আরও বিকশিত হয়। দায়িত্ব পেলে মানুষ দায়িত্বশীল হয়। বড়রা যদি ছোটদেরকে দায়িত্ব দিয়ে পাশে বসে শিখিয়ে যেতেন তবে এই দলে নেতৃত্বের যোগ্যতাসম্পন্ন লোকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেত বলে আমরা মনে করি।

 

আর যদি কেউ বলে, কাউন্সিলে কৌশলের মাধ্যমে সবার কাছ থেকে নির্দিষ্ট ব্যক্তির পক্ষে মতামত বা ভোট গ্রহণ করে তারা বিগত পনেরো বছর থেকে দায়িত্বকে আকড়ে ধরে আছেন, তবে কি মিথ্যে হবে? কৌশলগুলো তো অনেকের জানা। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য রাজনৈতিক ময়দানে আমরা রাজতন্ত্র কিংবা স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে কথা বলি, অথচ আমরা নিজে কোন দায়িত্ব পেলে ছাড়তে চাই না। এমন মানসিকতা প্রত্যেক দলে পরিবর্তন করা কি প্রয়োজন নয়?

 

নেতৃত্বের পরিবর্তন কি শুধু অযোগ্যতা এবং অসৎ হওয়ার কারণে প্রয়োজন? নেতৃত্বের পরিবর্তনের সাথে দলের অন্যকোন বিষয় কি জড়িত নয়? বিষয়গুলো ভাবতে হবে প্রতিটি দলের প্রত্যেক শ্রেণীর নেতা-কর্মিকে। একটি দলের নেতৃত্ব পরিবর্তন মানে নেতৃত্বের যোগ্যতাসম্পন্ন আরও মানুষ তৈরি হওয়া এবং হাতে-কলমে অনেক মানুষের নেতৃত্ব শিখা। স্মরণ রাখতে হবে, নদী যদি বন্ধা হয়ে যায় তবে তার পানি খুব দ্রুত নষ্ট হয়। নেতৃত্বের পরিবর্তন না হলে একটি দল বন্ধানদীর মতো ধীরে ধীরে মরে যায়। লেখক: কবি ও গবেষক

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

নেতৃত্বের পরিবর্তন ছাড়া যে কোন দল বন্ধা নদীর মতো নষ্ট হয়ে যায়- সৈয়দ মবনু

Update Time : ০৬:৪২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০১৯

কোন রাজনৈতিক দলের প্রধান দায়িত্বশীল (সভাপতি, সেক্রেটারী, আমীর, মহাসচিব) যদি পনেরো বছরেও একবার পরিবর্তন না হয় তবে কি প্রমাণ করে না এই দলে নেতৃত্ব সংকট ? এমন প্রশ্নের মুখোমুখি কেউ বলতে পারেন, দলের কর্মীরা তাদেরকে চায় কিংবা বলতে পারেন তারা ভাল ও যোগ্য। তাদের এ দাবী যদি সত্য হয় তবু বলবো, এমন করে বসে থাকলে নেতৃত্বের বিকাশ কিংবা ক্রমধারায় উন্নতিতে দল বাধাগ্রস্থ হয় এবং নীচের কর্মিরা উৎসাহ হারায় তা তো অস্বীকার করা যাবে না। যোগ্যরা স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছেড়ে অন্যদেরকে দায়িত্ব দিয়ে পাশে বসে চালালে নেতৃত্ব আরও বিকশিত হয়। দায়িত্ব পেলে মানুষ দায়িত্বশীল হয়। বড়রা যদি ছোটদেরকে দায়িত্ব দিয়ে পাশে বসে শিখিয়ে যেতেন তবে এই দলে নেতৃত্বের যোগ্যতাসম্পন্ন লোকের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেত বলে আমরা মনে করি।

 

আর যদি কেউ বলে, কাউন্সিলে কৌশলের মাধ্যমে সবার কাছ থেকে নির্দিষ্ট ব্যক্তির পক্ষে মতামত বা ভোট গ্রহণ করে তারা বিগত পনেরো বছর থেকে দায়িত্বকে আকড়ে ধরে আছেন, তবে কি মিথ্যে হবে? কৌশলগুলো তো অনেকের জানা। অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য রাজনৈতিক ময়দানে আমরা রাজতন্ত্র কিংবা স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে কথা বলি, অথচ আমরা নিজে কোন দায়িত্ব পেলে ছাড়তে চাই না। এমন মানসিকতা প্রত্যেক দলে পরিবর্তন করা কি প্রয়োজন নয়?

 

নেতৃত্বের পরিবর্তন কি শুধু অযোগ্যতা এবং অসৎ হওয়ার কারণে প্রয়োজন? নেতৃত্বের পরিবর্তনের সাথে দলের অন্যকোন বিষয় কি জড়িত নয়? বিষয়গুলো ভাবতে হবে প্রতিটি দলের প্রত্যেক শ্রেণীর নেতা-কর্মিকে। একটি দলের নেতৃত্ব পরিবর্তন মানে নেতৃত্বের যোগ্যতাসম্পন্ন আরও মানুষ তৈরি হওয়া এবং হাতে-কলমে অনেক মানুষের নেতৃত্ব শিখা। স্মরণ রাখতে হবে, নদী যদি বন্ধা হয়ে যায় তবে তার পানি খুব দ্রুত নষ্ট হয়। নেতৃত্বের পরিবর্তন না হলে একটি দল বন্ধানদীর মতো ধীরে ধীরে মরে যায়। লেখক: কবি ও গবেষক

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ