১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ৭৪ লাখ টাকার স্কলারশিপ পেলেন কৃতি শিক্ষার্থী জেমি

  • Update Time : ১০:০৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
  • / ৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণের পথে অনন্য এক সাফল্য অর্জন করেছেন হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের কৃতি শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি। চট্টগ্রাম এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে (এউডব্লিউ) পড়ার জন্য প্রায় ৭৪ লাখ টাকার (৬০ হাজার মার্কিন ডলার) পূর্ণাঙ্গ স্কলারশিপ পেয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির পরিচালক মৌরি রহমানের স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে জেমিকে এ স্কলারশিপের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। চার বছর মেয়াদি এ বৃত্তির আওতায় তিনি প্রতি বছর ১৫ হাজার মার্কিন ডলার করে পাবেন। জানা গেছে, শেভরন বাংলাদেশের সহায়তায় পরিচালিত এক মাসের একটি ‘সামার স্কুল প্রোগ্রামে’ গত ২০ জুলাই অংশ নেন জেমি। বিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যমের কঠিন এই প্রোগ্রামটি নিজস্ব আগ্রহ, কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সফলভাবে শেষ করেন তিনি। এর পরই শেভরনের সহায়তায় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে তার এই উচ্চশিক্ষার দুয়ার উন্মোচিত হয়।

​জেমির এই অভাবনীয় অর্জনে আনন্দ-উল্লাস ছড়িয়ে পড়েছে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এলাকাবাসীর মধ্যে। জহুর চান বিবি মহিলা কলেজ ও শায়েস্তাগঞ্জ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উল্লাস প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, জেমির এই সাফল্য শুধু শায়েস্তাগঞ্জ বা হবিগঞ্জ নয়, পুরো সিলেট বিভাগের জন্য গৌরবের। জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম লেঞ্জাপাড়া গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোঃ আফজাল আলীর বড় মেয়ে এবং পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মোঃ নোয়াব আলীর ভাতিজী। তার পিতা দাউদনগর বাজার রেলগেইট এলাকায় পান-সিগারেটের দোকান চালিয়ে অনেক কষ্টে পরিবার ও ছেলে-মেয়ের পড়াশোনার খরচ জুগিয়ে আসছেন। পারিবারিক নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও কলেজের অধ্যক্ষ ও কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহায়তায় পড়াশোনা চালিয়ে যান জেমি। জেমির ছোট ভাইও বর্তমানে শায়েস্তাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে অধ্যয়নরত।

​শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই অত্যন্ত মেধাবী জেমি শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিকে উত্তীর্ণ হয়ে শায়েস্তাগঞ্জ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখান থেকে ২০২৩ সালে এসএসসিতে জিপিএ-৫ বা ভালো ফলাফল অর্জন করার পর জহুর চান বিবি মহিলা কলেজে ভর্তি হন। ২০২৫ সালে উক্ত কলেজ থেকে সফলভাবে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ৭৪ লাখ টাকার স্কলারশিপ পেলেন কৃতি শিক্ষার্থী জেমি

Update Time : ১০:০৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণের পথে অনন্য এক সাফল্য অর্জন করেছেন হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের কৃতি শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি। চট্টগ্রাম এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে (এউডব্লিউ) পড়ার জন্য প্রায় ৭৪ লাখ টাকার (৬০ হাজার মার্কিন ডলার) পূর্ণাঙ্গ স্কলারশিপ পেয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটির পরিচালক মৌরি রহমানের স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে জেমিকে এ স্কলারশিপের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। চার বছর মেয়াদি এ বৃত্তির আওতায় তিনি প্রতি বছর ১৫ হাজার মার্কিন ডলার করে পাবেন। জানা গেছে, শেভরন বাংলাদেশের সহায়তায় পরিচালিত এক মাসের একটি ‘সামার স্কুল প্রোগ্রামে’ গত ২০ জুলাই অংশ নেন জেমি। বিজ্ঞানভিত্তিক ইংরেজি মাধ্যমের কঠিন এই প্রোগ্রামটি নিজস্ব আগ্রহ, কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সফলভাবে শেষ করেন তিনি। এর পরই শেভরনের সহায়তায় এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে তার এই উচ্চশিক্ষার দুয়ার উন্মোচিত হয়।

​জেমির এই অভাবনীয় অর্জনে আনন্দ-উল্লাস ছড়িয়ে পড়েছে তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এলাকাবাসীর মধ্যে। জহুর চান বিবি মহিলা কলেজ ও শায়েস্তাগঞ্জ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উল্লাস প্রকাশ করেছেন। তারা জানান, জেমির এই সাফল্য শুধু শায়েস্তাগঞ্জ বা হবিগঞ্জ নয়, পুরো সিলেট বিভাগের জন্য গৌরবের। জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম লেঞ্জাপাড়া গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোঃ আফজাল আলীর বড় মেয়ে এবং পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মোঃ নোয়াব আলীর ভাতিজী। তার পিতা দাউদনগর বাজার রেলগেইট এলাকায় পান-সিগারেটের দোকান চালিয়ে অনেক কষ্টে পরিবার ও ছেলে-মেয়ের পড়াশোনার খরচ জুগিয়ে আসছেন। পারিবারিক নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও কলেজের অধ্যক্ষ ও কর্তৃপক্ষের সার্বিক সহায়তায় পড়াশোনা চালিয়ে যান জেমি। জেমির ছোট ভাইও বর্তমানে শায়েস্তাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে অধ্যয়নরত।

​শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই অত্যন্ত মেধাবী জেমি শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিকে উত্তীর্ণ হয়ে শায়েস্তাগঞ্জ বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখান থেকে ২০২৩ সালে এসএসসিতে জিপিএ-৫ বা ভালো ফলাফল অর্জন করার পর জহুর চান বিবি মহিলা কলেজে ভর্তি হন। ২০২৫ সালে উক্ত কলেজ থেকে সফলভাবে এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ