মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সমীপে সৈয়দ মবনুর খোলা চিঠি: বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সমস্যার স্থিতিশীল সমাধান চাই
- Update Time : ০৬:৪৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
- / ৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
প্রাপক:
জনাব তারেক রহমান
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
বিষয়: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন ও টেকসই উন্নয়নের আবেদন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আমি আপনার পরিচালিত বাংলাদেশ রাষ্ট্রের একজন অতি সাধারণ নাগরিক। পেশায়—’পাথর ভাঙা জানি না বলে কস্তুরি খুঁজিয়া দিন কাটাই’; অর্থাৎ লেখালেখি করি। এর আগে গত ২০ মার্চ ২০২৬ তারিখে আপনার উদ্দেশে ‘নদী-মাতৃক বাংলাদেশের জলব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন ও টেকসই উন্নয়নের আবেদন’ শিরোনামে একটি পত্র লিখেছিলাম। এটি আমার দ্বিতীয় পত্র।
আমরা জানি, হয়তো এ চিঠিও আপনার কাছে পৌঁছবে না। অতীতেও পৌঁছেনি। এমন কি ডিসি মহুদয়ের কাছে স্মারকলিপি আকারে দিলেও পৌঁছে না। কিন্তু হযরত ইউসুফ (আ.)-কে যখন মিসরের আজিজের কাছে বিক্রির জন্য তোলা হয়েছিল, তখন একজন বৃদ্ধা নারীও তাঁকে কেনার আশায় সেখানে গিয়েছিলেন। তিনি জানতেন, ইউসুফ (আ.)-কে কেনার সামর্থ্য তাঁর নেই; তবু তিনি ক্রেতাদের তালিকায় নিজের নামটি লিখিয়েছিলেন। আমিও সেই বৃদ্ধার মতো—নিজের সামর্থ্যের সীমা জেনেও রাষ্ট্রের প্রয়োজনের সময়ে একজন নাগরিক হিসেবে নিজের কথাটি জানিয়ে যেতে চাই।
আমার আজকের বিষয় বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা।
বিদ্যুৎ সংকটকে শুধু ‘উৎপাদন কম’ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে না।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
স্থিতিশীল বাংলাদেশ চাইলে বিদ্যুৎ সমস্যারও একটি স্থিতিশীল সমাধান প্রয়োজন। যেকোনো সরকারের বিরোধিতা করা সহজ; কিন্তু রাষ্ট্রের একটি সমস্যার সমাধানে সহযোগিতামূলক চিন্তা উপস্থাপন করা সহজ নয়। সরকার ও জনগণের যৌথ উদ্যোগ ছাড়া কোনো রাষ্ট্রই দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল হতে পারে না।
বাংলাদেশে বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটকে শুধু ‘বিদ্যুৎ উৎপাদন কম’ বলে ব্যাখ্যা করলে পুরো চিত্রটি ধরা পড়বে না। আমার পাঠ ও পর্যবেক্ষণে মনে হয়েছে, আমাদের বড় সমস্যা হলো—বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত জ্বালানি, বিশেষ করে গ্যাসের অভাবে সেই সক্ষমতার একটি বড় অংশ সবসময় কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে LNG ও অন্যান্য জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, পুরোনো অবকাঠামো, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, দ্রুত বাড়তে থাকা চাহিদা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার দুর্বলতা।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি বড় অংশ গ্যাসভিত্তিক। ফলে গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিলে একসঙ্গে বহু বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন কমে যায় বা বন্ধ হয়ে যায়। দেশীয় গ্যাসের মজুত ও উৎপাদন কমে যাওয়ার সঙ্গে LNG আমদানির প্রয়োজনও বাড়ছে। এতে আমাদের বিদ্যুৎ নিরাপত্তা ক্রমশ আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার ও বৈদেশিক মুদ্রার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে।
অর্থাৎ, কাগজে-কলমে উৎপাদনক্ষমতা আর বাস্তবে উৎপাদন—দুই জিনিস এক নয়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
চাহিদা ব্যবস্থাপনাও জরুরি। বিদ্যুৎ সংকটের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো অতিরিক্ত চাহিদা। গ্রীষ্ম ও তাপপ্রবাহের সময়ে AC, ফ্যান, সেচ, শিল্পকারখানা ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রের ব্যবহার দ্রুত বেড়ে যায়। ফলে peak hour-এ বিদ্যুতের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়।
এক্ষেত্রে শুধু উৎপাদন বাড়ানোর দিকে তাকিয়ে থাকলে হবে না; বিদ্যুতের চাহিদা ব্যবস্থাপনাও করতে হবে।
আমি ইংল্যান্ডে থাকার সময় দেখেছি, সেখানে সময়ভিত্তিক ব্যবসা পরিচালনা, অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা নিয়ন্ত্রণ এবং energy efficiency-এর ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়। বাংলাদেশেও আমাদের নিজস্ব বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যবসা, বিপণিবিতান, অনুষ্ঠান ও অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জার ক্ষেত্রে সময়ভিত্তিক ও বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করা যেতে পারে।
বিশেষ করে সংকটের সময়ে রাত গভীর পর্যন্ত অপ্রয়োজনীয়ভাবে বিপুল পরিমাণ আলো জ্বালিয়ে রাখা, বাণিজ্যিক স্থাপনায় বিদ্যুতের অপচয় এবং অতিরিক্ত আলোকসজ্জা নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
স্কুল, কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিয়ে নিয়মিত সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা যেতে পারে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থাও সংস্কার করতে হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন করলেই সমস্যার সমাধান হয় না। উৎপাদিত বিদ্যুৎ নির্ভরযোগ্যভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পৌঁছে দিতে শক্তিশালী সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা প্রয়োজন।
তাই জাতীয় গ্রিড আধুনিকীকরণ, পুরোনো লাইন ও সাবস্টেশন উন্নয়ন, smart grid, smart meter, prepaid meter এবং উন্নত load management-এর দিকে যেতে হবে।
বিদ্যুৎ চুরি ও system loss কমানোও একই সঙ্গে জরুরি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
সমস্যার তালিকা তৈরি করা সহজ, প্রশ্ন হল—সমাধান কী?
আমি বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞ নই। কিন্তু একজন নাগরিক হিসেবে যতটুকু পড়েছি ও বুঝেছি, তাতে মনে হয় এই সংকটের সমাধানকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে।
প্রথম ধাপ: জরুরি সমাধান — সময় আগামী ৬ থেকে ১২ মাস
১. গ্যাস সরবরাহে অগ্রাধিকার নির্ধারণ
গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে এমন বিদ্যুৎকেন্দ্রকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত, যেগুলো তুলনামূলকভাবে বেশি দক্ষ, কম ব্যয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে এবং জাতীয় গ্রিডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
২. LNG আমদানি, কিন্তু অতিরিক্ত spot market-নির্ভরতা নয়
দেশীয় গ্যাসের ঘাটতি মোকাবিলায় LNG আমদানি প্রয়োজন। কিন্তু শুধু spot market-এর ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করা ঝুঁকিপূর্ণ। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি, সরবরাহকারীর বৈচিত্র্য, প্রয়োজনমতো স্বল্পমেয়াদি ক্রয় এবং পর্যাপ্ত payment security—সব মিলিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ আমদানি কৌশল প্রয়োজন।
৩. অচল ও রক্ষণাবেক্ষণে থাকা কেন্দ্র দ্রুত সচল করা
নতুন কেন্দ্র নির্মাণের আগে কোন বিদ্যুৎকেন্দ্র কী কারণে বন্ধ আছে—তার পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন করা দরকার। যেসব কেন্দ্র দ্রুত ও যুক্তিসংগত ব্যয়ে সচল করা সম্ভব, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
৪. আঞ্চলিক বিদ্যুৎ আমদানি বাড়ানো
ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বিদ্যুৎ সহযোগিতা ও আন্তঃসংযোগ বাড়ানোর সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। স্বল্পমেয়াদে আমদানিকৃত বিদ্যুৎ অনেক সময় নতুন কেন্দ্র নির্মাণের তুলনায় দ্রুত সমাধান দিতে পারে।
৫. জরুরি demand management
তাপপ্রবাহ ও peak demand-এর সময়ে অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা, বাণিজ্যিক স্থাপনার অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার এবং অপচয় কমাতে সাময়িক ও অঞ্চলভিত্তিক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
দ্বিতীয় ধাপ: মধ্যমেয়াদি সমাধান — ২ থেকে ৫ বছর
১. দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানো
নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান, পুরোনো ক্ষেত্রের উৎপাদন বাড়ানো এবং গ্যাস সঞ্চালন অবকাঠামো উন্নত করা জরুরি।
২. সৌরবিদ্যুতের ব্যাপক সম্প্রসারণ
বাংলাদেশের বড় একটি সম্ভাবনা হলো rooftop solar। শিল্পকারখানা, গার্মেন্টস ও টেক্সটাইল কারখানা, সরকারি ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বড় বাণিজ্যিক ভবন ও সেচপাম্পে distributed solar ব্যাপকভাবে বাড়ানো যেতে পারে।
৩. Battery Energy Storage System—BESS
শুধু solar panel বসালেই হবে না। দিনের অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ ব্যাটারিতে সংরক্ষণ করে সন্ধ্যার peak hour-এ ব্যবহার করা গেলে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমানো সম্ভব।
৪. শিল্পখাতে rooftop solar উৎসাহিত করা
বড় শিল্প ও বাণিজ্যিক ভবনের জন্য rooftop solar-এর বাধ্যতামূলক ব্যবহার বা কর-সুবিধা, ঋণসুবিধা ও অন্যান্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
৫. গ্রিড আধুনিকীকরণ
নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করতে হলে সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থাকে একই সঙ্গে আধুনিক করতে হবে।
তৃতীয় ধাপ: দীর্ঘমেয়াদি সমাধান — ৫ থেকে ১০ বছর
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
বাংলাদেশের বিদ্যুৎনীতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনটি এখানে প্রয়োজন।
আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত না—“আরও বেশি বিদ্যুৎকেন্দ্র”।
আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত—“আরও নির্ভরযোগ্য, সাশ্রয়ী ও বৈচিত্র্যময় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।”
অর্থাৎ—
দেশীয় গ্যাস + LNG + সৌর ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য শক্তি + আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্য + energy storage + আধুনিক গ্রিড = জ্বালানি ও বিদ্যুৎ নিরাপত্তা।
কোনো একটি জ্বালানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হওয়া বাংলাদেশের জন্য নিরাপদ নয়।
বিশেষ করে আবার যদি সংকট দেখা দিলেই শুধু নতুন নতুন তেল, গ্যাস বা কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের দিকে ছুটে যাই, তাহলে কয়েক বছর পর আবার একই সমস্যার মুখোমুখি হতে হতে পারে। কারণ বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে, কিন্তু জ্বালানি কেনার মতো অর্থ কিংবা নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নাও থাকতে পারে।
আমার বিনীত নাগরিক প্রস্তাব
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
সব কথা সংক্ষেপ করে আমার প্রস্তাবগুলো এভাবে বলা যায়—
১. গ্যাস সরবরাহে দক্ষ ও গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রকে অগ্রাধিকার দেওয়া।
২. LNG আমদানি করা, তবে spot market-নির্ভরতা কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদি ও বৈচিত্র্যময় সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলা।
৩. বন্ধ ও অদক্ষতার কারণে উৎপাদনহীন কেন্দ্রগুলোর দ্রুত মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার।
৪. ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্য সম্প্রসারণ।
৫. দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া।
৬. Rooftop solar ও utility-scale renewable energy দ্রুত সম্প্রসারণ।
৭. BESS ও অন্যান্য energy storage ব্যবস্থায় বিনিয়োগ।
৮. জাতীয় গ্রিড, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ।
৯. Smart meter, prepaid meter ও digital load management চালু করা।
১০. বিদ্যুৎ অপচয়, চুরি ও system loss কমাতে কঠোর ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা গ্রহণ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান শুধু উৎপাদন বাড়ানোর মধ্যে নেই। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে জ্বালানি নিরাপত্তা, বৈদেশিক মুদ্রা, নবায়নযোগ্য শক্তি, সঞ্চালন ও বিতরণব্যবস্থা, আঞ্চলিক সহযোগিতা, প্রযুক্তি এবং সুশাসন।
আমাদের এমন একটি বিদ্যুৎব্যবস্থা প্রয়োজন, যেখানে একটি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন কমে গেলে পুরো দেশ অন্ধকারে যাবে না; LNG-এর আন্তর্জাতিক মূল্য বেড়ে গেলে অর্থনীতি বিপর্যস্ত হবে না; কোনো একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হলে জাতীয় গ্রিড অচল হয়ে পড়বে না।
অর্থাৎ আমাদের প্রয়োজন resilient power system—যে ব্যবস্থা সংকটের মধ্যেও টিকে থাকতে পারে।
আমি জানি, আমি বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞ নই। রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বও আমার নয়। আমি শুধু একজন সাধারণ নাগরিক, যে নিজের দেশকে নিয়ে ভাবতে চায় এবং নিজের সামান্য জ্ঞানটুকু রাষ্ট্রের কাজে লাগাতে চায়।
হযরত ইউসুফ (আ.)-এর সেই বৃদ্ধা নারীর মতো আমারও হয়তো রাষ্ট্রের বড় কোনো সমস্যার সমাধান কেনার সামর্থ্য নেই। তবু নাগরিক হিসেবে আমার নামটুকু দায়িত্বশীল মানুষের তালিকায় লিখিয়ে রাখতে চাই।
আমার এই কথাগুলো আপনার কাছে পৌঁছালে এবং এর কোনো একটি কথাও যদি রাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণে সামান্য উপকারে আসে, তাহলেই এই চিঠি লেখা সার্থক হবে।
বিনীত
সৈয়দ মবনু
নাগরিক ও লেখক
তারিখ: ১৯ আগস্ট ২০২৬




























