০৬:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এতিম ছাত্রীদের জন্য নতুন প্রকল্প ‘ইভলভ’

  • Update Time : ০২:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুবিধাবঞ্চিত ও এতিম মেয়ে শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের নতুন প্রকল্প ‘ইভলভ’-এর অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায়। ‘ইম্পাওয়ারিং ভালনারেবল এন্ড অর্ফান্ড গার্লস বাই লেভারেজিং এডুকেশন’ শীর্ষক এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলার ৩০০ এতিম ও অসহায় মেধাবী ছাত্রীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা হবে। দিরাই উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সনজীব সরকার। সভায় প্রকল্পের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের দিরাই উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। তিনি জানান, ১৯৯১ সাল থেকে ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় দিরাই উপজেলার ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩০০ জন এতিম ও অসহায় মেয়ে শিক্ষার্থীর বিকাশ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো মাধ্যমিক শিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করা, ঝরে পড়া রোধ এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা। লক্ষ্য অর্জনে প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোতে আইসিটি ল্যাব উন্নয়ন, মিনি লাইব্রেরি স্থাপন, ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান এবং তাদের পরিবারকে আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকাণ্ডে (IGA) সহায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়া জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কমিউনিটি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার ইসলামিক রিলিফের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে বাল্যবিবাহ এবং মাধ্যমিক পর্যায় থেকে মেয়েদের ঝরে পড়ার হার রোধে এ ধরনের সমন্বিত পদক্ষেপ অত্যন্ত সময়োপযোগী। প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতে হবে।

ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের ওসিআরপি প্রকল্পের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর শামীম ইউসুফের উপস্থিতিতে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দিরাইয়ের পিছিয়ে পড়া নারী শিক্ষা ও নারী ক্ষমতায়নে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

এতিম ছাত্রীদের জন্য নতুন প্রকল্প ‘ইভলভ’

Update Time : ০২:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুবিধাবঞ্চিত ও এতিম মেয়ে শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সুরক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের নতুন প্রকল্প ‘ইভলভ’-এর অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায়। ‘ইম্পাওয়ারিং ভালনারেবল এন্ড অর্ফান্ড গার্লস বাই লেভারেজিং এডুকেশন’ শীর্ষক এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপজেলার ৩০০ এতিম ও অসহায় মেধাবী ছাত্রীর জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা হবে। দিরাই উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এই অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সনজীব সরকার। সভায় প্রকল্পের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের দিরাই উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন। তিনি জানান, ১৯৯১ সাল থেকে ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় দিরাই উপজেলার ১০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৩০০ জন এতিম ও অসহায় মেয়ে শিক্ষার্থীর বিকাশ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো মাধ্যমিক শিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণের সুযোগ বৃদ্ধি করা, ঝরে পড়া রোধ এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা। লক্ষ্য অর্জনে প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোতে আইসিটি ল্যাব উন্নয়ন, মিনি লাইব্রেরি স্থাপন, ছাত্রীদের উপবৃত্তি প্রদান এবং তাদের পরিবারকে আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকাণ্ডে (IGA) সহায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়া জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কমিউনিটি পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সনজীব সরকার ইসলামিক রিলিফের এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে বাল্যবিবাহ এবং মাধ্যমিক পর্যায় থেকে মেয়েদের ঝরে পড়ার হার রোধে এ ধরনের সমন্বিত পদক্ষেপ অত্যন্ত সময়োপযোগী। প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করতে হবে।

ইসলামিক রিলিফ বাংলাদেশের ওসিআরপি প্রকল্পের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর শামীম ইউসুফের উপস্থিতিতে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দিরাইয়ের পিছিয়ে পড়া নারী শিক্ষা ও নারী ক্ষমতায়নে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ