০৮:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কওমি আলেমদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে যা বললেন সেই হেফাজত নেতা

  • Update Time : ০৩:২৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট ২০২২
  • / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডগুলোর নেতাদের বৈঠক যাদের কারণে স্থগিত হলো তারা কওমি মাদ্রাসার উন্নতি চায় না বলে দাবি করেছেন হেফাজতের নায়েবে আমীর ও গাজীপুরের দেওনার পীর অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী। তার মতে, বৈঠকটি স্থগিত না হলে দেশের কওমি মাদ্রাসার মানোন্নয়নে অনেক যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত আসত। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা বোর্ডগুলোর সঙ্গে ১০ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক স্থগিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সোমবার রাতে যুগান্তরকে এসব কথা বলেন তিনি। অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডগুলোর নেতাদের বৈঠক যাদের কারণে স্থগিত হল তারা কওমি মাদ্রাসার উন্নতি চায় না। বৈঠকটি স্থগিত না হলে দেশের কওমি মাদ্রাসার মানোন্নয়নে অনেক যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত আসত। যেসব আলেম তথা যারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেওয়া চিঠিকে এখতিয়ার বহির্ভূত বলছে তারাই মূলত দেশের কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষার উন্নয়ন চায় না। যাদের কারণে এই বৈঠকটি স্থগিত হলো, তারা কওমি মাদ্রাসার উন্নতি সহ্য করতে পারে না। তবে আমি কওমি ধারার দ্বীনি শিক্ষা ও শিক্ষকের মান উন্নয়নকল্পে কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠানোর আগে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন কি না, জানতে চাইলে মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমি জানি, এসব অনেকেই বিরোধিতা করবে, বিশেষ করে আমার অঙ্গনের (কওমি) মানুষরাই আগে করবে। তবে তাদের কাছে আমার প্রশ্ন এতদিন তারা কোথায় ছিল। হেফাজতের অনুষ্ঠিত সব বৈঠকে এ বিষয় তো আলোচনা হয়েছে। তবে আমি বেফাক কিংবা হাইআতুল উলয়ার কোনো কমিটিতে নেই। যে কারণে তাদের কাছে উপস্থাপনের সুযোগ পাইনি। কিন্তু আমার কাছে তথ্য আছে বেফাক এবং হাইআতুল উলয়ারও বিভিন্ন সময় অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে পেশ আমার ৮টি দাবি সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। ক্ষোভ প্রকাশ করে এ হেফাজত নেতা আরও বলেন, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের উদ্যোগে ‘মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গঠিত গণকমিশন’ দেশের এক হাজার মাদ্রাসার ১১৬ আলেম ও ইসলামী বক্তার একটি তালিকা গত ১১ মে দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা দিয়েছেল। শুধু তাই নয়, তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়ন এবং ওয়াজের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করা ও ধর্মের নামে ব্যবসার অভিযোগ এনেছিল গণকমিশন। তারা ‘বাংলাদেশে মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের ২০০০ দিন’ শীর্ষক শ্বেতপত্রও প্রকাশ করেছিল। ওই সময় আমাদের হেফাজত-কওমী আলেকরা কি করেছিল? বরং দেশের কওমী মাদ্রাসার মানোন্নয়নকল্পে ৮টি দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি প্রেরণ করেছি বলে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড (বেফাক) কর্তৃপক্ষ আমার মাদ্রাসার (মাদ্রাসা দাওয়াতুল হক দেওনা কাপাসিয়া গাজীপুর মাদ্রাসার) নিবন্ধন সাময়িক স্থগিত করে দিয়েছে। এদিকে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে কওমি মাদ্রাসার মানোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি পাঠানোয় হেফাজতের নায়েবে আমীর ও গাজীপুরের দেওনার পীর অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরীর মাদ্রাসার নিবন্ধন সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। রোববার কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের খাস কমিটির এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এর আগে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকেও তার এ চিঠির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করা হয়। জানতে চাইলে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সহ সভাপতি ও আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিআ’তিল কওমিয়ার সদস্য মাওলানা মুছলেহ উদ্দিন গহরপুরী বলেন, বেফাকের সংবিধান অনুয়ায়ী শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে গতকাল খাস কমিটির মিটিংয়ে ‘মাদ্রাসা দাওয়াতুল হক দেওনা কাপাসিয়া গাজীপুর’ মাদ্রাসার নিবন্ধন সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি

 

প্রসঙ্গত, কওমি মাদ্রাসার মানোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি লিখেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির ও গাজীপুরের দেওনার পীর অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী। হেফাজত নেতার এ চিঠি আমলে নিয়ে করণীয় নির্ধারণে সভা ডাকা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। এ নিয়ে কওমি মাদ্রাসার আলেমদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়। জানা যায়, গত ২৫ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি চিঠি দেন হেফাজতের নেতা অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী। ‘কওমি ধারার দ্বীনি শিক্ষা ও শিক্ষকের মানোন্নয়নকল্পে সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ’ শীর্ষক চিঠিতে মিজানুর রহমান আটটি সুপারিশ করেন। এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কওমি মাদ্রাসার বোর্ডপ্রধানদের একটি বৈঠকের আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়। এর পরই বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় কওমি আলেমদের মধ্যে। পরে আপত্তির মুখে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা বোর্ডগুলোর সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত ১০ আগস্টের বৈঠক স্থগিত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার মন্ত্রণালয়ের পক্ষে উপসচিব শামীম হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার সকালে অনুষ্ঠেয় সভাটি অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হলো।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

কওমি আলেমদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে যা বললেন সেই হেফাজত নেতা

Update Time : ০৩:২৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ আগস্ট ২০২২

ডেস্ক রিপোর্ট :: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডগুলোর নেতাদের বৈঠক যাদের কারণে স্থগিত হলো তারা কওমি মাদ্রাসার উন্নতি চায় না বলে দাবি করেছেন হেফাজতের নায়েবে আমীর ও গাজীপুরের দেওনার পীর অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী। তার মতে, বৈঠকটি স্থগিত না হলে দেশের কওমি মাদ্রাসার মানোন্নয়নে অনেক যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত আসত। কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা বোর্ডগুলোর সঙ্গে ১০ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক স্থগিত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সোমবার রাতে যুগান্তরকে এসব কথা বলেন তিনি। অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডগুলোর নেতাদের বৈঠক যাদের কারণে স্থগিত হল তারা কওমি মাদ্রাসার উন্নতি চায় না। বৈঠকটি স্থগিত না হলে দেশের কওমি মাদ্রাসার মানোন্নয়নে অনেক যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত আসত। যেসব আলেম তথা যারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেওয়া চিঠিকে এখতিয়ার বহির্ভূত বলছে তারাই মূলত দেশের কওমি মাদ্রাসায় শিক্ষার উন্নয়ন চায় না। যাদের কারণে এই বৈঠকটি স্থগিত হলো, তারা কওমি মাদ্রাসার উন্নতি সহ্য করতে পারে না। তবে আমি কওমি ধারার দ্বীনি শিক্ষা ও শিক্ষকের মান উন্নয়নকল্পে কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠানোর আগে হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন কি না, জানতে চাইলে মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, আমি জানি, এসব অনেকেই বিরোধিতা করবে, বিশেষ করে আমার অঙ্গনের (কওমি) মানুষরাই আগে করবে। তবে তাদের কাছে আমার প্রশ্ন এতদিন তারা কোথায় ছিল। হেফাজতের অনুষ্ঠিত সব বৈঠকে এ বিষয় তো আলোচনা হয়েছে। তবে আমি বেফাক কিংবা হাইআতুল উলয়ার কোনো কমিটিতে নেই। যে কারণে তাদের কাছে উপস্থাপনের সুযোগ পাইনি। কিন্তু আমার কাছে তথ্য আছে বেফাক এবং হাইআতুল উলয়ারও বিভিন্ন সময় অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীকে পেশ আমার ৮টি দাবি সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। ক্ষোভ প্রকাশ করে এ হেফাজত নেতা আরও বলেন, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ও সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের উদ্যোগে ‘মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস তদন্তে গঠিত গণকমিশন’ দেশের এক হাজার মাদ্রাসার ১১৬ আলেম ও ইসলামী বক্তার একটি তালিকা গত ১১ মে দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা দিয়েছেল। শুধু তাই নয়, তালিকায় স্থান পাওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জঙ্গি অর্থায়ন এবং ওয়াজের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করা ও ধর্মের নামে ব্যবসার অভিযোগ এনেছিল গণকমিশন। তারা ‘বাংলাদেশে মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের ২০০০ দিন’ শীর্ষক শ্বেতপত্রও প্রকাশ করেছিল। ওই সময় আমাদের হেফাজত-কওমী আলেকরা কি করেছিল? বরং দেশের কওমী মাদ্রাসার মানোন্নয়নকল্পে ৮টি দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি প্রেরণ করেছি বলে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড (বেফাক) কর্তৃপক্ষ আমার মাদ্রাসার (মাদ্রাসা দাওয়াতুল হক দেওনা কাপাসিয়া গাজীপুর মাদ্রাসার) নিবন্ধন সাময়িক স্থগিত করে দিয়েছে। এদিকে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে কওমি মাদ্রাসার মানোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি পাঠানোয় হেফাজতের নায়েবে আমীর ও গাজীপুরের দেওনার পীর অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরীর মাদ্রাসার নিবন্ধন সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। রোববার কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের খাস কমিটির এক জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানা গেছে। এর আগে হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকেও তার এ চিঠির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করা হয়। জানতে চাইলে কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সহ সভাপতি ও আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিআ’তিল কওমিয়ার সদস্য মাওলানা মুছলেহ উদ্দিন গহরপুরী বলেন, বেফাকের সংবিধান অনুয়ায়ী শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে গতকাল খাস কমিটির মিটিংয়ে ‘মাদ্রাসা দাওয়াতুল হক দেওনা কাপাসিয়া গাজীপুর’ মাদ্রাসার নিবন্ধন সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি

 

প্রসঙ্গত, কওমি মাদ্রাসার মানোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী বরাবর চিঠি লিখেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির ও গাজীপুরের দেওনার পীর অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী। হেফাজত নেতার এ চিঠি আমলে নিয়ে করণীয় নির্ধারণে সভা ডাকা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। এ নিয়ে কওমি মাদ্রাসার আলেমদের মধ্যে তোলপাড় শুরু হয়। জানা যায়, গত ২৫ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে একটি চিঠি দেন হেফাজতের নেতা অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী। ‘কওমি ধারার দ্বীনি শিক্ষা ও শিক্ষকের মানোন্নয়নকল্পে সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ’ শীর্ষক চিঠিতে মিজানুর রহমান আটটি সুপারিশ করেন। এ চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ৪ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে কওমি মাদ্রাসার বোর্ডপ্রধানদের একটি বৈঠকের আমন্ত্রণ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়। এর পরই বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয় কওমি আলেমদের মধ্যে। পরে আপত্তির মুখে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা বোর্ডগুলোর সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত ১০ আগস্টের বৈঠক স্থগিত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সোমবার মন্ত্রণালয়ের পক্ষে উপসচিব শামীম হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবার সকালে অনুষ্ঠেয় সভাটি অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হলো।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ