০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনবান্ধব প্রশাসনের বার্তা নিয়ে ফিরছেন ডিসিরা

  • Update Time : ০১:৩১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
  • / ৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গত ৩ মে শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন বুধবার (৬ মে) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত এই প্রথম সম্মেলনে সরকারের নীতিনির্ধারকরা ডিসিদের দেওয়া ৪৯৮টি প্রস্তাব নিয়ে মোট ৩৪টি অধিবেশনে বিস্তারিত আলোচনা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি ত্বরান্বিত করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, গায়েবি মামলা প্রত্যাহার এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনকে আরও কার্যকর, জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক করার একগুচ্ছ বার্তা নিয়ে নিজ নিজ জেলায় ফিরছেন জেলা প্রশাসকরা। ডিসি সম্মেলনের প্রথম দুই দিনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে সংস্কৃতি, পর্যটন, অর্থনীতি, কৃষি ও শিল্পসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতের উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সংস্কৃতি রক্ষায় প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণ, রাজবাড়ি সংস্কার এবং নতুন শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মাণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পর্যটন খাতের প্রসারে কক্সবাজারসহ পর্যটন কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নতুন হোটেল-মোটেল নির্মাণ এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জনবান্ধব প্রশাসনের বার্তা নিয়ে ফিরছেন ডিসিরা

Update Time : ০১:৩১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

ডেস্ক রিপোর্ট :: রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গত ৩ মে শুরু হওয়া চার দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলন বুধবার (৬ মে) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত এই প্রথম সম্মেলনে সরকারের নীতিনির্ধারকরা ডিসিদের দেওয়া ৪৯৮টি প্রস্তাব নিয়ে মোট ৩৪টি অধিবেশনে বিস্তারিত আলোচনা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের গতি ত্বরান্বিত করা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, গায়েবি মামলা প্রত্যাহার এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে মাঠ প্রশাসনকে আরও কার্যকর, জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক করার একগুচ্ছ বার্তা নিয়ে নিজ নিজ জেলায় ফিরছেন জেলা প্রশাসকরা। ডিসি সম্মেলনের প্রথম দুই দিনে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অধীনে সংস্কৃতি, পর্যটন, অর্থনীতি, কৃষি ও শিল্পসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতের উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সংস্কৃতি রক্ষায় প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন সংরক্ষণ, রাজবাড়ি সংস্কার এবং নতুন শিল্পকলা একাডেমি ভবন নির্মাণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। পর্যটন খাতের প্রসারে কক্সবাজারসহ পর্যটন কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, নতুন হোটেল-মোটেল নির্মাণ এবং সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ