০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওসমানীনগরে কৃষকদের তালিকা পাচ্ছেন না সাংবাদিকরা!

  • Update Time : ০১:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ আগস্ট ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কবির আহমদ, ওসমানীনগর :: সিলেটের ওসমানীনগরে সরকারি উদ্যোগে ধান সংগ্রহে কৃষকদের তালিকা নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে লুকোচুরি করা হচ্ছে। কয়েকদিন ধরে কৃষি অফিস এবং খাদ্যগুদাম ঘুরেও কৃষকদের তালিকা পাচ্ছেন না উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।

তালিকা চাইলে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ও খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলছেন কৃষি অফিসের কথা। অন্যদিকে কৃষি অফিস বলছে খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার কথা। এতে তথ্য সহযোগীতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার সাংবাদিকরা। সম্প্রতি উপজেলার কিছু কৃষক ধান বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সাংবাদিকদের দ্বারস্থ হন। কিন্তু তথ্য অনুসন্ধানের জন্য সাংবাদিকরা একাধিকবার উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মূর্শেদা বেগম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জসিম উদ্দীন এবং উপজেলা কৃষিকর্মর্তা রমজান আলীর সাথে যোগাযোগ করে কৃষকদের তালিকা পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা তালিকা দিতে তারা একে অন্যের দোহাই দিচ্ছেন। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জসীম উদ্দীন বলেন, কৃষকদের তালিকা কৃষি অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে । তারা কৃষকদের তালিকা তৈরি করেছে। তাজপুর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  মূর্শেদা বেগম বলেন, তালিকা কৃষি অফিস থেকেই নিতে হবে। আমার দাতে প্রচন্ড ব্যথা, কথা বলতে পারব না।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রমজান আলী বলেন, কৃষকদের তালিকা আমরা তৈরি করে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে দিয়েছি তাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। অনেক সাংবাদিক আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। খাদ্য নিয়ন্ত্রক তালিকা নিয়ে এমন করছেন কেন বুঝে উঠতে পারছি না।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ওসমানীনগরে কৃষকদের তালিকা পাচ্ছেন না সাংবাদিকরা!

Update Time : ০১:৩৬:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ আগস্ট ২০১৯

কবির আহমদ, ওসমানীনগর :: সিলেটের ওসমানীনগরে সরকারি উদ্যোগে ধান সংগ্রহে কৃষকদের তালিকা নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে লুকোচুরি করা হচ্ছে। কয়েকদিন ধরে কৃষি অফিস এবং খাদ্যগুদাম ঘুরেও কৃষকদের তালিকা পাচ্ছেন না উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকরা।

তালিকা চাইলে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা ও খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলছেন কৃষি অফিসের কথা। অন্যদিকে কৃষি অফিস বলছে খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তার কথা। এতে তথ্য সহযোগীতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার সাংবাদিকরা। সম্প্রতি উপজেলার কিছু কৃষক ধান বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সাংবাদিকদের দ্বারস্থ হন। কিন্তু তথ্য অনুসন্ধানের জন্য সাংবাদিকরা একাধিকবার উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মূর্শেদা বেগম, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জসিম উদ্দীন এবং উপজেলা কৃষিকর্মর্তা রমজান আলীর সাথে যোগাযোগ করে কৃষকদের তালিকা পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা তালিকা দিতে তারা একে অন্যের দোহাই দিচ্ছেন। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জসীম উদ্দীন বলেন, কৃষকদের তালিকা কৃষি অফিস থেকে সংগ্রহ করতে হবে । তারা কৃষকদের তালিকা তৈরি করেছে। তাজপুর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  মূর্শেদা বেগম বলেন, তালিকা কৃষি অফিস থেকেই নিতে হবে। আমার দাতে প্রচন্ড ব্যথা, কথা বলতে পারব না।

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রমজান আলী বলেন, কৃষকদের তালিকা আমরা তৈরি করে খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে দিয়েছি তাদের কাছ থেকে সংগ্রহ করতে হবে। অনেক সাংবাদিক আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন। খাদ্য নিয়ন্ত্রক তালিকা নিয়ে এমন করছেন কেন বুঝে উঠতে পারছি না।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ