০৪:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইহরামের কাপড় গায়ে শাহজালালের মাজারে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত

  • Update Time : ০১:৩৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

আতিকুর রহমান নগরী :: ইহরামের কাপড় গায়ে দিয়ে সিলেটের হজরত শাহজালাল (রাহ.) এর বার্ষিক উরুস অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলেম-উলামাসহ সাধারণ মুসলমানরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
শনিবার কোন এক সময় শাহজালাল মাজারে ইহরামের কাপড় গায়ে দিয়ে মাজার অভিমুখে রওয়ানা হওয়ার দৃশ্যটি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। এসব ভক্তদের তাওবা করার জন্য আহবান জানিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি সিলেট মহানগর এর সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব বলেছেন, পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র ও মূল্যবান স্থান হল খানায়ে কাবা বা কাবাগৃহ। এই ঘরের চারপাশে তাওয়াফ করেন হাজিরা। ইহরাম এটা হজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অন্য কোথাও ইহরাম এর কাপড় পরিধান করে যাওয়ার হুকুম শরিয়তে নেই। এমনকি সকল মসজিদগুলো কাবার অংশবিশেষ সেখানেও  সাধারণ কাপড় পরিধা৷ করে যাওয়া হয়। তিনি আরোও বলেন, যারা এ কাজ করেছেন তারা শরীয়তের হুকুম এর অমান্য করেছেন। তাদেরকে অবশ্যই তাওবা করতে হবে।
মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব মাজার কর্তৃপক্ষকে সপ্তাহে একদিন হলেও বিজ্ঞ আলেম দিয়ে ইসলামি কনফারেন্স করে ভক্তদের দীক্ষাদানের পরামর্শ প্রদান করেন। এদিকে এই ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান দিতে হবে  মাজার কর্তৃপক্ক্ষকে। অন্যথায় শাহজালের উত্তরসূরী সিলেটবাসীরা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন উল্লেখ করে মাদানী কাফেলা বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সালেহ আহমদ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ইহরামের কাপড় গায়ে শাহজালালের মাজারে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত

Update Time : ০১:৩৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুলাই ২০১৯

আতিকুর রহমান নগরী :: ইহরামের কাপড় গায়ে দিয়ে সিলেটের হজরত শাহজালাল (রাহ.) এর বার্ষিক উরুস অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলেম-উলামাসহ সাধারণ মুসলমানরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
শনিবার কোন এক সময় শাহজালাল মাজারে ইহরামের কাপড় গায়ে দিয়ে মাজার অভিমুখে রওয়ানা হওয়ার দৃশ্যটি ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। এসব ভক্তদের তাওবা করার জন্য আহবান জানিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি সিলেট মহানগর এর সভাপতি মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব বলেছেন, পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র ও মূল্যবান স্থান হল খানায়ে কাবা বা কাবাগৃহ। এই ঘরের চারপাশে তাওয়াফ করেন হাজিরা। ইহরাম এটা হজের অবিচ্ছেদ্য অংশ। অন্য কোথাও ইহরাম এর কাপড় পরিধান করে যাওয়ার হুকুম শরিয়তে নেই। এমনকি সকল মসজিদগুলো কাবার অংশবিশেষ সেখানেও  সাধারণ কাপড় পরিধা৷ করে যাওয়া হয়। তিনি আরোও বলেন, যারা এ কাজ করেছেন তারা শরীয়তের হুকুম এর অমান্য করেছেন। তাদেরকে অবশ্যই তাওবা করতে হবে।
মাওলানা হাবীব আহমদ শিহাব মাজার কর্তৃপক্ষকে সপ্তাহে একদিন হলেও বিজ্ঞ আলেম দিয়ে ইসলামি কনফারেন্স করে ভক্তদের দীক্ষাদানের পরামর্শ প্রদান করেন। এদিকে এই ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান দিতে হবে  মাজার কর্তৃপক্ক্ষকে। অন্যথায় শাহজালের উত্তরসূরী সিলেটবাসীরা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবেন উল্লেখ করে মাদানী কাফেলা বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সালেহ আহমদ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ