১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইবাদত-বন্দেগি কবুলের পূর্বশর্ত হালাল জীবিকা

  • Update Time : ০৫:০৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০১৯
  • / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মোঃ মিজানুর রহমান মিজান :

 

মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। শ্রেষ্ট জীব হিসেবে মুমিন- মুসলমানগণ অধিকতর সৌভাগ্যবান। মুমিন-মুসলমানগণ মহান আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে ইহকাল ও পরকালে সুখ শান্তি লাভের আশায় ইবাদত-বন্দেগি করে থাকেন। শারীরিক ও আর্থিক সব ধরনের ইবাদত-বন্দেগি কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত হলো হালাল জীবিকা। হালালকে গ্রহণ ও হারামকে বর্জনের মধ্যেই রয়েছে মুমিন- মুসলমানের দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতা। তাই আল্লাহর মনোনীত শ্রেষ্ট ধর্ম ইসলাম হালাল উপার্জন ও হালাল খাদ্য গ্রহণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।

 

পবিত্র কোরআনে হালাল খাদ্য গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে মানব জাতি! তোমরা পৃথিবী থেকে হালাল ও পবিত্র খাবার খাও এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করিও না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু’। (সূরা বাকারাহ)
হালাল রিজিক ভক্ষণ ছাড়া আল্লাহ ইবাদত-বন্দেগি কবুল করেন না। এ সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে দেহের গোশত হারাম মালে গঠিত, তা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। হারাম মালে গঠিত দেহের জন্য জাহান্নামই উপযুক্ত জায়গা’।
আমরা যারা নানাভাবে হারামের সঙ্গে জড়িত, আমাদের অবশ্যই কোরআন এবং হাদিসের আলোকে কথাগুলো গভীরভাবে ভেবে দেখতে হবে। হারাম থেকে বেরিয়ে হালালের পথ ধরতে হবে। তা না হলে রাসুল (সা.)-এর ঘোষণা অনুযায়ী জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুন ছাড়া আখেরাতের জীবনে আমাদের আর কিছুই থাকবে না। অতএব ইহকাল ও পরকালে সুখী সমৃদ্ধ জীবন যাপনের জন্য প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের জীবিকা গ্রহণে অধিকতর সচেতন হওয়া উচিত।

লেখকঃ শিক্ষক ও কলামিষ্ট, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ইবাদত-বন্দেগি কবুলের পূর্বশর্ত হালাল জীবিকা

Update Time : ০৫:০৮:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুন ২০১৯

মোঃ মিজানুর রহমান মিজান :

 

মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। শ্রেষ্ট জীব হিসেবে মুমিন- মুসলমানগণ অধিকতর সৌভাগ্যবান। মুমিন-মুসলমানগণ মহান আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে ইহকাল ও পরকালে সুখ শান্তি লাভের আশায় ইবাদত-বন্দেগি করে থাকেন। শারীরিক ও আর্থিক সব ধরনের ইবাদত-বন্দেগি কবুল হওয়ার পূর্বশর্ত হলো হালাল জীবিকা। হালালকে গ্রহণ ও হারামকে বর্জনের মধ্যেই রয়েছে মুমিন- মুসলমানের দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতা। তাই আল্লাহর মনোনীত শ্রেষ্ট ধর্ম ইসলাম হালাল উপার্জন ও হালাল খাদ্য গ্রহণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে।

 

পবিত্র কোরআনে হালাল খাদ্য গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘হে মানব জাতি! তোমরা পৃথিবী থেকে হালাল ও পবিত্র খাবার খাও এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করিও না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু’। (সূরা বাকারাহ)
হালাল রিজিক ভক্ষণ ছাড়া আল্লাহ ইবাদত-বন্দেগি কবুল করেন না। এ সম্পর্কে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে দেহের গোশত হারাম মালে গঠিত, তা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। হারাম মালে গঠিত দেহের জন্য জাহান্নামই উপযুক্ত জায়গা’।
আমরা যারা নানাভাবে হারামের সঙ্গে জড়িত, আমাদের অবশ্যই কোরআন এবং হাদিসের আলোকে কথাগুলো গভীরভাবে ভেবে দেখতে হবে। হারাম থেকে বেরিয়ে হালালের পথ ধরতে হবে। তা না হলে রাসুল (সা.)-এর ঘোষণা অনুযায়ী জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুন ছাড়া আখেরাতের জীবনে আমাদের আর কিছুই থাকবে না। অতএব ইহকাল ও পরকালে সুখী সমৃদ্ধ জীবন যাপনের জন্য প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের জীবিকা গ্রহণে অধিকতর সচেতন হওয়া উচিত।

লেখকঃ শিক্ষক ও কলামিষ্ট, জগন্নাথপুর, সুনামগঞ্জ।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ