০৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ওসমানীনগরে ডাকাতের উপদ্রব জনমনে আতংক

  • Update Time : ০৫:১৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

শাহীন চৌধুরী, ওসমানীনগর :: সিলেটের ওসমানীনগরে শীত আসার সাথে সাথে বিভিন্ন স্থানে ডাকাতের উপদ্রবে জনমনে চরম আতংক বিরাজ করছে। অত্র উপজেলায় চলতি মাসের মধ্যে চারটি গ্রামে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলাবাসী এখন ডাকাত আতংকে ভুগছেন।

 

গত ৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে উপজেলার তাজপুর ইউপির ভাড়েরা গ্রামের ইরা মিয়া, আমিনপুর গ্রামের বাদশা মিয়া, ৭ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউপির পূর্ব ব্রাহ্মণগ্রাম গ্রামের মো. আব্দুল মুমিন ও ১০ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে তাজপুর বাজারস্থ দুলিয়ারবন্দ এলাকার সুহেল মিয়ার বাসায় দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

 

গত ৭ ডিসেম্বর রাতে উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউপির পূর্ব ব্রাহ্মণগ্রাম গ্রামের মো. আব্দুল মুমিনের বাসায় ডাকাতি হয়। এ বিষয়ে গৃহকর্তা আব্দুল মুমিন জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে ৬/৭ জনের ডাকাত দল বাসার সামনের কেচি গেইটের তালা কেটে দরজা বাহির থেকে ভেঙ্গে বাসায় প্রবেশ করে সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে।

 

এসময় আমি বাঁধা দেয়ায় ডাকাতরা আমার উপর হামলা চালিয়ে আমাকে আহত করে। ডাকাতরা প্রায় এক ঘন্টা বাসায় অবস্থান নিয়ে আলমিরা খোলে ১০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৫ হাজার টাকাসহ দামি কাপড় – চোপড় নিয়ে চলে যায়।

 

অপরদিকে গত ১০ ডিসেম্বর সোমবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার তাজপুর ইউপির দুলিয়ারবন্দ গ্রামের সুহেল মিয়ার বাসায় ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে সুহেল মিয়ার বাসার কলাপসিপল গেটের তালা ভেঙ্গে ৭-৮ জনের একদল ডাকাত দল হানা দেয়। এসময় তারা ঘরে থাকা ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৭০ হাজার টাকা ও ৪টি মোবাইল ফোনসহ প্রায় ৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুটে নেয়। ডাকাতদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে গৃহকর্তা সুহেল মিয়া গুরুতর আহত হন। এসব ঘটনায় এলাকায় সর্বশ্রেনীর মানুষজনের মনে আতংক বিরাজ করছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ওসমানীনগরে ডাকাতের উপদ্রব জনমনে আতংক

Update Time : ০৫:১৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৮

শাহীন চৌধুরী, ওসমানীনগর :: সিলেটের ওসমানীনগরে শীত আসার সাথে সাথে বিভিন্ন স্থানে ডাকাতের উপদ্রবে জনমনে চরম আতংক বিরাজ করছে। অত্র উপজেলায় চলতি মাসের মধ্যে চারটি গ্রামে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। উপজেলাবাসী এখন ডাকাত আতংকে ভুগছেন।

 

গত ৫ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে উপজেলার তাজপুর ইউপির ভাড়েরা গ্রামের ইরা মিয়া, আমিনপুর গ্রামের বাদশা মিয়া, ৭ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউপির পূর্ব ব্রাহ্মণগ্রাম গ্রামের মো. আব্দুল মুমিন ও ১০ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে তাজপুর বাজারস্থ দুলিয়ারবন্দ এলাকার সুহেল মিয়ার বাসায় দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

 

গত ৭ ডিসেম্বর রাতে উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউপির পূর্ব ব্রাহ্মণগ্রাম গ্রামের মো. আব্দুল মুমিনের বাসায় ডাকাতি হয়। এ বিষয়ে গৃহকর্তা আব্দুল মুমিন জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে ৬/৭ জনের ডাকাত দল বাসার সামনের কেচি গেইটের তালা কেটে দরজা বাহির থেকে ভেঙ্গে বাসায় প্রবেশ করে সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে।

 

এসময় আমি বাঁধা দেয়ায় ডাকাতরা আমার উপর হামলা চালিয়ে আমাকে আহত করে। ডাকাতরা প্রায় এক ঘন্টা বাসায় অবস্থান নিয়ে আলমিরা খোলে ১০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৫ হাজার টাকাসহ দামি কাপড় – চোপড় নিয়ে চলে যায়।

 

অপরদিকে গত ১০ ডিসেম্বর সোমবার দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার তাজপুর ইউপির দুলিয়ারবন্দ গ্রামের সুহেল মিয়ার বাসায় ডাকাতির ঘটনাটি ঘটে। জানা যায়, সোমবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে সুহেল মিয়ার বাসার কলাপসিপল গেটের তালা ভেঙ্গে ৭-৮ জনের একদল ডাকাত দল হানা দেয়। এসময় তারা ঘরে থাকা ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৭০ হাজার টাকা ও ৪টি মোবাইল ফোনসহ প্রায় ৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুটে নেয়। ডাকাতদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে গৃহকর্তা সুহেল মিয়া গুরুতর আহত হন। এসব ঘটনায় এলাকায় সর্বশ্রেনীর মানুষজনের মনে আতংক বিরাজ করছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ