০৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাতকে সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষ আহত ৫০

  • Update Time : ১২:৪৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭
  • / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

চান মিয়া, ছাতক থেকে :: সুনামগঞ্জের  ছাতকে সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অাহত প্রায় ৫০জন। গুরুতর আহত ৪ জনকে ভর্তি করা হয়েছে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছাতক উপজেলার ছৈলা-আফজলাবাদ ইউনিয়নের দিঘলী-চাকলপাড়া ও ভেরাজপুর গ্রামবাসীর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট সংলগ্ন যাত্রী ছাউনীতে সিগারেট খাওয়া নিয়ে ভেরাজপুর গ্রামের ময়না মিয়ার পুত্র ফাইম ও চাকলপাড় গ্রামের আজমল মিয়ার পুত্র হারুন মিয়ার কথা কাটাকাটি ও হাতা-হাতির ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষনিক স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ লোকজন মধ্যস্ততা করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। কিছুক্ষন পর উভয় পক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠি-সোটা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় আধঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট পরিনত হয় রণক্ষেত্রে। এ সময় পয়েন্টের ইতি টেলিকম সেন্টার ও মন্তাজ এন্টাপ্রোইজ নামক দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে সংঘর্ষকারীরা। ক্ষতিগ্রস্থ্য হয় ফুটপাতের ফল, সবজীসহ বিভিন্ন অর্ধশতাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। দফায়-দফায় সংঘর্ষে ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় পথচারী, ব্যবসায়ীসহ উভয় পক্ষের ৪০ ব্যক্তি আহত হয়। গুরুতর আহত জুবেল মিয়া(২২), আজির উদ্দিন(২২), জুনাই মিয়া(৫৫) ও রুয়েল মিয়া(২০)কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিরহাম উদ্দিন(৩২), ইকবাল হোসেন(৩০), ইসলাম উদ্দিন(২৮), তাজ উদ্দিন(২৫), ইকবাল(১৮), বজলু মিয়া(৩৫), রুবেল (১৮), ফাইম(২০), মোশাইদ আলী(৪৮), শাহীন মিয়া(২৫), খালেদ আহমদ(৩০), নিছাব(২৫), ব্যবসায়ী নজরুল হক (৩৫)সহ অন্যান্য আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষ আহত ৫০

Update Time : ১২:৪৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৭

চান মিয়া, ছাতক থেকে :: সুনামগঞ্জের  ছাতকে সিগারেট খাওয়াকে কেন্দ্র করে দু’গ্রামবাসীর সংঘর্ষে অাহত প্রায় ৫০জন। গুরুতর আহত ৪ জনকে ভর্তি করা হয়েছে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছাতক উপজেলার ছৈলা-আফজলাবাদ ইউনিয়নের দিঘলী-চাকলপাড়া ও ভেরাজপুর গ্রামবাসীর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট সংলগ্ন যাত্রী ছাউনীতে সিগারেট খাওয়া নিয়ে ভেরাজপুর গ্রামের ময়না মিয়ার পুত্র ফাইম ও চাকলপাড় গ্রামের আজমল মিয়ার পুত্র হারুন মিয়ার কথা কাটাকাটি ও হাতা-হাতির ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষনিক স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ লোকজন মধ্যস্ততা করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। কিছুক্ষন পর উভয় পক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে লাঠি-সোটা নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় আধঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্ট পরিনত হয় রণক্ষেত্রে। এ সময় পয়েন্টের ইতি টেলিকম সেন্টার ও মন্তাজ এন্টাপ্রোইজ নামক দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ভাংচুর করে সংঘর্ষকারীরা। ক্ষতিগ্রস্থ্য হয় ফুটপাতের ফল, সবজীসহ বিভিন্ন অর্ধশতাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। দফায়-দফায় সংঘর্ষে ও ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় পথচারী, ব্যবসায়ীসহ উভয় পক্ষের ৪০ ব্যক্তি আহত হয়। গুরুতর আহত জুবেল মিয়া(২২), আজির উদ্দিন(২২), জুনাই মিয়া(৫৫) ও রুয়েল মিয়া(২০)কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিরহাম উদ্দিন(৩২), ইকবাল হোসেন(৩০), ইসলাম উদ্দিন(২৮), তাজ উদ্দিন(২৫), ইকবাল(১৮), বজলু মিয়া(৩৫), রুবেল (১৮), ফাইম(২০), মোশাইদ আলী(৪৮), শাহীন মিয়া(২৫), খালেদ আহমদ(৩০), নিছাব(২৫), ব্যবসায়ী নজরুল হক (৩৫)সহ অন্যান্য আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ