ঈদকে ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা বলয়ে বিশ্বনাথ
- Update Time : ১০:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জুন ২০১৮
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
মো: আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: মুসলিম উম্মাহর সর্বোচ্চ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর মাত্র একদিন পরই ঈদ। ঈদের ব্যস্ততা ঘিরে চুরি-ছিনতাই ঠেকাতে সার্বিকভাবে প্রস্তুত সিলেটের বিশ্বনাথের আইন-শৃংখলা বাহিনী। এ উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ। যে কোন ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ ছাড়াও প্রতিটি ব্যাংকের সামনে ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গড়ে তোলা হয়েছে নিরাপত্তা বলয়। বাড়ানো হয়েছে পুলিশ টহল। অপরাধীদের প্রতি জিরো টলারেন্স ভূমিকায় সক্রিয় রয়েছে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ।
প্রবাসী অধ্যষুত এ শহরে প্রতি বছরই শেষ মূর্হূতে ঈদকে ঘিরে কেনাকাটার ধুম পড়ে যায়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। গত কয়েকদিন ধরে বিকেল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ব্যস্ত বিশ্বনাথ শহর। প্রতিটি ব্যাংকে বিদেশি রেমিট্যান্স নিতে গ্রাহকদের ঠাসাঠাসি। রাস্তায় যানবাহনের বাড়তি চাপ। ভিড় বেড়েছে বিভিন্ন মার্কেট ও বিপণী বিতানগুলোতে। এই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে মরিয়া হয়ে উঠে চোর ও ছিনতাইকারীরা। এদের ঠেকাতে মাঠে রয়েছেন আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। গত ১৫দিন বিশ্বনাথের বিভিন্ন মোড়ে চলছে কাগজবিহীন মটরসাইকেল আটকের কাজও চলছে ব্যাপকভাবে।
এ বছর অবশ্য কোন অঘটন এখনও ঘটেনি। আইনশৃংখলা বাহিনীর তৎপরতা ফলে শান্তিতেই ঈদ বাজার করতে পারছেন বলে জানান এক ক্রেতা। চাঁদরাত পর্যন্ত কেনাকাটার ব্যস্ততা থাকবে বলে জানান এক বিক্রেতা। এদিকে মোটর সাইকেল আটকের কারনে বিশ্বনাথ বাজারে অনেকে না এসে সিলেট শহরে চলে যাচ্ছে। এতে করে বিশ্বনাথ বাজারে ক্রেতা কেমে গেছে বলে দাবী করেছেন অনেক ব্যবসায়ী।
ঈদের পুরো সময়টা আইনশৃংখলা বাহিনীর তৎপরতাও বজায় থাকবে বলে জানিয়েছেন বিশ্বনাথ থানার তদন্ত অফিসার মোহাম্মদ দুলাল আখন্দ ।
বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, ঈদ উপলক্ষে আমরা নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। ইতিমধ্যে স্থানীয় বাসষ্ট্যান্ড, বিভিন্ন ব্যাংক, মার্কেটগুলোতে পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে ও পুরো উপজেলা জুড়েই বাড়ানো হয়েছে পুলিশ টহল। মোটর সাইকেল টহলদলও কাজ করছে। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। এবার উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের প্রতিটি বড় বড় ঈদুল ফিতরের জামাতেও আইন-শৃংখলাবাহিনীর নজরদারীতে থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।



























