০১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিং : অতিষ্ট জনজীবন

  • Update Time : ১০:১৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুন ২০১৮
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: বিদ্যুতের অব্যাহত ভেলকীবাজি চলছে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায়। প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় ঘনঘন লোডশেডিং এখন নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে এই রমজানের ইফতার, তারাবিহ ও সেহরীর সময়ে লোডশেডিং ছাড়িয়েছে সহনীয়তার মাত্রা। এছাড়াও, লোডশেডিংয়ের কারণে বৈদ্যুতিক সামগ্রী ও ফ্রিজে রাখা খাবার-সহ ব্যবসা-বাণিজ্যে মান্দাভাব দেখা দিয়েছে। যার ফলে এ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এর রেশ যথেষ্ট উদ্বেগজনক। পবিত্র রমজান মাসে যেখানে এ উপজেলার গ্রাহকেরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়ে আসছিলেন, বিশেষ করে ইফতার, তারাবিহ ও সেহরীর সময়ে, সেখানে গুরুত্বপূর্ণ এই তিন সময়সহ দিনরাত অব্যাহত লোডশেডিংয়ের অসহনীয় যন্ত্রণা বিক্ষুব্ধ করে তুলছে তাদেরকে।

জানা গেছে, বর্তমান সরকারের তিনগুণ বিদ্যুৎ বৃদ্ধির সুফল পাচ্ছেন না বিশ্বনাথ উপজেলার ৪০ হাজার গ্রাহক। দিনে গড়ে দু’তিন ঘন্টা লোডশেডিং এখন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রচন্ড তাপদাহের সময়ে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি চরম ভোগান্তিতে ফেলছে গ্রাহকদের। বিদ্যুতের ‘এই আছে এই নেই’ খেলায় পুরোদমে অতিষ্ঠ তারা। অনেকেরই প্রশ্ন, সরকারের দাবি অনুযায়ী পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের মধ্যেও বিশ্বনাথে কেন হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে উপজেলার অনেক গ্রাহকই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবী জানিয়ে আসছেন। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারের এত বিদ্যুৎ কোথায় যায়? কি কারণে অব্যাহত লোডশেডিংয়ে আমাদেরকে ভোগান্তিতে ফেলছেন বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা তার কারণ কেন জানানো হয় না। এর রহস্য কি?

পল্লীবিদ্যুৎ বিশ্বনাথ জোনাল অফিস সুত্র জানায়, গ্রীড ওভারলোডের কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বনাথ এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদার পরিমাণ ১২ মেগাওয়াট। সেখানে সরবরাহ করা হচ্ছে সাত থেকে আট মেগাওয়াট। সরবরাহ কমে যাওয়া লোডশেডিং বৃদ্ধির অন্যতম একটি কারণ। এদিকে, গ্রীডের বিদ্যুৎ থেকেও বঞ্চিত এ উপজেলার গ্রাহক।

বিশ্বনাথ মানবাধিকার সংস্থার সদস্য মাছুম আহমেদ বলেন, সাহরি-ইফতার ও কখনও কখনও তারাবির সময়েও বিদ্যুৎ থাকেনা। দিনে দিনে তীব্র হচ্ছে লোডশেডিং।

এ বিষয়ে কথা হলে পল্লীবিদ্যুৎ বিশ্বনাথ জোনাল অফিসের ডিজিএম কমলেশ বর্মণ বিদ্যুতের বর্তমান পরিস্থিতির কথা স্বীকার করে বলেন, এ মাসের ১০-১১ তারিখের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে তিনি জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে বিদ্যুতের ঘনঘন লোডশেডিং : অতিষ্ট জনজীবন

Update Time : ১০:১৯:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুন ২০১৮

মো. আবুল কাশেম, বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: বিদ্যুতের অব্যাহত ভেলকীবাজি চলছে সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায়। প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় ঘনঘন লোডশেডিং এখন নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে এই রমজানের ইফতার, তারাবিহ ও সেহরীর সময়ে লোডশেডিং ছাড়িয়েছে সহনীয়তার মাত্রা। এছাড়াও, লোডশেডিংয়ের কারণে বৈদ্যুতিক সামগ্রী ও ফ্রিজে রাখা খাবার-সহ ব্যবসা-বাণিজ্যে মান্দাভাব দেখা দিয়েছে। যার ফলে এ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও এর রেশ যথেষ্ট উদ্বেগজনক। পবিত্র রমজান মাসে যেখানে এ উপজেলার গ্রাহকেরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানিয়ে আসছিলেন, বিশেষ করে ইফতার, তারাবিহ ও সেহরীর সময়ে, সেখানে গুরুত্বপূর্ণ এই তিন সময়সহ দিনরাত অব্যাহত লোডশেডিংয়ের অসহনীয় যন্ত্রণা বিক্ষুব্ধ করে তুলছে তাদেরকে।

জানা গেছে, বর্তমান সরকারের তিনগুণ বিদ্যুৎ বৃদ্ধির সুফল পাচ্ছেন না বিশ্বনাথ উপজেলার ৪০ হাজার গ্রাহক। দিনে গড়ে দু’তিন ঘন্টা লোডশেডিং এখন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রচন্ড তাপদাহের সময়ে বিদ্যুতের ভেলকিবাজি চরম ভোগান্তিতে ফেলছে গ্রাহকদের। বিদ্যুতের ‘এই আছে এই নেই’ খেলায় পুরোদমে অতিষ্ঠ তারা। অনেকেরই প্রশ্ন, সরকারের দাবি অনুযায়ী পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের মধ্যেও বিশ্বনাথে কেন হচ্ছে মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে উপজেলার অনেক গ্রাহকই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবী জানিয়ে আসছেন। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারের এত বিদ্যুৎ কোথায় যায়? কি কারণে অব্যাহত লোডশেডিংয়ে আমাদেরকে ভোগান্তিতে ফেলছেন বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা তার কারণ কেন জানানো হয় না। এর রহস্য কি?

পল্লীবিদ্যুৎ বিশ্বনাথ জোনাল অফিস সুত্র জানায়, গ্রীড ওভারলোডের কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্বনাথ এলাকায় বিদ্যুতের চাহিদার পরিমাণ ১২ মেগাওয়াট। সেখানে সরবরাহ করা হচ্ছে সাত থেকে আট মেগাওয়াট। সরবরাহ কমে যাওয়া লোডশেডিং বৃদ্ধির অন্যতম একটি কারণ। এদিকে, গ্রীডের বিদ্যুৎ থেকেও বঞ্চিত এ উপজেলার গ্রাহক।

বিশ্বনাথ মানবাধিকার সংস্থার সদস্য মাছুম আহমেদ বলেন, সাহরি-ইফতার ও কখনও কখনও তারাবির সময়েও বিদ্যুৎ থাকেনা। দিনে দিনে তীব্র হচ্ছে লোডশেডিং।

এ বিষয়ে কথা হলে পল্লীবিদ্যুৎ বিশ্বনাথ জোনাল অফিসের ডিজিএম কমলেশ বর্মণ বিদ্যুতের বর্তমান পরিস্থিতির কথা স্বীকার করে বলেন, এ মাসের ১০-১১ তারিখের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে তিনি জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ