সিলেট সিটির নতুন নেতৃত্বের প্রত্যাশায় রয়েছেন নগরবাসী
- Update Time : ০৭:৫০:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুন ২০১৮
- / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
বিশেষ প্রতিনিধি :: আসন্ন সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়েছে ৩০ জুলাই’১৮। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বেঁধে দেয়া তারিখকে সামনে তাই ব্যাপক তৎপর হয়ে উঠেছেন মেয়র প্রার্থীরা। এক্ষেত্রে ৩ টি রাজনৈতিক দলের ৩ জন সাধারণ সম্পাদকই রয়েছেন আলোচনার শীর্ষে।

সিটিগুলোতে এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে মেয়র পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তাই দলীয় প্রতীক কে কে পাচ্ছেন সেই অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন প্রত্যেক দলের নেতাকর্মীরা।
মেয়র পদে বড় দুই দল আওয়ামিলীগ ও বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হলেও খেলাফত মজলিস ইতিমধ্যে দলীয় প্রার্থী হিসেবে নগর সাধারণ সম্পাদক কে এম আবদুল্লাহ আল মামুনের নাম চুড়ান্ত করেছে।
দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ নগর শাসন করেছেন মহানগর আওয়ামিলিগের সভাপতি বদরুদ্দিন আহমদ কামরান। তাছাড়া নগর বি এন পির সাবেক সভাপতি আরিফুল হক চৌধুরীও নগর পরিচালনায় ছিলেন বিগত পাঁচ বছর।
সফলতা ও ব্যার্থতার হিসাব নিকাশ শেষে জনগণের দৃষ্টি এখন রাজনৈতিক দলগুলোর সাধারণ সম্পাদকদের দিকে। কারণ নির্বাচনী তৎপরতায় তারাই এগিয়ে।
নগরীতে ব্যাপক প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। সিলেট মহানগর আওয়ামিলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ। সাবেক মেয়র কামরানের বিকল্প হিসেবে আসাদ উদ্দিনই দলের প্রতিনিধিত্ব করার বেশি হকদার বলে অনেকের ধারণা।
বিএনপির পক্ষে আরিফুল হক চৌধুরীর বিকল্প হিসেবে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিমের নামটিই বারবার উঠে আসছে জনসমক্ষে।
সবচেয়ে কম সময়ে আলোচনার শীর্ষে চলে এসেছেন নগর খেলাফত মজলিসের সাধারণ সম্পাদক কে এম আবদুল্লাহ আল মামুন। তিনি মেট্রোপলিটন সিটির সকল প্রশাসনিক থানা ও সিসিকের সকল ওয়ার্ডে খেলাফত মজলিসের কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও গতিশীল করে দলের অভ্যন্তরে যেমনি জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন তেমনি খুব অল্প সময়ের মধ্যে তিনি নগরবাসির দৃষ্টি আকর্ষণ করতেও সক্ষম হন।
সিসিকে নতুন নেতৃত্ব আসার প্রত্যাশায় রয়েছেন নগরবাসী।
ভোটাররা খুজছেন নতুন মুখ। সব মিলিয়ে একথা বলা যায় যে আসন্ন সিসিক নির্বাচনে তিনটি রাজনৈতিক দলের ৩ জন সাধারণ সম্পাদকের মেয়র প্রার্থীতার বিষয়ে আলোচনায় সরব এখন সাধারণ জনগণ।


























