বালাগঞ্জে রমজানে পণ্যের দাম চড়া
- Update Time : ০১:২৬:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মে ২০১৮
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
এসএম হেলাল, বালাগঞ্জ :: সিলেটের বালাগঞ্জে এবারও রমজানের প্রথম থেকেই অনেক চড়া দামে পণ্যের ক্রয় করতে হচ্ছে ক্রেতাদের। তাই এ বিষয়ে স্বাভাবিকভাবে ক্ষোভ রয়েছে জনসাধারণের মধ্যে। বিশেষ করে কাঁচা বাজার ও মাছ বাজারে যেন বে-সামাল অবস্থায় বিরাজ করছে। কোন প্রকার তদারকি না থাকায় জনসাধারণের উপর ইচ্ছে মতো দাম বাড়িয়েছেন বিক্রেতারা।
উপজেলার সকল বাজারে ভেজাল বিরোধী অভিযানের পাশাপাশি অসাধু ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে কঠুর ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভুগি জনসাধারণ।
বিশেষ করে তরি-তরকারি ও মাছ বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধি ফলে সাধারণ মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
খুঁজ নিয়ে জানাগেছে, গত সপ্তাহে ব্যবধানে কাঁকরোল, ঝিঙ্গা, টমেটো, শসাসহ সকল প্রকার তরি-তরকারি, শবজি ও মাছের মূল্য প্রায় দ্বিগুন মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
কেবল মাত্র আলু ছাড়া কোন ধরণের তরি-তরকারিও কেজি প্রতি ৫০-১০০ টাকার কম পাওয়া যাচ্ছে না। এতে করে স্বল্প আয়ের লোকজন হিমশিম খাচ্ছেন। এছাড়া চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে— রসুন, আদা, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনিয় পণ্যদ্রব্য এবং ভোজ্যতেল।
সরেজমিন পরিদর্শনকালে উপজেলার মাদ্রাসা বাজারে সবজি হাঠের ক্রেতা আব্দুল জলিল, মোরার বাজারের মাছ ক্রেতা সেলিম আহমদসহ কয়েক জানান, রোজা আসতেই আমাদের উপর ব্যবসায়িরা জুলুম শুরু দিয়েছেন। গতবাজারে যেখানে বেগুণ লইলাম ২৫ টাকায় আজ ৬০টাকা, কাঁকরোল ছিল ৪০ টাকা এখন ৫০, ঝিঙ্গা ছিল ৩৫ টাকা এখন ৬০টাকা, টমেটো ৩০ টাকা এখন ৮০- ১০০টাকা, আগামী বাজার কি হবে? সরকার যদি নজর না দেন, তা অইলেতো আমরার উপায় নাই। খালি বেগুন না, সব তরকারির দাম ২গুন -৩গুন বেশি বাড়ি গেছে। রোজায় গরীবদের মাংস ও মাছ খাওয়া সম্ভব নয়, একটু শাকসবজিও খেয়ে বাঁচা কঠিন।
এ ব্যাপারে আলাপকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল হক জানান, পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বাজার মণিটরিং’র আওতায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রমজানের দ্বিতীয় দিন শনিবার বিকেলে উপজেলা সদরে অভিযান চালিয়ে ৩টি দোকান থেকে ৩হাজার টাকা জরিমানা আদায় করার হয়েছে । ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে উপজেলার সর্বত্র বাজার মণিটরিং অব্যাহত রাখা হবে।





























