০৬:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জগন্নাথপুরে ১২৫ বছরের বৃদ্ধ হাজি ফরিদ মিয়ার জীবন কাহিনী

  • Update Time : ১০:১৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারি ২০১৮
  • / ১০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের সোনাতনপুর গ্রামের মরহুম হাজি আইনুল্লাহ সাহেবের ছেলে ও মুরাদাবাদ মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম মাওলানা আনোয়ার হোসেনের পিতা হাজি ফরিদ মিয়া। হাজি ফরিদ মিয়ার বর্তমান বয়স নিয়ে এলাকার মুরুব্বিদের সাথে আলাপকালে মুরুব্বীদের অনেকেই বয়সের হিসাব করে বলেন, হাজি ফরিদ মিয়া (হাজি সাহেবের) বয়স প্রায় ১২৫ বছর হবে এবং তিনি এ বৃদ্ধ বয়সে এখনো পায়ে হেটে হেটে চলাচল করেন যা সবার পক্ষে সম্ভম নয়। এ বয়সে যেখানে নানান রোগশোকে ভোগে বিছানায় থাকার কথা সেখানে তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করে যাচ্ছেন । সিলেট বিভাগে তাঁর বয়সি এমন স্বাভাবিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত অন্য একজন খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা তা আমাদের জানা নেই। এ বয়সে তিনি প্রতিদিন ৫বার মসজিদে জামায়াতে নামাজ আদায় করছেন এমন কি গভীর রাতে তাহাজ্জুদের নামাজ পর্যন্ত পড়েন এসব কথাগুলো এলাকার মুরুব্বিয়ান, ছাত্র ও যুব সমাজের সাথে আলাপকালে জানা যায়। ১২৫ বছরের বৃদ্ধ হলেও তিনি এখন পর্যন্ত চশমা ছাড়া সব দেখেন, গাড়ি ছাড়া প্রতিদিন প্রায় ৫থেকে ৭মাইল পায়ে হেঠে চলাচল করতে পারেন। দূর কোথায় যেতে চাইলে তিনি অন্যান্য যুুুবকদের মতো গাড়ির জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে না থেকে পায়ে হাটা শুরু করেন। হাজি ফরিদ মিয়ার সাথে আলাপকালে জগন্নাথপুর পত্রিকাকে বলেন, ব্যাক্তি জীবনে তিনি ৫ছেলে ২মেয়ের জনক এবং আমি মহান আল্লাহর রহমতে শান্তির জীবন যাপন করছি। আমার সাথী যারা ছিলেন, যাদের সাথে এক সাথে খেলাধুলা ও চলাফেরা করেছি তারা আজ সব মাঠির নিছে।আল্লাহপাক আমাকে লম্বা হায়াত ও সুস্থতা দান করছেন বলে আজ আমি আত্মীয়স্বজনদের সাথে রয়েছি। হাজি ফরিদ মিয়া (হাজি সাহেব) তিনি আরো বলেন, সৈয়দপুরের আলিম উলামাদের সাথে আমার গভীর সম্পর্ক বিশেষ করে সৈয়দপুর গ্রামের মরহুম শায়খ সৈয়দ আব্দুল খালিক (র.), মরহুম শায়খ সৈয়দ আবু সাঈদ (র.) মরহুম শায়খ হাফিজ সৈয়দ মুনজুর আলী (র.) মরহুম হাফিজ সৈয়দ মুতিউর রহমান (র.) মরহুম হাফিজ মাওলানা সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ প্রমুখ তাদের সাথে ছিল আমার গভীর সম্পর্ক তারা আজ কবর জগতে রয়েছেন তাদের জন্য দোয়া রহিল। বর্তমানে সৈয়দপুর মাদ্রাসার মুহতামিম হাফিজ মাওলানা শায়খ সৈয়দ ফখরুল ইসলাম, সৈয়দপুর দরগাহ মসজিদের ইমাম শায়খুল হাদিস শায়খ সৈয়দ আব্দুর রাজ্জাক, মুফতি সৈয়দ নোমান আহমদসহ এ গ্রামের আলেম-উলামাদের সাথে হাজি ফরিদ মিয়ার ছোট বেলা থেকেই রয়েছে গভীর সম্পর্ক ও আত্মীয়তার বন্ধন। তিনি আরো বলেন, সোনাতনপুর থেকে এসে আগে সৈয়দপুর বাজার হাজী আছাব আলী জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তাম এখনও সৈয়দপুর দরগাহ মসজিদে প্রায় সময় আমার আব্দুর রাজ্জাকের পিছনে জুম্মার নামাজ পড়ি। ১২৫ বছরের বৃদ্ধ হাজি ফরিদ মিয়া (হাজি সাহেব) তিনি বলেন, আমি ঈমান নিয়ে আল্লাহ আল্লাহ করে কবরে যেতে চাই, সকলে আমার জন্য দোয়া করিবেন, আল্লাহপাক যেন আমাকে ঈমানী মৃত্যু দান করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জগন্নাথপুরে ১২৫ বছরের বৃদ্ধ হাজি ফরিদ মিয়ার জীবন কাহিনী

Update Time : ১০:১৮:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারি ২০১৮

ইয়াকুব মিয়া :: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার সৈয়দপুর শাহারপাড়া ইউনিয়নের সোনাতনপুর গ্রামের মরহুম হাজি আইনুল্লাহ সাহেবের ছেলে ও মুরাদাবাদ মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামিম মাওলানা আনোয়ার হোসেনের পিতা হাজি ফরিদ মিয়া। হাজি ফরিদ মিয়ার বর্তমান বয়স নিয়ে এলাকার মুরুব্বিদের সাথে আলাপকালে মুরুব্বীদের অনেকেই বয়সের হিসাব করে বলেন, হাজি ফরিদ মিয়া (হাজি সাহেবের) বয়স প্রায় ১২৫ বছর হবে এবং তিনি এ বৃদ্ধ বয়সে এখনো পায়ে হেটে হেটে চলাচল করেন যা সবার পক্ষে সম্ভম নয়। এ বয়সে যেখানে নানান রোগশোকে ভোগে বিছানায় থাকার কথা সেখানে তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করে যাচ্ছেন । সিলেট বিভাগে তাঁর বয়সি এমন স্বাভাবিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত অন্য একজন খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা তা আমাদের জানা নেই। এ বয়সে তিনি প্রতিদিন ৫বার মসজিদে জামায়াতে নামাজ আদায় করছেন এমন কি গভীর রাতে তাহাজ্জুদের নামাজ পর্যন্ত পড়েন এসব কথাগুলো এলাকার মুরুব্বিয়ান, ছাত্র ও যুব সমাজের সাথে আলাপকালে জানা যায়। ১২৫ বছরের বৃদ্ধ হলেও তিনি এখন পর্যন্ত চশমা ছাড়া সব দেখেন, গাড়ি ছাড়া প্রতিদিন প্রায় ৫থেকে ৭মাইল পায়ে হেঠে চলাচল করতে পারেন। দূর কোথায় যেতে চাইলে তিনি অন্যান্য যুুুবকদের মতো গাড়ির জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে না থেকে পায়ে হাটা শুরু করেন। হাজি ফরিদ মিয়ার সাথে আলাপকালে জগন্নাথপুর পত্রিকাকে বলেন, ব্যাক্তি জীবনে তিনি ৫ছেলে ২মেয়ের জনক এবং আমি মহান আল্লাহর রহমতে শান্তির জীবন যাপন করছি। আমার সাথী যারা ছিলেন, যাদের সাথে এক সাথে খেলাধুলা ও চলাফেরা করেছি তারা আজ সব মাঠির নিছে।আল্লাহপাক আমাকে লম্বা হায়াত ও সুস্থতা দান করছেন বলে আজ আমি আত্মীয়স্বজনদের সাথে রয়েছি। হাজি ফরিদ মিয়া (হাজি সাহেব) তিনি আরো বলেন, সৈয়দপুরের আলিম উলামাদের সাথে আমার গভীর সম্পর্ক বিশেষ করে সৈয়দপুর গ্রামের মরহুম শায়খ সৈয়দ আব্দুল খালিক (র.), মরহুম শায়খ সৈয়দ আবু সাঈদ (র.) মরহুম শায়খ হাফিজ সৈয়দ মুনজুর আলী (র.) মরহুম হাফিজ সৈয়দ মুতিউর রহমান (র.) মরহুম হাফিজ মাওলানা সৈয়দ ফুজায়েল আহমদ প্রমুখ তাদের সাথে ছিল আমার গভীর সম্পর্ক তারা আজ কবর জগতে রয়েছেন তাদের জন্য দোয়া রহিল। বর্তমানে সৈয়দপুর মাদ্রাসার মুহতামিম হাফিজ মাওলানা শায়খ সৈয়দ ফখরুল ইসলাম, সৈয়দপুর দরগাহ মসজিদের ইমাম শায়খুল হাদিস শায়খ সৈয়দ আব্দুর রাজ্জাক, মুফতি সৈয়দ নোমান আহমদসহ এ গ্রামের আলেম-উলামাদের সাথে হাজি ফরিদ মিয়ার ছোট বেলা থেকেই রয়েছে গভীর সম্পর্ক ও আত্মীয়তার বন্ধন। তিনি আরো বলেন, সোনাতনপুর থেকে এসে আগে সৈয়দপুর বাজার হাজী আছাব আলী জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তাম এখনও সৈয়দপুর দরগাহ মসজিদে প্রায় সময় আমার আব্দুর রাজ্জাকের পিছনে জুম্মার নামাজ পড়ি। ১২৫ বছরের বৃদ্ধ হাজি ফরিদ মিয়া (হাজি সাহেব) তিনি বলেন, আমি ঈমান নিয়ে আল্লাহ আল্লাহ করে কবরে যেতে চাই, সকলে আমার জন্য দোয়া করিবেন, আল্লাহপাক যেন আমাকে ঈমানী মৃত্যু দান করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ