০৯:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাতকে নিখোঁজ যুবক অাহত অবস্থায় উদ্ধারের হাসপাতালে ভর্তি

  • Update Time : ০৩:৫৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯
  • / ১২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে নিখোঁজের তিনদিন পর সাইফুল ইসলাম রাসেল (২৯)’র সন্ধান পেয়েছে তার স্বজনরা। শনিবার রাত ২টায় তাকে বিশ্বনাথের রশিদপুর পয়েন্ট এলাকায় ফেলে যায় দূর্বৃত্তরা। সে উপজেলার ˆছলা শাসন গ্রামের রমজান আলীর পুত্র। পরে এখান থেকে রাতেই সিএনজি যোগে স্থানীয় মীরেরচর গ্রামে তারই খালার বাড়ি উঠে রাসেল। এক পর্যায়ে তার শারিরিক অসুস্থ্যতা ও বার বার জ্ঞানহারা এমন অবস্থা দেখা দিলে রোববার ভোর বেলা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জানা যায়, ২৬ ডিসেম্বর সকালে বাড়ি থেকে পিতা রমজান আলীর সাথে গোবিন্দগঞ্জ বাজারে আসেন পুত্র সাইফুল ইসলাম রাসেল। প্রয়োজনীয় কাজে এখানের একটি ব্যাংক থেকে পিতা রমজান আলী টাকা উত্তোলন করে পুত্র রাসেলের হাতে ১৩হাজার টাকা ধরিয়ে দেন। পরে জরুরী কাজে সিলেট শহরের নয়াসড়কের আত্মীয় টিপু মিয়ার বাসায় চলে যায় রাসেল। সেখান থেকে কাজ শেষ করে বেলা ৩টার দিকে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে বের হয়ে আসার কিছুক্ষন পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইলটি সংযোগ বিচ্ছিনś হয়ে পড়ে। রাত গভীর পর্যন্ত বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন চারদিকে খোঁজতে থাকে। পরের দিন রাতে সিলেট কোতোয়ালী থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন মা চমক তেরা বিবি একটি জিডি এন্টি (নং-২০২৩) করেন। রাসেলের আত্মীয় সেবুল মিয়া জানান সে পুরোটা এখন সুস্থ্য নয়, মাঝে মধ্যে জ্ঞান ফিরছে কিন্তু কথা বলতে পারছে না। তবে সকালে খাবারের জন্য বলেছিল। এসময় তার কাছ জানা গেছে, নয়াসড়কের বাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা থেকে ৫/৭জন দূর্বৃত্তরা তাকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে একটি বন্ধঘরে আটকে রেখে শারিরিক নির্যাতন করে নগদ টাকা, দুটি মোবাইল সেট নিয়ে রশিদপুর এলাকায় ফেলে যায়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

ছাতকে নিখোঁজ যুবক অাহত অবস্থায় উদ্ধারের হাসপাতালে ভর্তি

Update Time : ০৩:৫৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯

ছাতক প্রতিনিধি :: ছাতকে নিখোঁজের তিনদিন পর সাইফুল ইসলাম রাসেল (২৯)’র সন্ধান পেয়েছে তার স্বজনরা। শনিবার রাত ২টায় তাকে বিশ্বনাথের রশিদপুর পয়েন্ট এলাকায় ফেলে যায় দূর্বৃত্তরা। সে উপজেলার ˆছলা শাসন গ্রামের রমজান আলীর পুত্র। পরে এখান থেকে রাতেই সিএনজি যোগে স্থানীয় মীরেরচর গ্রামে তারই খালার বাড়ি উঠে রাসেল। এক পর্যায়ে তার শারিরিক অসুস্থ্যতা ও বার বার জ্ঞানহারা এমন অবস্থা দেখা দিলে রোববার ভোর বেলা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জানা যায়, ২৬ ডিসেম্বর সকালে বাড়ি থেকে পিতা রমজান আলীর সাথে গোবিন্দগঞ্জ বাজারে আসেন পুত্র সাইফুল ইসলাম রাসেল। প্রয়োজনীয় কাজে এখানের একটি ব্যাংক থেকে পিতা রমজান আলী টাকা উত্তোলন করে পুত্র রাসেলের হাতে ১৩হাজার টাকা ধরিয়ে দেন। পরে জরুরী কাজে সিলেট শহরের নয়াসড়কের আত্মীয় টিপু মিয়ার বাসায় চলে যায় রাসেল। সেখান থেকে কাজ শেষ করে বেলা ৩টার দিকে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে বের হয়ে আসার কিছুক্ষন পর থেকে তার ব্যবহৃত মোবাইলটি সংযোগ বিচ্ছিনś হয়ে পড়ে। রাত গভীর পর্যন্ত বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন চারদিকে খোঁজতে থাকে। পরের দিন রাতে সিলেট কোতোয়ালী থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন মা চমক তেরা বিবি একটি জিডি এন্টি (নং-২০২৩) করেন। রাসেলের আত্মীয় সেবুল মিয়া জানান সে পুরোটা এখন সুস্থ্য নয়, মাঝে মধ্যে জ্ঞান ফিরছে কিন্তু কথা বলতে পারছে না। তবে সকালে খাবারের জন্য বলেছিল। এসময় তার কাছ জানা গেছে, নয়াসড়কের বাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তা থেকে ৫/৭জন দূর্বৃত্তরা তাকে অপহরণ করে তুলে নিয়ে একটি বন্ধঘরে আটকে রেখে শারিরিক নির্যাতন করে নগদ টাকা, দুটি মোবাইল সেট নিয়ে রশিদপুর এলাকায় ফেলে যায়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ