মাদকের সাথে জড়িত থাকলে দলীয় নেতাকর্মীদেরও ছাড় নয়- কলিম উদ্দিন মিলন
- Update Time : ০৭:২৪:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
- / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে মাদক নির্মূল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার প্রত্যয়ে এক বিশাল সামাজিক সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ-৫ (দোয়ারাবাজার-ছাতক) আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন বলেন, যুবসমাজকে বাঁচাতে মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সামাজিক আন্দোলনের বিকল্প নেই। মাদকের সাথে জড়িত থাকলে দলীয় নেতাকর্মী হলেও কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। শনিবার (১৬ মে) বেলা ১১টায় উপজেলা অডিটোরিয়ামে স্থানীয় প্রশাসন ও সুশীল সমাজের আয়োজনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি ও জনসম্পৃক্ততার মাধ্যমে একটি অপরাধমুক্ত আদর্শ সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরুপ রতন সিংহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন আরও বলেন, “মাদক নির্মূলে প্রশাসনের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মাঠে কাজ করতে হবে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আহ্বান জানান এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে মাদকের বিরুদ্ধে জনমত গড়তে সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন—সহকারী কমিশনার (ভূমি) রাশেদুল ইসলাম, দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুল ইসলাম তালুকদার, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান সামছুল হক নমু, আলহাজ্ব আব্দুল বারী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলতাফুর রহমান খছরু এবং দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ, সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ, সমাজসেবক খলিলুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সভায় বক্তারা একমত পোষণ করেন যে, কেবল সরকারি পদক্ষেপ নয়, বরং সামাজিক সচেতনতা ও গণজাগরণের মাধ্যমেই মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সংবাদকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে মাদকবিরোধী এই আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করেন।




























