০৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহা নায়ক–ইয়াসির আরাফাত

  • Update Time : ০৩:৪৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ আগস্ট ২০১৮
  • / ৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ইয়াসির আরাফাত পুরো নাম- মোহাম্মদ আব্দেল রউফ, আব্দেল রহমান, আল-হুসাইন জন্ম-২৪ আগস্ট ১৯২৯ সালে। তিনি ছিলেন একজন বীর মুজাহীদ ফিলিস্তিনীর প্রেসিডেন্ট প্যালেস্টাইন লিবারেশন আর্গানাইজেসন বা (পি.এল.ওর) চেয়ারম্যান।

 

আরাফাত অবৈধ ইসরায়েলী দখলদারিধের বিরুদ্বে সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন জীবনের শেষ দিন পরজন্ত।

 

ইয়াসির আরাফাত এমন একজন ব্যাক্তি ছিলেন যার ভয়ে মুসলিম জাতীর দুষমন ইহুদি ইসরায়েলীদের ঘোম হারাম হয়ে ছিলো। যার ঘাম ঝড়ানো নেত্রিত্বে অনেক দেশ ফিলিস্তিনীর পাষে দাঁরিয়েছে এখনো তারা শক্রিয় আছেন এর মধ্যে-বাংলাদেশ, তুরস্ক, মিশর, জর্ডান, ইরান সহ (ও.আই.সি) জোট।

 

রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ সময় আরাফাত ফাতাহ দলের নেতৃত্ব দেন। ১৯৫৮থেকে১৯৬০ সালের মধ্যে তিনি এই দল প্রতিষ্টা করেছেন। প্রাথমিকভাবে ইসরায়েলের অস্তিত্বেরর সরাসরি বিরোধী ছিলেন পরে আরাফাত ১৯৮৮সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত ২৪২ মেনে নিয়ে নিজের অবস্তান পরিবর্তন করেন।

 

দল-মত নির্বিশেষে ফিলিস্তিনী জাতীর অধিকাংশ মানুষ ইয়াসির আরাফাত কে বীর মুক্তিসেনা এবং ফিলিস্তিনীর স্বাধীনতার সংগ্রামের প্রতিক হিসাবে সম্মান করেন। আরাফাত ১৯৯৮সালে ঐতিহাসিক অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের পর শান্তিতে নোবেল পুরুস্কার লাভ করেন। ২০০২ হতে ২০০৪ পর্যন্ত আরাফাত অবৈধ ইসরায়েলী সন্ত্রাসীদের হাতে তাঁর রামাল্লার দপ্তরে কার্যত গৃহবন্দী করে রেখে ছিলো ২০০৪এর শেষদিকে আরাফাত অসুস্থ হয়ে পড়েন।

 

আরাফাতের অসুস্থতা ও মৃত্যুর কারন সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ হয়নি কিন্তু চিকিৎসকদের মতে তিনি তেজস্কিয় পদার্থ প্রয়োগে ফিলিস্তিনীর মুক্তির আন্দোলনের নেতা ইয়াসির আরাফাত মৃত্যু হতে পারে। ২০০৪সালের ১১নভেম্বর মারাযান ইয়াসির আরাফাত। বিগত ২৪আগস্ট ১৯২৯ সালে
জন্মগ্রহন করেন, ৮৯তম জন্মদিনে শ্রদ্বার সাথে সরণ করছি ফিলিস্তিনী জাতীর কান্ডারি মরহুম ইয়াসির-আরাফাত কে “মহান আল্লাহ্” যেনো উনাকে জান্নাতের সু’আসন দান করেন এই কামনা করি। স্মৃতিচারণ———–শিহাব খান

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

মহা নায়ক–ইয়াসির আরাফাত

Update Time : ০৩:৪৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ আগস্ট ২০১৮

ইয়াসির আরাফাত পুরো নাম- মোহাম্মদ আব্দেল রউফ, আব্দেল রহমান, আল-হুসাইন জন্ম-২৪ আগস্ট ১৯২৯ সালে। তিনি ছিলেন একজন বীর মুজাহীদ ফিলিস্তিনীর প্রেসিডেন্ট প্যালেস্টাইন লিবারেশন আর্গানাইজেসন বা (পি.এল.ওর) চেয়ারম্যান।

 

আরাফাত অবৈধ ইসরায়েলী দখলদারিধের বিরুদ্বে সারা জীবন সংগ্রাম করেছেন জীবনের শেষ দিন পরজন্ত।

 

ইয়াসির আরাফাত এমন একজন ব্যাক্তি ছিলেন যার ভয়ে মুসলিম জাতীর দুষমন ইহুদি ইসরায়েলীদের ঘোম হারাম হয়ে ছিলো। যার ঘাম ঝড়ানো নেত্রিত্বে অনেক দেশ ফিলিস্তিনীর পাষে দাঁরিয়েছে এখনো তারা শক্রিয় আছেন এর মধ্যে-বাংলাদেশ, তুরস্ক, মিশর, জর্ডান, ইরান সহ (ও.আই.সি) জোট।

 

রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ সময় আরাফাত ফাতাহ দলের নেতৃত্ব দেন। ১৯৫৮থেকে১৯৬০ সালের মধ্যে তিনি এই দল প্রতিষ্টা করেছেন। প্রাথমিকভাবে ইসরায়েলের অস্তিত্বেরর সরাসরি বিরোধী ছিলেন পরে আরাফাত ১৯৮৮সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত ২৪২ মেনে নিয়ে নিজের অবস্তান পরিবর্তন করেন।

 

দল-মত নির্বিশেষে ফিলিস্তিনী জাতীর অধিকাংশ মানুষ ইয়াসির আরাফাত কে বীর মুক্তিসেনা এবং ফিলিস্তিনীর স্বাধীনতার সংগ্রামের প্রতিক হিসাবে সম্মান করেন। আরাফাত ১৯৯৮সালে ঐতিহাসিক অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের পর শান্তিতে নোবেল পুরুস্কার লাভ করেন। ২০০২ হতে ২০০৪ পর্যন্ত আরাফাত অবৈধ ইসরায়েলী সন্ত্রাসীদের হাতে তাঁর রামাল্লার দপ্তরে কার্যত গৃহবন্দী করে রেখে ছিলো ২০০৪এর শেষদিকে আরাফাত অসুস্থ হয়ে পড়েন।

 

আরাফাতের অসুস্থতা ও মৃত্যুর কারন সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ হয়নি কিন্তু চিকিৎসকদের মতে তিনি তেজস্কিয় পদার্থ প্রয়োগে ফিলিস্তিনীর মুক্তির আন্দোলনের নেতা ইয়াসির আরাফাত মৃত্যু হতে পারে। ২০০৪সালের ১১নভেম্বর মারাযান ইয়াসির আরাফাত। বিগত ২৪আগস্ট ১৯২৯ সালে
জন্মগ্রহন করেন, ৮৯তম জন্মদিনে শ্রদ্বার সাথে সরণ করছি ফিলিস্তিনী জাতীর কান্ডারি মরহুম ইয়াসির-আরাফাত কে “মহান আল্লাহ্” যেনো উনাকে জান্নাতের সু’আসন দান করেন এই কামনা করি। স্মৃতিচারণ———–শিহাব খান

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ