০৩:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • Update Time : ০২:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / ৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নই এই মুহূর্তে সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান ও প্রাক্তন সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। জনগণ এখন গুম, অপহরণ আর ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র ও সমাজ দেখতে চায়। তারেক রহমান বলেন, একটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তায় পুলিশ বাহিনীর বিকল্প নেই। তবে পুলিশের সাফল্য নির্ভর করে জনগণের সঙ্গে তাদের আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্কের ওপর। তিনি বলেন, পুলিশ যদি জনগণের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, তবে তাদের দায়িত্ব পালনের পথ অনেক সহজ ও সুগম হবে। পুলিশ সপ্তাহ হোক নিজেদেরকে জনগণের বিশ্বস্ত হিসেবে গড়ে তোলার নতুন অঙ্গীকারের মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ঘরে-বাইরে জনমনে নিরাপত্তা ও স্বস্তি না থাকলে কোনো লক্ষ্য অর্জনই সম্ভব নয়। তাই পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই আমাদের অগ্রাধিকার। এই লক্ষ্য পূরণে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি উপযোগী পরিবেশে পুলিশ যে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সক্ষম, তা নির্বাচনের সময় প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল অবদান বিশ্বদরবারে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়ন অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকার পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে জননিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে। একই সঙ্গে তিনি মব ভায়োলেন্স (গণপিটুনি), কিশোর গ্যাং এবং মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা রাখার নির্দেশ দেন। পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’-এর সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন এবং একটি নিরাপদ ও আইনানুগ সমাজ গঠনে পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Update Time : ০২:০০:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নই এই মুহূর্তে সরকারের সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার। ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান ও প্রাক্তন সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনমনে শান্তি ও স্বস্তি ফিরে এসেছে। জনগণ এখন গুম, অপহরণ আর ভয়ের সংস্কৃতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র ও সমাজ দেখতে চায়। তারেক রহমান বলেন, একটি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তায় পুলিশ বাহিনীর বিকল্প নেই। তবে পুলিশের সাফল্য নির্ভর করে জনগণের সঙ্গে তাদের আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্কের ওপর। তিনি বলেন, পুলিশ যদি জনগণের বিশ্বস্ত বন্ধু হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, তবে তাদের দায়িত্ব পালনের পথ অনেক সহজ ও সুগম হবে। পুলিশ সপ্তাহ হোক নিজেদেরকে জনগণের বিশ্বস্ত হিসেবে গড়ে তোলার নতুন অঙ্গীকারের মুহূর্ত। প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও ন্যায়ভিত্তিক গণতান্ত্রিক মানবিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, ঘরে-বাইরে জনমনে নিরাপত্তা ও স্বস্তি না থাকলে কোনো লক্ষ্য অর্জনই সম্ভব নয়। তাই পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নই আমাদের অগ্রাধিকার। এই লক্ষ্য পূরণে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের পেশাদারিত্বের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি উপযোগী পরিবেশে পুলিশ যে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সক্ষম, তা নির্বাচনের সময় প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল অবদান বিশ্বদরবারে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়ন অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকার পুলিশের উন্নয়নে বিনিয়োগকে জননিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে। একই সঙ্গে তিনি মব ভায়োলেন্স (গণপিটুনি), কিশোর গ্যাং এবং মাদকের বিস্তার রোধে পুলিশকে আরও কঠোর ও কার্যকর ভূমিকা রাখার নির্দেশ দেন। পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী ‘পুলিশ সপ্তাহ ২০২৬’-এর সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন এবং একটি নিরাপদ ও আইনানুগ সমাজ গঠনে পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ