মোটরসাইকেলসহ চোরাচালান চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার
- Update Time : ০৬:৫০:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬
- / ১১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: পুলিশের বিশেষ অভিযানে অবৈধ মোটরসাইকেলসহ চোরাচালানি চক্রের ৯ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাতে সিলেট-কুমিল্লা মহাসড়কের বুড়িচং থানাধীন ময়নামতি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন, সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার কচুয়ারপাড় গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে কামিম আহম্মদ (২৮), সিলেট কোতোয়ালি থানার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের শাহী ঈদগা এলাকার মনির মিয়ার ছেলে করিম (৩০), সুনামগঞ্জ সদর থানার পুরাতন গদিগাঁও গ্রামের শাহ আলমের ছেলে সাইদুল ইসলাম (২২), সিলেটের জালালাবাদ থানার নলকট গ্রামের তরিক মিয়ার ছেলে পাবেল আহম্মদ (২৬), একই থানার নীলগাঁও গ্রামের খালেকের ছেলে হোসাইন (২৩), সুনামগঞ্জের দিরাই থানার দিরাই চান্দপুর গ্রামের হেমেন্দ্র চন্দ্রদাসের ছেলে রিপন চন্দ্র দাস (২৯), সিলেট কোতোয়ালি থানার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের চারাদিঘিরপাড় এলাকার সালাউদ্দিনের ছেলে রাজু আহম্মদ (২৮), সুনামগঞ্জের ছাতক থানার তাতিকোনা গ্রামের সাহেদ আলীর ছেলে আবিদুল ইসলাম (২৮) এবং সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার সালুটিঘর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে কাওছার হোসেন (২৬)।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ জানায়, একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভারত থেকে সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মোটরসাইকেল বাংলাদেশে এনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশ্যে পরিবহন করছে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পেরে ডিবির একটি চৌকস দল ওই এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়। শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ছয়টি মোটরসাইকেলে করে নয়জন ব্যক্তি সেখানে পৌঁছালে পুলিশ তাদের থামার জন্য সংকেত দেয়। চক্রের সদস্যরা পালানোর চেষ্টার করলেও তারা ডিবির হাতে আটক হয়।
ডিবি পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা পরস্পর যোগসাজশ ও সহযোগিতার মাধ্যমে সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে চোরাইপথে সরকারি শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে মোটরসাইকেল বাংলাদেশে আনার কথা স্বীকার করেন। পরে এসব মোটরসাইকেল কুমিল্লা, ফেনী ও কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রির উদ্দেশে নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে তারা জানিয়েছেন।
কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামছুল আলম শাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




























