১০:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পারিবারিক কলহের জেরে দুই সন্তানকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দিলেন বাবা

  • Update Time : ০৭:০৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
  • / ১৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে দুই শিশু সন্তানকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দিলেন বাবা। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো: কামরুল হাসান। পুলিশ অভিযুক্ত বাবাকে আটক করেছে এবং দুই দিনে দুই শিশুর মরদেহ হাওরের দুটি স্থান থেকে উদ্ধার করেছে। রোববার ৯ আগষ্ট তার দুই সন্তানকে হত্যা করে হাওরের পানিতে ফেলে দেয় কামরুল। নিহত দুই শিশু হলো- মুহাদ্দিস (৬) ও তুলনা আক্তার (৪)। তুলনা আক্তারের লাশ মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ শান্তিগঞ্জ উপজেলার দেখার হাওরের বড়কাপন এবং মুহাদ্দিসের লাশ বুধবার দুপুরে একই হাওরের সদর উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত কামরুল ইসলামের বাড়ি দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা। কামরুল নিজের দুই সন্তানকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, কামরুলের চার সন্তান আছে। সন্তানদের ঝগড়া হলে তাদের মারধর করতেন তাদের মা। এ নিয়ে বউ-শ্বাশুড়ির মধ্যে ঝগড়া হতো। এর জেরে কামরুল রবিবার দুই সন্তানকে নিয়ে হত্যা করে দেখার হাওরে লাশ ফেলে দেন। কামরুল হাসান দুই সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে সুনামগঞ্জে পাঠানো হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

পারিবারিক কলহের জেরে দুই সন্তানকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দিলেন বাবা

Update Time : ০৭:০৪:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জে পারিবারিক কলহের জেরে দুই শিশু সন্তানকে হত্যা করে পানিতে ফেলে দিলেন বাবা। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মো: কামরুল হাসান। পুলিশ অভিযুক্ত বাবাকে আটক করেছে এবং দুই দিনে দুই শিশুর মরদেহ হাওরের দুটি স্থান থেকে উদ্ধার করেছে। রোববার ৯ আগষ্ট তার দুই সন্তানকে হত্যা করে হাওরের পানিতে ফেলে দেয় কামরুল। নিহত দুই শিশু হলো- মুহাদ্দিস (৬) ও তুলনা আক্তার (৪)। তুলনা আক্তারের লাশ মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ শান্তিগঞ্জ উপজেলার দেখার হাওরের বড়কাপন এবং মুহাদ্দিসের লাশ বুধবার দুপুরে একই হাওরের সদর উপজেলার গোবিন্দপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত কামরুল ইসলামের বাড়ি দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা। কামরুল নিজের দুই সন্তানকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, কামরুলের চার সন্তান আছে। সন্তানদের ঝগড়া হলে তাদের মারধর করতেন তাদের মা। এ নিয়ে বউ-শ্বাশুড়ির মধ্যে ঝগড়া হতো। এর জেরে কামরুল রবিবার দুই সন্তানকে নিয়ে হত্যা করে দেখার হাওরে লাশ ফেলে দেন। কামরুল হাসান দুই সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে সুনামগঞ্জে পাঠানো হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ