১২:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শান্তিগঞ্জে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • Update Time : ০৫:০৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • / ৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার গনিগঞ্জ গ্রামের পুলিশ সদস্য জুনাইদ মিয়ার বিরুদ্ধে শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও শিমুলবাক ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. শাহীনুর রহমান শাহীন সহ তার পরিবারের সদস্যরা মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একতরফা ভাবে প্রচার করার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। আজ বৃহস্পতিবার (২২শে মে) সকাল ১১টায় শান্তিগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন করেন পুলিশ সদস্যের মা গণিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা মোছা. হেলেনা বেগম। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পুলিস সদস্য জুনাইদ মিয়ার পিতা ফখরুল ইসলাম ও চাচাতো ভাই হোসাইন আহমদ। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সদস্যে মা মোছা. হেলেনা বেগম বলেন, আমার বাবা বাড়ী শিমুলবাক গ্রামে এবং স্বামীর বাড়ী একই উপজেলার গণিগঞ্জ গ্রামে অবস্থিত। আমার দুই ভাই জাহাঙ্গীর আলম ও শামছুল আলম দুইজন প্রবাসী এবং বাড়ীতে মা জোৎস্না বেগম ও তাহার ভাইয়ের বউ বুশরা বেগম বসবাস করেন। গত বুধবার (১৪ মে) দুপুরে শিমুলবাক গ্রামে হাজী মোহাম্মদ আজাহার আলী ও তার ছেলে মো. শাহীনুর রহমান শাহীন, আকিক মিয়া, মাসুদ মিয়া গংরা হেলেনা বেগমের মা জোৎস্না বেগমের বৈশাখী ধানের খলায় থাকা ধান লুটপাট করিয়া নিয়া যায়। তখন মা জোৎস্না বেগম ও তার বোন হেনা বেগমকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মারপিট করে। খবর পেয়ে পুলিশ সদস্য জুনাইদ মিয়াকে শিমুলবাক গ্রামে গেলে ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহীনুর রহমান শাহীন, তার ভাই আকিক মিয়া, মাসুদ মিয়া ও তাহাদের পিতা মোহাম্মদ আজাহার আলী পুলিশ সদস্য জুনাইদ মিয়াকে দেখে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় বৈশাখী খলার আশপাশে অনেক লোকজন ছিল এবং তাহাদের মোবাইলে উক্ত গালিগালাজের ভিডিও ধারণ করে আশপাশের লোকজন। একপর্যায়ে জুনাইদ মিয়া প্রতিবাদ করিয়া শিমুলবাক গ্রাম হইতে গণিগঞ্জ গ্রামে চলে আসে। তিনি আরো বলেন, শন্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও শিমুলবাক ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. শাহীনুর রহমান শাহীন, আকিক মিয়া, মাসুদ মিয়া ও তাহাদের পিতা মোহাম্মদ আজাহার আলী গংরা আমার পরিবারের মানহানি ও বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে এবং আমার ছেলে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছাড়ার মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচার করছে। যা মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্র মূলক অপবাদ ও উদ্যেশ্য প্রনোদিত। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানূগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানাই। সংবাদ সম্মেলনে শান্তিগঞ্জে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দরাও উপস্থিত ছিলেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

শান্তিগঞ্জে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

Update Time : ০৫:০৪:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার গনিগঞ্জ গ্রামের পুলিশ সদস্য জুনাইদ মিয়ার বিরুদ্ধে শান্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও শিমুলবাক ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. শাহীনুর রহমান শাহীন সহ তার পরিবারের সদস্যরা মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় একতরফা ভাবে প্রচার করার প্রতিবাদে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। আজ বৃহস্পতিবার (২২শে মে) সকাল ১১টায় শান্তিগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিক সম্মেলন করেন পুলিশ সদস্যের মা গণিগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা মোছা. হেলেনা বেগম। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পুলিস সদস্য জুনাইদ মিয়ার পিতা ফখরুল ইসলাম ও চাচাতো ভাই হোসাইন আহমদ। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সদস্যে মা মোছা. হেলেনা বেগম বলেন, আমার বাবা বাড়ী শিমুলবাক গ্রামে এবং স্বামীর বাড়ী একই উপজেলার গণিগঞ্জ গ্রামে অবস্থিত। আমার দুই ভাই জাহাঙ্গীর আলম ও শামছুল আলম দুইজন প্রবাসী এবং বাড়ীতে মা জোৎস্না বেগম ও তাহার ভাইয়ের বউ বুশরা বেগম বসবাস করেন। গত বুধবার (১৪ মে) দুপুরে শিমুলবাক গ্রামে হাজী মোহাম্মদ আজাহার আলী ও তার ছেলে মো. শাহীনুর রহমান শাহীন, আকিক মিয়া, মাসুদ মিয়া গংরা হেলেনা বেগমের মা জোৎস্না বেগমের বৈশাখী ধানের খলায় থাকা ধান লুটপাট করিয়া নিয়া যায়। তখন মা জোৎস্না বেগম ও তার বোন হেনা বেগমকে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা মারপিট করে। খবর পেয়ে পুলিশ সদস্য জুনাইদ মিয়াকে শিমুলবাক গ্রামে গেলে ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহীনুর রহমান শাহীন, তার ভাই আকিক মিয়া, মাসুদ মিয়া ও তাহাদের পিতা মোহাম্মদ আজাহার আলী পুলিশ সদস্য জুনাইদ মিয়াকে দেখে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এসময় বৈশাখী খলার আশপাশে অনেক লোকজন ছিল এবং তাহাদের মোবাইলে উক্ত গালিগালাজের ভিডিও ধারণ করে আশপাশের লোকজন। একপর্যায়ে জুনাইদ মিয়া প্রতিবাদ করিয়া শিমুলবাক গ্রাম হইতে গণিগঞ্জ গ্রামে চলে আসে। তিনি আরো বলেন, শন্তিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও শিমুলবাক ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. শাহীনুর রহমান শাহীন, আকিক মিয়া, মাসুদ মিয়া ও তাহাদের পিতা মোহাম্মদ আজাহার আলী গংরা আমার পরিবারের মানহানি ও বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে এবং আমার ছেলে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছাড়ার মিথ্যা অপবাদ ও অপপ্রচার করছে। যা মিথ্যা, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্র মূলক অপবাদ ও উদ্যেশ্য প্রনোদিত। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং দোষী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানূগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানাই। সংবাদ সম্মেলনে শান্তিগঞ্জে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দরাও উপস্থিত ছিলেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ