আওয়ামী লীগ শিক্ষা বান্ধব সরকার: সিলেটে শিক্ষামন্ত্রী
- Update Time : ০৬:৫০:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২
- / ১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে
ডেস্ক রিপোর্ট :: শিক্ষান্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. দীপু মনি এমপি বলেছেন, কয়েকটি বিষয়কে সামনে রেখে আমরা সিলেটে এসেছি। মূলত জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কাজের অবলোকন ও শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা ও মাজার জিয়ারত করার জন্যই সিলেটে আসা। প্রথমেই দলীয় সাংগঠনিক প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সাংগঠনিক অনেক আলোচনা রয়েছে। ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন হয়েছে। সামনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হবে। দু বছর পরে জাতীয় নির্বাচন। সুতরাং দলকে সাংগঠনিকভাবে ঘুচানো এবং এগিয়ে নিতে সুন্দর প্রস্তুতি নিতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে কেউ যেন ব্যাহত করতে না পারে সেইভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে ভুল ত্রুটি বের করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে এবং জননেত্রীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। তারপর তিনি শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গে বলেন, সৃষ্ট ঘটনা সম্পর্কে আপনারা সবাই জানেন। সরকারের পক্ষ থেকে যা করনীয় তা করার চেষ্টা করা হয়েছে। আপনাদের আন্দোলনের কারণেই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছে। সেক্ষেত্রে আপনারা সমস্যা সমাধানে সার্বক্ষনিক পাশে ছিলেন এবং কাজ করেছেন। আপনাদের অনেকের সাথেই সেই সময় কথা হয়েছে। তবে হঠাৎ করেই যে কোনো একটা কিছু দিয়ে সমস্যার সমাধান হয়েছে তা নয়। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর ধারণ ক্ষমতার সমস্যা, হলের সমস্যা, গবেষণার সমস্যা, অবকাঠামোগত সমস্যা সহ নানান সমস্যা বিদ্যমান। অবশ্যই এই সব সমস্যার সমাধান করা প্রয়োজন। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরেও নানান সমস্যা থাকে। এধরনের সমস্যা সমাধানে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও আমরা কাজ করি এবং এখানেও করছি। তবে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে এধরণের সমস্যা হয়। তখন বিভিন্ন পক্ষ যেমন তৃতীয় পক্ষ, চতুর্থ পক্ষের ঘটনায় ঢুকে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। কিছু কিছু মহল থাকে তারা বিভিন্ন জায়গায় অনুপ্রবেশ করে এবং সংকটকে ঘনীভূত করার চেষ্টা করে। ঘোলা পানিতে মাছ ধরার চেষ্টা করে। আমরা আশা করি, সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে সেগুলো বন্ধ করতে পারবো। কেউ যেন কোনো অন্যায় ও সুযোগ গ্রহণ করতে না পারে আমরা সেখানে কাজ করবো। তিনি বলেন, আপনারা জানেন, এই সরকার জনগণের সরকার এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করে। একই সঙ্গে এই সরকার শিক্ষা বান্ধব সরকার। সরকার সারা দেশে শিক্ষার প্রসারে অভূতপূর্ব কাজ করেছে এবং যা অর্জন করেছে তার একটি অংশ আপনাদেরই সন্তান সাবেক শিক্ষামন্ত্রীর অবদান। বর্তমানে শিক্ষার মানোন্নয়নের জন্য আমরা কাজ করছি। তার একটি অংশ অবশ্যই উচ্চতর শিক্ষা। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুন্দর পরিবেশ, শিক্ষার্থীরা যেন উপযুক্ত পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারে, দক্ষতা অর্জন করতে পারে, জ্ঞান অর্জন করতে পারে, বিশ্ব নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে সেই চেষ্টা আমাদের রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র দিক নির্দেশনায় সে জন্য আমরা কাজ করছি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে সমস্যা বা ভুল-ত্রুটি থাকতে পারে। সেগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যায় এবং তা করতে পারবো। আমাদের সেই আন্তরিক প্রচেষ্টা আছে। নেতৃবৃন্দ আপনাদের সকলের সহযোগিতাও প্রয়োজন। ইতিমধ্যে আপনারা সেই ভূমিকা পালন করছেন। রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষক, শিক্ষার্থী সবাইকে নিয়েই কাজ করতে চাই। কাজের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়ে সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরে আসবে। শুক্রবার (১১ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে সিলেট সার্কিট হাউজে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী এর সভাপতিত্বে ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ জাকির হোসেন এর পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি। বক্তব্য রাখেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নাসির উদ্দীন খান। এসময়ে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আশফাক আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক,অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, মোঃ সানাওর, জগদীশ চন্দ্র দাস, উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এটি.এম হাসান জেবুল, মোহাম্মদ আলী দুলাল, আজাদুর রহমান আজাদ। সম্পাদকমন্ডলীর সদস্যবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-এডভোকেট মাহফুজুর রহমান,এড. আজমল আলী, খন্দকার মহসিন কামরান, নজমুল ইসলাম এহিয়া, আব্দুর রহমান জামিল, শমসের জামাল, এডভোকেট মোহাম্মদ আব্বাছ উদ্দিন, এমাদ উদ্দিন মানিক, বুরহান উদ্দিন আহমদ,ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াছ,এড. ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী, আজিজুল হক মঞ্জু,সাইফুর রহমান খোকন, ডা: মোহাম্মদ সাকির আহমদ (শাহীন),রজত কান্তি গুপ্ত, এডভোকেট সৈয়দ শামীম আহমদ , মো: মজির উদ্দিন, অমিতাভ চক্রবর্ত্তী রনি ,মতিউর রহমান, সোয়েব আহমদ। কার্যনির্বাহী সদস্য আজম খান, এডভোকেট কিশোর কুমার কর, মোঃ আব্দুল আজিম জুনেল,মো: নিজাম উদ্দিন,সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন,এড. বদরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, আবু হেনা মোঃ ফিরোজ আলী, আমাতোজ জোহরা রওশন জেবিন, এড. আফসর আহমদ, এড. ফখরুল ইসলাম, এড. মনসুর রশীদ, এডভোকেট মোহাম্মদ জাহিদ সারোয়ার সবুজ, তৌফিক বক্স লিপন, আবুল মহসিন চৌধুরী মাসুদ, শিপা বেগম শুপা,সিলেট জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সালমা বাছিত, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সালমা সুলতানা প্রমুখ।




























