০৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বর- পাপমোচন করে : শাহ মমশাদ আহমদ

  • Update Time : ০২:১৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১
  • / ৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

সুস্থতা আল্লাহ পাকের নেয়ামত, ঠিক তেমনি অসুস্থতাও আল্লাহর নেয়ামাত, কেননা অসুস্থ হলেই সুস্থতার কদর অনুভব করা যায়, অসুস্থতার কারণে মানুষ নিজ অক্ষমতা ও দুর্বলতা বুঝতে পারে, আল্লাহর দিকে ধাবিত হয়, আল্লাহর রহমত ও তার দিকে এগিয়ে আসে, সে ক্ষমা প্রাপ্ত হয়।

 

বর্তমানে সিলেটের চতুর্দিকে ব্যাপকহারে জ্বরের প্রকোপ দেখা দিয়েছে, করোনাভাইরাসের প্রকোপের সময় জ্বর হলেই আতংকিত না হয়ে সবরের সাথে পরিস্থিতি উত্তরন করার চেষ্টা প্রয়োজন, মুমিনের জীবনে জ্বর মানেই ক্ষতিকর নয়, সুসংবাদ ও বহন করে।

 

রাসুলুল্লাহ (সঃ) উম্মে সাইবের বাড়িতে গেলেন, তিনি জ্বরের প্রকোপে কাঁপছিলেন, প্রিয় নবী সঃ জিজ্ঞেস করলেন তোমার কি হয়েছে? তিনি বললেন জ্বর, আল্লাহ জ্বরের সর্বনাশ করুন। একথা শুনে রাসুল সঃ বলেন, থামো, জ্বরকে গালি দিওনা, কেননা তা মুমিন বান্দার গুনাহ সমুহ দূরীভূত করে যেমন হাপড় লোহার মরিচিকা দুর করে (মুসলিম)।

 

অপর রেওয়াতে জ্বরাক্রান্ত হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাঃ কে উদ্দেশ্য করে নবী সঃ বলেন, জ্বরকে মন্দ বলনা, এটি বনি আদমের গুনাহকে এভাবে দুর করে দেয়, যেভাবে আগুন শুকনো লাকড়ি জ্বালিয়ে শেষ করে দেয়। (মুসলিম)।

 

প্রিয় নবী সঃ বলেন, জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ থেকে বা উত্তাপের কারণে হয়, অতএব তোমরা পানি দিয়ে ঠান্ডা কর।(বুখারী)।

 

এ বছর দুবার জ্বরাক্রান্ত হয়ে অনুভব করছি, এবারকার জ্বরের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুব মারাত্মক, গায়ে প্রচন্ড ব্যাথা, অশান্তিভাব। করোনা আতংকে অস্থিরতা ও এর কারণ।

 

অধিক জলপট্রির ব্যবহার, গরম চা ও কুসুম গরম পানি পান সর্বোপরি সবর ও ধৈর্য্যের সাথে আল্লাহর দিকে মনোযোগী হয়ে আমরা যদি জ্বর নেয়ামাত ভোগকরতে পারি, ইনশাআল্লাহ ইহ-পরকালীন বিনিময়প্রাপ্ত হব।
আল্লাহ আমাদের তাওফিক দিন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

জ্বর- পাপমোচন করে : শাহ মমশাদ আহমদ

Update Time : ০২:১৯:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জুলাই ২০২১

সুস্থতা আল্লাহ পাকের নেয়ামত, ঠিক তেমনি অসুস্থতাও আল্লাহর নেয়ামাত, কেননা অসুস্থ হলেই সুস্থতার কদর অনুভব করা যায়, অসুস্থতার কারণে মানুষ নিজ অক্ষমতা ও দুর্বলতা বুঝতে পারে, আল্লাহর দিকে ধাবিত হয়, আল্লাহর রহমত ও তার দিকে এগিয়ে আসে, সে ক্ষমা প্রাপ্ত হয়।

 

বর্তমানে সিলেটের চতুর্দিকে ব্যাপকহারে জ্বরের প্রকোপ দেখা দিয়েছে, করোনাভাইরাসের প্রকোপের সময় জ্বর হলেই আতংকিত না হয়ে সবরের সাথে পরিস্থিতি উত্তরন করার চেষ্টা প্রয়োজন, মুমিনের জীবনে জ্বর মানেই ক্ষতিকর নয়, সুসংবাদ ও বহন করে।

 

রাসুলুল্লাহ (সঃ) উম্মে সাইবের বাড়িতে গেলেন, তিনি জ্বরের প্রকোপে কাঁপছিলেন, প্রিয় নবী সঃ জিজ্ঞেস করলেন তোমার কি হয়েছে? তিনি বললেন জ্বর, আল্লাহ জ্বরের সর্বনাশ করুন। একথা শুনে রাসুল সঃ বলেন, থামো, জ্বরকে গালি দিওনা, কেননা তা মুমিন বান্দার গুনাহ সমুহ দূরীভূত করে যেমন হাপড় লোহার মরিচিকা দুর করে (মুসলিম)।

 

অপর রেওয়াতে জ্বরাক্রান্ত হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাঃ কে উদ্দেশ্য করে নবী সঃ বলেন, জ্বরকে মন্দ বলনা, এটি বনি আদমের গুনাহকে এভাবে দুর করে দেয়, যেভাবে আগুন শুকনো লাকড়ি জ্বালিয়ে শেষ করে দেয়। (মুসলিম)।

 

প্রিয় নবী সঃ বলেন, জ্বর জাহান্নামের উত্তাপ থেকে বা উত্তাপের কারণে হয়, অতএব তোমরা পানি দিয়ে ঠান্ডা কর।(বুখারী)।

 

এ বছর দুবার জ্বরাক্রান্ত হয়ে অনুভব করছি, এবারকার জ্বরের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুব মারাত্মক, গায়ে প্রচন্ড ব্যাথা, অশান্তিভাব। করোনা আতংকে অস্থিরতা ও এর কারণ।

 

অধিক জলপট্রির ব্যবহার, গরম চা ও কুসুম গরম পানি পান সর্বোপরি সবর ও ধৈর্য্যের সাথে আল্লাহর দিকে মনোযোগী হয়ে আমরা যদি জ্বর নেয়ামাত ভোগকরতে পারি, ইনশাআল্লাহ ইহ-পরকালীন বিনিময়প্রাপ্ত হব।
আল্লাহ আমাদের তাওফিক দিন। লেখক: মুহাদ্দিস ও কলামিস্ট, সিলেট।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ