০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে যৌতুকের জন্য নববধূকে নির্যাতন

  • Update Time : ০১:০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে যৌতুকের জন্য আবারও স্বামী, শশুড় ও শাশুড়ির নির্যাতনের শিকার হয়েছেন সেজি আক্তার (২০) নামের এক গৃহবধূ। তিনি উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের নয়াসৎপুর গ্রামের মৃত ফরিদ উদ্দিনের মেয়ে। আর অভিযুক্ত স্বামী সুজন মিয়া (২৫), শশুড় জমসেদ আলী (৫৫) শাশুড়ি মতিরুন নেছা (৪৫) তারাও একই গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার বিকেলে স্বামীর বাড়িতে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাবার বাড়িতে আসলে মা সাফিয়া বেগম তাকে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে ওইদিন রাতেই থানা পুলিশের এসআই সঞ্জয় দেব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় গতকাল শনিবার নির্যাতিতার মা সাফিয়া বেগম বিশ্বনাথ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, দেওকলস ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন বছর খানেক আগে মারা যান। এরপর রাস্তায় মাটি কাটার কাজ করে ৫/৬মাস আগে ফরিদের স্ত্রী সাফিয়া বেগম তাদের বড় মেয়ে সেজি আক্তারকে একই গ্রামের সুজন মিয়ার সঙ্গে বিয়ে দেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকে প্রতিমাসেই তার মেয়েকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করেন জামাতা সুজন ও তার মা-বাবা।

 

এনিয়ে একাধিকবার সাালিশ বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু তারপওর মেয়ের সুখের জন্য সাফিয়া বেগম মাটি কাটার কাজ করেও জামাতা সুজনকে টাকা দিতেন। সর্বশেষ শুক্রবার বিকেলে আবারও যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় সেজি আক্তারকে মারধর করেন তারা। এসআই সঞ্জয় লাল দেব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে যৌতুকের জন্য নববধূকে নির্যাতন

Update Time : ০১:০৮:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: সিলেটের বিশ্বনাথে যৌতুকের জন্য আবারও স্বামী, শশুড় ও শাশুড়ির নির্যাতনের শিকার হয়েছেন সেজি আক্তার (২০) নামের এক গৃহবধূ। তিনি উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের নয়াসৎপুর গ্রামের মৃত ফরিদ উদ্দিনের মেয়ে। আর অভিযুক্ত স্বামী সুজন মিয়া (২৫), শশুড় জমসেদ আলী (৫৫) শাশুড়ি মতিরুন নেছা (৪৫) তারাও একই গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার বিকেলে স্বামীর বাড়িতে নির্যাতনের শিকার হয়ে বাবার বাড়িতে আসলে মা সাফিয়া বেগম তাকে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে ওইদিন রাতেই থানা পুলিশের এসআই সঞ্জয় দেব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ঘটনায় গতকাল শনিবার নির্যাতিতার মা সাফিয়া বেগম বিশ্বনাথ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

 

 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, দেওকলস ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন বছর খানেক আগে মারা যান। এরপর রাস্তায় মাটি কাটার কাজ করে ৫/৬মাস আগে ফরিদের স্ত্রী সাফিয়া বেগম তাদের বড় মেয়ে সেজি আক্তারকে একই গ্রামের সুজন মিয়ার সঙ্গে বিয়ে দেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকে প্রতিমাসেই তার মেয়েকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করেন জামাতা সুজন ও তার মা-বাবা।

 

এনিয়ে একাধিকবার সাালিশ বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু তারপওর মেয়ের সুখের জন্য সাফিয়া বেগম মাটি কাটার কাজ করেও জামাতা সুজনকে টাকা দিতেন। সর্বশেষ শুক্রবার বিকেলে আবারও যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় সেজি আক্তারকে মারধর করেন তারা। এসআই সঞ্জয় লাল দেব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ