১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৪০

  • Update Time : ০১:৩২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: ‘বাড়িতে করোনা রোগী আছে, তাই ওই বাড়িতে বৈঠক করা যাবে না’ একথার জের ধরে সিলেটের বিশ্বনাথে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের গয়াছ আলী গং ও রফিক আলীর গংদের মধ্যে এ সংঘষের্র ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ইট-পাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দু’পক্ষের মধ্যে চলা সংঘর্ষে পথচারী ও সালিশী ব্যক্তিত্বসহ উভয় পক্ষে অনন্ত ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুত্বর আহত দু’জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এলাকাবাসী বিষয়টি আপোষ-মিমাংসার শেষ করার জন্য চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন রামপাশা ইউনিয়নের স্থানীয় মেম্বার নাসির উদ্দিন।

 

 

সংঘর্ষে রফিক আলীর গংদের পক্ষের আহতরা হলেন- কাদিপুর গ্রামের মৃত হারুনুর রশিদের পুত্র আঙ্গুর আলী (৬০), আশরাফ আলী (১৮), মা নূরুন্নেছা পাতারুন (৫৫), মৃত উস্তার আলীর পুত্র আক্তার হোসেন (২২), মৃত ফজর আলীর পুত্র মুহিব উদ্দিন (২৬)

 

 

এবং গয়াছ আলী গংদের পক্ষের আহতরা হলেন- একই গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র বিলাল উদ্দিন (৫০), মৃত ইর্শ্বাদ আলীর পুত্র গয়াছ আলী (৫০), মৃত ফিরোজ আলীর পুত্র ফরিদ আলী (৩০), ইলিয়াছ আলীর পুত্র ইকবাল হেসেন (২০), কামিল আহমদ (১৭), মৃত আরজান আলীর পুত্র গৌছ আলী (৩০)। এদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় ফরিদ আলী ও বিলাল উদ্দিনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর বাকীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহন করেছেন।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ রমজান রফিক আলীর স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তিতে নমুনা পরীক্ষা করলে রফিক আলীর স্ত্রীর করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু ২১ রমজান রফিক আলীর ভাই প্রবাসী আইয়ুব আলী নিজ বাড়িতে একটি বিষয়ে আলোচনা করার জন্য গয়াস গংদের পক্ষের আঙ্গুর আলীকে ডাকেন। কিন্তু আঙ্গুর আলীসহ গ্রামের অন্যরা জানান করোনা রোগীর বাড়িতে বৈঠক করা যাবে না। আর একথা বলার জের ধরে পরের দিন দু’পক্ষের কথা কাটাকাটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। এরই জের ধরে গত বুধবার ফের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এলাকাবাসী বিষয়টি আপোষ-মিমাংশার সমাধান করার জন্য উদ্যোগ গ্রহন করে (বৃহস্পতিবার বাদ যোহর) বৈঠকের তারিখও নির্ধারণ করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বৈঠকে বসার পূর্বেই সকালে উভয় পক্ষ আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পরেন। এতে পথচারী, সালিশী ব্যক্তিত্বসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

বিশ্বনাথে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৪০

Update Time : ০১:৩২:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: ‘বাড়িতে করোনা রোগী আছে, তাই ওই বাড়িতে বৈঠক করা যাবে না’ একথার জের ধরে সিলেটের বিশ্বনাথে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের গয়াছ আলী গং ও রফিক আলীর গংদের মধ্যে এ সংঘষের্র ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
ইট-পাটকেল ও দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে দু’পক্ষের মধ্যে চলা সংঘর্ষে পথচারী ও সালিশী ব্যক্তিত্বসহ উভয় পক্ষে অনন্ত ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে গুরুত্বর আহত দু’জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এলাকাবাসী বিষয়টি আপোষ-মিমাংসার শেষ করার জন্য চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন রামপাশা ইউনিয়নের স্থানীয় মেম্বার নাসির উদ্দিন।

 

 

সংঘর্ষে রফিক আলীর গংদের পক্ষের আহতরা হলেন- কাদিপুর গ্রামের মৃত হারুনুর রশিদের পুত্র আঙ্গুর আলী (৬০), আশরাফ আলী (১৮), মা নূরুন্নেছা পাতারুন (৫৫), মৃত উস্তার আলীর পুত্র আক্তার হোসেন (২২), মৃত ফজর আলীর পুত্র মুহিব উদ্দিন (২৬)

 

 

এবং গয়াছ আলী গংদের পক্ষের আহতরা হলেন- একই গ্রামের মৃত রজব আলীর পুত্র বিলাল উদ্দিন (৫০), মৃত ইর্শ্বাদ আলীর পুত্র গয়াছ আলী (৫০), মৃত ফিরোজ আলীর পুত্র ফরিদ আলী (৩০), ইলিয়াছ আলীর পুত্র ইকবাল হেসেন (২০), কামিল আহমদ (১৭), মৃত আরজান আলীর পুত্র গৌছ আলী (৩০)। এদের মধ্যে গুরুতর আহত অবস্থায় ফরিদ আলী ও বিলাল উদ্দিনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর বাকীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা গ্রহন করেছেন।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ রমজান রফিক আলীর স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তিতে নমুনা পরীক্ষা করলে রফিক আলীর স্ত্রীর করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। কিন্তু ২১ রমজান রফিক আলীর ভাই প্রবাসী আইয়ুব আলী নিজ বাড়িতে একটি বিষয়ে আলোচনা করার জন্য গয়াস গংদের পক্ষের আঙ্গুর আলীকে ডাকেন। কিন্তু আঙ্গুর আলীসহ গ্রামের অন্যরা জানান করোনা রোগীর বাড়িতে বৈঠক করা যাবে না। আর একথা বলার জের ধরে পরের দিন দু’পক্ষের কথা কাটাকাটি সংঘর্ষে রূপ নেয়। এরই জের ধরে গত বুধবার ফের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এলাকাবাসী বিষয়টি আপোষ-মিমাংশার সমাধান করার জন্য উদ্যোগ গ্রহন করে (বৃহস্পতিবার বাদ যোহর) বৈঠকের তারিখও নির্ধারণ করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে বৈঠকে বসার পূর্বেই সকালে উভয় পক্ষ আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পরেন। এতে পথচারী, সালিশী ব্যক্তিত্বসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৪০ জন ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ