১১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোয়াইনঘাটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করছে শিক্ষার্থীরা

  • Update Time : ০২:২৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বর্তমানে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বিদ্যালয় মুখি হচ্ছে বর্তমান বাংলাদেশের ছেলে মেয়েরা। পাশাপাশি অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের সু শিক্ষার জন্য প্রতিদিন বিদ্যালয় পাঠাচ্ছে। ফিরে তাকালে দেখা যাবে আজ থেকে কয়েক বছর পূর্বে জীবিকার তাগিদে অথবা খরচের কথা চিন্তা করে, অভিভাকরা তাদের ছেলে মেয়েদের পড়ালেখার প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার জন্য অতটা জোরালো ভূমিক রাখতনা। বর্তমান বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে সরকারে পাশাপাশি অভিভাবক এবং ছেলে মেয়ারা শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেখিয়ে পড়াশোনায় এগিয়ে যাচ্ছে।

তেমনি সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৯নং ডৌবাড়ী ইউনিয়ন ও ৬নং ফতেপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এই লংপুর কাপনা নদীর সাথে লংপুরসহ পার্শবর্তী আরো দুটি গ্রামের সংযোগ হওয়ার ফলে প্রতিদিন তাদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কাপনা নদীর উপর বিশাল আকারের এই বাশের সাকু দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুকি নিয়ে কয়েকশ ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক অভিভাবক মহিলা মাদ্রাসা স্কুল কলেজে আসা যাওয়া করে।

একটু বৃষ্টি হলেই সাকুর বাশ গুলি পিছল্লিল হয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ঝুকিপূর্ন আকার ধারন করে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত এই ঝুকিপূর্ন বাশের সাকু দিয়ে শিক্ষা গ্রহনের জন্য বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করে।

এই ব্যপারে জানতে চাইলে কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায় আমরা বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার সময় এই সাকু পারাপার করতে গিয়ে প্রায় সময় অনেক শিক্ষর্থী সাকু থেকে পরে বই খাতা, বিদ্যালয়ের ড্রেস পানিতে বিজে নষ্ট হয়ে গিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার মত কোন পরিবেশ থাকেনা। আবার অনেকেই সাকু থেকে পরে হাতে-পায়ে ব্যথা পেয়ে কয়েক দিন বিদ্যালয়ে অনপুস্থিত থাকে।

এই ব্যপারে কয়েকজন শিক্ষক জানান এই সাকু দিয়ে কয়েক গ্রামের ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করে। একটু বৃষ্টি হলেই কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। তাই বিদ্যালয়ের পক্ষথেকে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করি অচিরেই যেন বাশের সাকুর পরিবর্তে একটি পাকা ব্রীজ করতে যেন কর্তৃপক্ষের সু মর্জি হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

গোয়াইনঘাটে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করছে শিক্ষার্থীরা

Update Time : ০২:২৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ মে ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বর্তমানে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বিদ্যালয় মুখি হচ্ছে বর্তমান বাংলাদেশের ছেলে মেয়েরা। পাশাপাশি অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের সু শিক্ষার জন্য প্রতিদিন বিদ্যালয় পাঠাচ্ছে। ফিরে তাকালে দেখা যাবে আজ থেকে কয়েক বছর পূর্বে জীবিকার তাগিদে অথবা খরচের কথা চিন্তা করে, অভিভাকরা তাদের ছেলে মেয়েদের পড়ালেখার প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার জন্য অতটা জোরালো ভূমিক রাখতনা। বর্তমান বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে সরকারে পাশাপাশি অভিভাবক এবং ছেলে মেয়ারা শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেখিয়ে পড়াশোনায় এগিয়ে যাচ্ছে।

তেমনি সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার ৯নং ডৌবাড়ী ইউনিয়ন ও ৬নং ফতেপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত এই লংপুর কাপনা নদীর সাথে লংপুরসহ পার্শবর্তী আরো দুটি গ্রামের সংযোগ হওয়ার ফলে প্রতিদিন তাদের নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। কাপনা নদীর উপর বিশাল আকারের এই বাশের সাকু দিয়ে প্রতিদিন জীবনের ঝুকি নিয়ে কয়েকশ ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষক অভিভাবক মহিলা মাদ্রাসা স্কুল কলেজে আসা যাওয়া করে।

একটু বৃষ্টি হলেই সাকুর বাশ গুলি পিছল্লিল হয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য ঝুকিপূর্ন আকার ধারন করে। জীবনের মায়া ত্যাগ করে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত এই ঝুকিপূর্ন বাশের সাকু দিয়ে শিক্ষা গ্রহনের জন্য বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করে।

এই ব্যপারে জানতে চাইলে কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায় আমরা বিদ্যালয়ে আসা যাওয়ার সময় এই সাকু পারাপার করতে গিয়ে প্রায় সময় অনেক শিক্ষর্থী সাকু থেকে পরে বই খাতা, বিদ্যালয়ের ড্রেস পানিতে বিজে নষ্ট হয়ে গিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হওয়ার মত কোন পরিবেশ থাকেনা। আবার অনেকেই সাকু থেকে পরে হাতে-পায়ে ব্যথা পেয়ে কয়েক দিন বিদ্যালয়ে অনপুস্থিত থাকে।

এই ব্যপারে কয়েকজন শিক্ষক জানান এই সাকু দিয়ে কয়েক গ্রামের ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসা যাওয়া করে। একটু বৃষ্টি হলেই কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীরা জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। তাই বিদ্যালয়ের পক্ষথেকে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করি অচিরেই যেন বাশের সাকুর পরিবর্তে একটি পাকা ব্রীজ করতে যেন কর্তৃপক্ষের সু মর্জি হয়।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ