০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুলাঙ্গার সিরাজউদ্দৌলাকে ফাঁসি না দিলে পরিস্থিতি হবে ভয়াবহ- মাদানী কাফেলা বাংলাদেশ

  • Update Time : ০৫:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০১৯
  • / ০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ফেনীতে সোনারগাজী পৌর এলাকায় ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যা ও কক্সবাজারে মাধকবিরোধী বক্তব্য দেয়ায় মসজিদের ইমামকে নির্যাতনের প্রতিবাদে সিলেট নগরীর কোর্ট পয়েন্টে শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বাদ জুমুআ মানববন্ধন করেছে মাদানী কাফেলা বাংলাদেশ। মাদানী কাফেলা বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা রুহুল আমিন নগরীর সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদারের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- জাতীয় ইমাম সমিতি সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব, মাদানী কাফেলা বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সালেহ আহমদ শাহবাগী, সিলেট জেলা আহবায়ক হাফিজ মাওলানা মাসুদ আহজার, যুব নেতা মাওলানা ফয়সল আহমদ, মাদরাসাতুল মদিনা সিলেটের শিক্ষাসচিব মুফতি মোহাম্মদ জাকারিয়া খান, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাওলানা কবির আহমদ, মাওলানা খালেদ আহমদ, ছাত্রনেতা ফয়েজ উদ্দিন, মাওলানা হাবিবুর রহমান, হাফিজ জাহেদ আহমদ, ফাহিম আহমদ সুমন, কে এম লুকমান প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফেনীতে আলিয়া মাদারসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন হয়রানী ও নিষ্ঠুর ভাবে অগ্নিদগ্ধ করে হত্যার ঘটনা পৃথিবীর সকল বর্বরতাকে হার মানিয়েছে। এ পাশবিক হত্যাকান্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। যেন এ বিচার থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আর কেউ এ ধরনের জঘন্যতম অপরাধ করার দুঃসাহস না দেখায়। বক্তারা বলেন, অপরাধীরা বারবার বিনা বিচারে পার পাওয়ায় এ ধরনের ভয়াবহ অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। নুসরাত হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের খুজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা সরকারের দায়িত্ব। এ মামলায় কোন প্রকার গাফলতি দেশবাসি বরদাশত করবে না।
নেতৃবৃন্দ বলেন- সিরাজ উদ্দৌলা শিক্ষক নামের কলঙ্ক। তার ফাঁসি না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। তার এমন অনৈতিক কর্মকান্ডে দেশের আলেম সমাজসহ সাধারণ মানুষ হতাশ হয়েছে। যারা ব্যক্তিজীবন ও সামাজিক জীবনে ইসলামের নবী মোহাম্মদ (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এর সঠিক আদর্শ বাস্তবায়ন করতে পারে না তাদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া অনুচিত। এরা শিক্ষক নামে অযোগ্য। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- কক্সবাজার মসজিদে মাদক বিরোধী বক্তব্য দেয়ায় নব্বই ভাগ মুসলমানদের দেশের একজন ইমামকে এভাবে নির্যাতন মেনে নেয়া যায় না। অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে নুসরাত হত্যাকারী ও ইমাম নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। বিজ্ঞপ্তি

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

কুলাঙ্গার সিরাজউদ্দৌলাকে ফাঁসি না দিলে পরিস্থিতি হবে ভয়াবহ- মাদানী কাফেলা বাংলাদেশ

Update Time : ০৫:১৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০১৯

ফেনীতে সোনারগাজী পৌর এলাকায় ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদরাসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যা ও কক্সবাজারে মাধকবিরোধী বক্তব্য দেয়ায় মসজিদের ইমামকে নির্যাতনের প্রতিবাদে সিলেট নগরীর কোর্ট পয়েন্টে শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বাদ জুমুআ মানববন্ধন করেছে মাদানী কাফেলা বাংলাদেশ। মাদানী কাফেলা বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা রুহুল আমিন নগরীর সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক হাফিজ আব্দুল করিম দিলদারের পরিচালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- জাতীয় ইমাম সমিতি সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা হাবিব আহমদ শিহাব, মাদানী কাফেলা বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সালেহ আহমদ শাহবাগী, সিলেট জেলা আহবায়ক হাফিজ মাওলানা মাসুদ আহজার, যুব নেতা মাওলানা ফয়সল আহমদ, মাদরাসাতুল মদিনা সিলেটের শিক্ষাসচিব মুফতি মোহাম্মদ জাকারিয়া খান, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মাওলানা কবির আহমদ, মাওলানা খালেদ আহমদ, ছাত্রনেতা ফয়েজ উদ্দিন, মাওলানা হাবিবুর রহমান, হাফিজ জাহেদ আহমদ, ফাহিম আহমদ সুমন, কে এম লুকমান প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ফেনীতে আলিয়া মাদারসার ছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন হয়রানী ও নিষ্ঠুর ভাবে অগ্নিদগ্ধ করে হত্যার ঘটনা পৃথিবীর সকল বর্বরতাকে হার মানিয়েছে। এ পাশবিক হত্যাকান্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। যেন এ বিচার থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে আর কেউ এ ধরনের জঘন্যতম অপরাধ করার দুঃসাহস না দেখায়। বক্তারা বলেন, অপরাধীরা বারবার বিনা বিচারে পার পাওয়ায় এ ধরনের ভয়াবহ অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটছে। নুসরাত হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের খুজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা সরকারের দায়িত্ব। এ মামলায় কোন প্রকার গাফলতি দেশবাসি বরদাশত করবে না।
নেতৃবৃন্দ বলেন- সিরাজ উদ্দৌলা শিক্ষক নামের কলঙ্ক। তার ফাঁসি না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। তার এমন অনৈতিক কর্মকান্ডে দেশের আলেম সমাজসহ সাধারণ মানুষ হতাশ হয়েছে। যারা ব্যক্তিজীবন ও সামাজিক জীবনে ইসলামের নবী মোহাম্মদ (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) এর সঠিক আদর্শ বাস্তবায়ন করতে পারে না তাদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়া অনুচিত। এরা শিক্ষক নামে অযোগ্য। বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- কক্সবাজার মসজিদে মাদক বিরোধী বক্তব্য দেয়ায় নব্বই ভাগ মুসলমানদের দেশের একজন ইমামকে এভাবে নির্যাতন মেনে নেয়া যায় না। অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে নুসরাত হত্যাকারী ও ইমাম নির্যাতনকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। বিজ্ঞপ্তি

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ