০৩:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অাজ ৩ সিটিতে এগিয়ে অাওয়ামীলীগ- জয়

  • Update Time : ০৬:৩৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুলাই ২০১৮
  • / ৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিতবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এতে বলা হয়েছে, বরিশাল ও রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে জয় পাবেন এবং সিলেটে সামান্য ব্যবধানে দলের প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন। নির্বাচনের একদিন আগে গতকাল এক জরিপের ফল তুলে ধরে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানান তিনি। জরিপটি করেছে স্বতন্ত্র গবেষণা সংগঠন রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (আরডিসি)। ফেসবুকে সজীব ওয়াজেদ জয় জানান বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আমার টিম তিনটি জনমত জরিপ চালিয়েছে। পুরো জুলাই মাসজুড়ে এই জরিপ চালানো হয়। এটি পরিচালনা করেছে স্বতন্ত্র গবেষণা সংগঠন রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (আরডিসি)। জরিপের ফল এখানে দেয়া হলো- বরিশাল-সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ (আওয়ামী লীগ) : ৪৪ শতাংশ, মুজিবুর রহমান সরওয়ার (বিএনপি): ১৩.১ শতাংশ, অন্য প্রার্থী: ০.৮ শতাংশ, সিদ্ধান্তহীন: ২৩.৫ শতাংশ, জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে: ১৫.৯ শতাংশ। জরিপে অংশ নিয়েছিলেন ১ হাজার ২৪১ জন নিবন্ধিত ভোটার। রাজশাহী-খায়রুজ্জামান লিটন (আওয়ামী লীগ): ৫৮ শতাংশ, মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল (বিএনপি): ১৬.৪ শতাংশ, অন্য প্রার্থী: ০.৯ শতাংশ, সিদ্ধান্তহীন: ১২.৩ শতাংশ, জবাব দিতে অস্বীকৃতি: ৯.৬ শতাংশ, জরিপে অংশ নিয়েছিলেন ১ হাজার ২৯৪ জন নিবন্ধিত ভোটার। সিলেট- বদর উদ্দিন কামরান (আওয়ামী লীগ): ৩৩ শতাংশ, আরিফুল হক চৌধুরী (বিএনপি): ২৮.১ শতাংশ, অন্য প্রার্থী: ১.৩ শতাংশ, সিদ্ধান্তহীন: ২৩ শতাংশ। জরিপে অংশ নিয়েছিলেন ১ হাজার ১৯৬ জন নিবন্ধিত ভোটার। স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের ভোটার তালিকার নারী ও পুরুষ ভোটারের অনুপাত এবং বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট শহরের ২০১১ সালের শুমারির বয়স সম্পর্কিত তথ্যের বিন্যাস অনুযায়ী এই জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা থেকে ঠিকানা নিয়ে জরিপের জন্য নমুনা বাছাই করা হয়। এর মধ্য থেকে যারা নিজেদের সিটি করপোরেশনের ভোটার বলে নিশ্চিত করেন তাদেরকেই জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই জরিপে ভুলের মাত্রা ধরা হয় +/-২.৫। তিনি বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে আরডিসি-এর মাধ্যমে আমরা জরিপ পরিচালনা করছি। তাদের জরিপের পদ্ধতি ও ফলাফল বরাবরই আমার সঠিক মনে হয়েছে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, যেহেতু জরিপগুলো গত এক মাস ধরে করা হয়েছে এবং এর মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা জোরেশোরে চলেছে তাই জরিপ ও নির্বাচনের ফলাফলে কিছুটা তফাত হতে পারে। কিন্তু আমি আত্মবিশ্বাসী যে বরিশাল ও রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ বিশাল ব্যবধানে জয়ের পথে। যদিও সিলেটে আমরা কিছুটা এগিয়ে আছি, এই মুহূর্তে আসলে কাউকেই বিজয়ী হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বিএনপি অনেক ধরনের অভিযোগ করতে থাকে, কিন্তু আসল কথা হচ্ছে তাদের কোনো জনপ্রিয়তাই নেই। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের জনসমর্থন দিন দিন বাড়ছে। নির্বাচনী লড়াইয়ে বিএনপি এখন আওয়ামী লীগের জন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীই না। তিনি বলেন, আমি আমাদের দলীয় নেতাকর্মী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানাবো তারা যেন সজাগ থাকেন। কারণ, আমাদের আশংকা বিএনপি ভোট কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দিয়ে সেই দায় আমাদের উপর চাপানোর চেষ্টা চালাবেন। আপনারা সবাই বিএনপি নেতাদের এরূপ ষড়যন্ত্রের ফোনালাপ সমপ্রতি শুনেছিলেন গাজীপুর নির্বাচনের সময়। বিএনপি প্রার্থীরা যতই ভোটারদের কাছে যান, ততই তারা বুঝতে পারেন তাদের দল বাংলাদেশের মানুষদের থেকে কতটা দূরে সরে গিয়েছে। তাই আওয়ামী লীগকে বিতর্কিত করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করাই তাদের একমাত্র কৌশল। সুত্র: মানবজমিন

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

অাজ ৩ সিটিতে এগিয়ে অাওয়ামীলীগ- জয়

Update Time : ০৬:৩৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুলাই ২০১৮

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিতবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এতে বলা হয়েছে, বরিশাল ও রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে জয় পাবেন এবং সিলেটে সামান্য ব্যবধানে দলের প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন। নির্বাচনের একদিন আগে গতকাল এক জরিপের ফল তুলে ধরে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানান তিনি। জরিপটি করেছে স্বতন্ত্র গবেষণা সংগঠন রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (আরডিসি)। ফেসবুকে সজীব ওয়াজেদ জয় জানান বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে আমার টিম তিনটি জনমত জরিপ চালিয়েছে। পুরো জুলাই মাসজুড়ে এই জরিপ চালানো হয়। এটি পরিচালনা করেছে স্বতন্ত্র গবেষণা সংগঠন রিসার্চ ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (আরডিসি)। জরিপের ফল এখানে দেয়া হলো- বরিশাল-সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ (আওয়ামী লীগ) : ৪৪ শতাংশ, মুজিবুর রহমান সরওয়ার (বিএনপি): ১৩.১ শতাংশ, অন্য প্রার্থী: ০.৮ শতাংশ, সিদ্ধান্তহীন: ২৩.৫ শতাংশ, জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে: ১৫.৯ শতাংশ। জরিপে অংশ নিয়েছিলেন ১ হাজার ২৪১ জন নিবন্ধিত ভোটার। রাজশাহী-খায়রুজ্জামান লিটন (আওয়ামী লীগ): ৫৮ শতাংশ, মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল (বিএনপি): ১৬.৪ শতাংশ, অন্য প্রার্থী: ০.৯ শতাংশ, সিদ্ধান্তহীন: ১২.৩ শতাংশ, জবাব দিতে অস্বীকৃতি: ৯.৬ শতাংশ, জরিপে অংশ নিয়েছিলেন ১ হাজার ২৯৪ জন নিবন্ধিত ভোটার। সিলেট- বদর উদ্দিন কামরান (আওয়ামী লীগ): ৩৩ শতাংশ, আরিফুল হক চৌধুরী (বিএনপি): ২৮.১ শতাংশ, অন্য প্রার্থী: ১.৩ শতাংশ, সিদ্ধান্তহীন: ২৩ শতাংশ। জরিপে অংশ নিয়েছিলেন ১ হাজার ১৯৬ জন নিবন্ধিত ভোটার। স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের ভোটার তালিকার নারী ও পুরুষ ভোটারের অনুপাত এবং বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেট শহরের ২০১১ সালের শুমারির বয়স সম্পর্কিত তথ্যের বিন্যাস অনুযায়ী এই জরিপের ফলাফল উপস্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা থেকে ঠিকানা নিয়ে জরিপের জন্য নমুনা বাছাই করা হয়। এর মধ্য থেকে যারা নিজেদের সিটি করপোরেশনের ভোটার বলে নিশ্চিত করেন তাদেরকেই জরিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই জরিপে ভুলের মাত্রা ধরা হয় +/-২.৫। তিনি বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে আরডিসি-এর মাধ্যমে আমরা জরিপ পরিচালনা করছি। তাদের জরিপের পদ্ধতি ও ফলাফল বরাবরই আমার সঠিক মনে হয়েছে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, যেহেতু জরিপগুলো গত এক মাস ধরে করা হয়েছে এবং এর মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণা জোরেশোরে চলেছে তাই জরিপ ও নির্বাচনের ফলাফলে কিছুটা তফাত হতে পারে। কিন্তু আমি আত্মবিশ্বাসী যে বরিশাল ও রাজশাহীতে আওয়ামী লীগ বিশাল ব্যবধানে জয়ের পথে। যদিও সিলেটে আমরা কিছুটা এগিয়ে আছি, এই মুহূর্তে আসলে কাউকেই বিজয়ী হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বিএনপি অনেক ধরনের অভিযোগ করতে থাকে, কিন্তু আসল কথা হচ্ছে তাদের কোনো জনপ্রিয়তাই নেই। অন্যদিকে আওয়ামী লীগের জনসমর্থন দিন দিন বাড়ছে। নির্বাচনী লড়াইয়ে বিএনপি এখন আওয়ামী লীগের জন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বীই না। তিনি বলেন, আমি আমাদের দলীয় নেতাকর্মী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানাবো তারা যেন সজাগ থাকেন। কারণ, আমাদের আশংকা বিএনপি ভোট কেন্দ্র দখল করে জাল ভোট দিয়ে সেই দায় আমাদের উপর চাপানোর চেষ্টা চালাবেন। আপনারা সবাই বিএনপি নেতাদের এরূপ ষড়যন্ত্রের ফোনালাপ সমপ্রতি শুনেছিলেন গাজীপুর নির্বাচনের সময়। বিএনপি প্রার্থীরা যতই ভোটারদের কাছে যান, ততই তারা বুঝতে পারেন তাদের দল বাংলাদেশের মানুষদের থেকে কতটা দূরে সরে গিয়েছে। তাই আওয়ামী লীগকে বিতর্কিত করে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করাই তাদের একমাত্র কৌশল। সুত্র: মানবজমিন

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ