১১:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর বাণী: বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা সারাবিশ্বে প্রশংসিত

  • Update Time : ০১:৪২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮
  • / ৩ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের দৃষ্টান্তমূলক সেবা, কঠোর পরিশ্রম, আত্মত্যাগ, নিঃস্বার্থ মনোভাব এবং সাহসিকতা আজ সারাবিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য প্রেরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শীর্ষস্থানীয় দেশ। মিশনে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের সদস্যরা বিপদসঙ্কুল এবং সংঘাতপূর্ণ এলাকায় নিয়োজিত থাকেন।

 

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০১৮ উপলক্ষে সোমবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মঙ্গলবার বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে শান্তিরক্ষী দিবস। এ বছর শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণের ৩০ বছর পূর্তি হচ্ছে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের প্রতি আমাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি।’ বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা তাদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা দিয়ে বিশ্বের শান্তিরক্ষায় আরো কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশাও জানান তিনি।

 

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী মিশনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

প্রধানমন্ত্রীর বাণী: বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা সারাবিশ্বে প্রশংসিত

Update Time : ০১:৪২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

জগন্নাথপুর পত্রিকা ডেস্ক :: বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের দৃষ্টান্তমূলক সেবা, কঠোর পরিশ্রম, আত্মত্যাগ, নিঃস্বার্থ মনোভাব এবং সাহসিকতা আজ সারাবিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

 

তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য প্রেরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শীর্ষস্থানীয় দেশ। মিশনে দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের সদস্যরা বিপদসঙ্কুল এবং সংঘাতপূর্ণ এলাকায় নিয়োজিত থাকেন।

 

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০১৮ উপলক্ষে সোমবার দেয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মঙ্গলবার বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে শান্তিরক্ষী দিবস। এ বছর শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণের ৩০ বছর পূর্তি হচ্ছে।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের প্রতি আমাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি।’ বাংলাদেশের শান্তিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা তাদের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও আন্তরিকতা দিয়ে বিশ্বের শান্তিরক্ষায় আরো কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশাও জানান তিনি।

 

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী মিশনে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ