০৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে কৃষক হত্যা মামলায় ৭জনের ফাঁসির অাদেশ

  • Update Time : ০৭:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৮
  • / ৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট :: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে কৃষক হত্যা মামলায় ৭জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাফরোজা পারভীনের আদালত এ রায় দেন। রায় ঘোষণাকালে আসামিরা সবাই পলাতক ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছেন- নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামের মর্তুজ মিয়া, ফয়ছল মিয়া, ফজলু মিয়া, ময়নুল মিয়া, শিফা বেগম, সুন্দর মিয়া ও বশির মিয়া।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ওই গ্রামের কৃষক মো. আবুল মিয়ার সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মর্তুজ মিয়ার বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে ২০০৮ সালের ২২ জুন বেলা সাড়ে ১১টায় হাওরে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আবুল মিয়ার উপর পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আসামিরা হামলা চালান। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

উক্ত ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই ছাদিক মিয়া বাদী হয়ে ওই দিনই থানায় ৮জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে চম্পা বেগমকে বাদ দিয়ে ৭জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। মামলায় ২২জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার রায় দেন।

মামলার বাদী ছাদিক মিয়া জানান, রায়ে তিনি সন্তুষ্ট। সবার ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন তিনি। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল আহাদ ফারুক। তিনিও রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ

হবিগঞ্জে কৃষক হত্যা মামলায় ৭জনের ফাঁসির অাদেশ

Update Time : ০৭:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৮

ডেস্ক রিপোর্ট :: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে কৃষক হত্যা মামলায় ৭জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মাফরোজা পারভীনের আদালত এ রায় দেন। রায় ঘোষণাকালে আসামিরা সবাই পলাতক ছিলেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হচ্ছেন- নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের দাউদপুর গ্রামের মর্তুজ মিয়া, ফয়ছল মিয়া, ফজলু মিয়া, ময়নুল মিয়া, শিফা বেগম, সুন্দর মিয়া ও বশির মিয়া।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ওই গ্রামের কৃষক মো. আবুল মিয়ার সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মর্তুজ মিয়ার বিরোধ চলছিল। এর জের ধরে ২০০৮ সালের ২২ জুন বেলা সাড়ে ১১টায় হাওরে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে আবুল মিয়ার উপর পূর্ব পরিকল্পিতভাবে আসামিরা হামলা চালান। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে কুপিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

উক্ত ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই ছাদিক মিয়া বাদী হয়ে ওই দিনই থানায় ৮জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে চম্পা বেগমকে বাদ দিয়ে ৭জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। মামলায় ২২জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বুধবার রায় দেন।

মামলার বাদী ছাদিক মিয়া জানান, রায়ে তিনি সন্তুষ্ট। সবার ফাঁসি দ্রুত কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন তিনি। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল আহাদ ফারুক। তিনিও রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এখানে ক্লিক করে শেয়ার করুণ